
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচনে আমরা বিশেষ করে যারা জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্বে আছি তারা তো নিরাপত্তা সংকটে আছিই, নিরাপত্তার একটা থ্রেট আছে জানিয়ে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনের প্রার্থী নুরুল হক নুর বলেছেন, আপনারা জানেন যে আমাদের অনেকের সাথে সরকার গানম্যান দিয়েছে, তো স্থানীয় প্রশাসন এই নিরাপত্তাটা নিশ্চিত করবে তবে বৈধ-অবৈধ সকল অস্ত্রই নির্বাচনের সময় উদ্ধার করা প্রয়োজন। বৈধ অস্ত্রের ক্ষেত্রে একেবারেই যারা খুব ঝুঁকিতে আছে তাদের ব্যতীত অন্যদের এ অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা প্রয়োজন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন নুর।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘এই নির্বাচন দেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত প্রত্যাশিত একটি নির্বাচন। বিগত নির্বাচনগুলোতে জনগণ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। অনেকেই ভোটকেন্দ্র দখল করে জনপ্রতিনিধি হয়েছেন। এর ফলে দেশ একটি গভীর সংকটে পতিত হয়েছিল। আজকের পরিবর্তিত বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই।’
গণভোট প্রসঙ্গে নুর বলেন, ‘প্রার্থীরা শুধু সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য নির্বাচন করছেন না, বরং নাগরিকদের মর্যাদা, অধিকার ও আইনের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ নির্বাচন। কেউ যেন জোর করে ক্ষমতা দখল করতে না পারে, রাষ্ট্রে যেন স্বাধীন বিচার বিভাগ ও স্বাধীন গণমাধ্যম থাকে এসব সংস্কারের লক্ষ্যেই জুলাই গণভোট। তাই এটি একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন।’
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এই ঐতিহাসিক নির্বাচনে অংশ নিতে পেরে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই। এ দিনে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। পাশাপাশি ২৪ এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন এবং যারা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তাদের জন্য দোয়া ও ভালোবাসা জানাই।’
নুর বলেন, ‘আমরা যদি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারি, তবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার আলোকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। যেখানে দল-মত নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে।’
এ সময় নুরের সঙ্গে তার নির্বাচনি এলাকার স্থানীয় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের দলীয় প্রতীক ‘ট্রাক’ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন নুরুল হক নুর। বুধবার সকালে পটুয়াখালী জেলা রিটার্নিং অফিসারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতীক বরাদ্দের সভায় তাকে ট্রাক প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

নির্বাচনে আমরা বিশেষ করে যারা জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্বে আছি তারা তো নিরাপত্তা সংকটে আছিই, নিরাপত্তার একটা থ্রেট আছে জানিয়ে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনের প্রার্থী নুরুল হক নুর বলেছেন, আপনারা জানেন যে আমাদের অনেকের সাথে সরকার গানম্যান দিয়েছে, তো স্থানীয় প্রশাসন এই নিরাপত্তাটা নিশ্চিত করবে তবে বৈধ-অবৈধ সকল অস্ত্রই নির্বাচনের সময় উদ্ধার করা প্রয়োজন। বৈধ অস্ত্রের ক্ষেত্রে একেবারেই যারা খুব ঝুঁকিতে আছে তাদের ব্যতীত অন্যদের এ অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা প্রয়োজন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন নুর।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘এই নির্বাচন দেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত প্রত্যাশিত একটি নির্বাচন। বিগত নির্বাচনগুলোতে জনগণ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। অনেকেই ভোটকেন্দ্র দখল করে জনপ্রতিনিধি হয়েছেন। এর ফলে দেশ একটি গভীর সংকটে পতিত হয়েছিল। আজকের পরিবর্তিত বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই।’
গণভোট প্রসঙ্গে নুর বলেন, ‘প্রার্থীরা শুধু সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য নির্বাচন করছেন না, বরং নাগরিকদের মর্যাদা, অধিকার ও আইনের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ নির্বাচন। কেউ যেন জোর করে ক্ষমতা দখল করতে না পারে, রাষ্ট্রে যেন স্বাধীন বিচার বিভাগ ও স্বাধীন গণমাধ্যম থাকে এসব সংস্কারের লক্ষ্যেই জুলাই গণভোট। তাই এটি একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন।’
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এই ঐতিহাসিক নির্বাচনে অংশ নিতে পেরে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই। এ দিনে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। পাশাপাশি ২৪ এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন এবং যারা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তাদের জন্য দোয়া ও ভালোবাসা জানাই।’
নুর বলেন, ‘আমরা যদি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারি, তবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার আলোকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। যেখানে দল-মত নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে।’
এ সময় নুরের সঙ্গে তার নির্বাচনি এলাকার স্থানীয় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের দলীয় প্রতীক ‘ট্রাক’ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন নুরুল হক নুর। বুধবার সকালে পটুয়াখালী জেলা রিটার্নিং অফিসারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতীক বরাদ্দের সভায় তাকে ট্রাক প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে
নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
৪ দিন আগে