
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সংগঠনের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে এ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা ও ঘটনার পেছনের দেশি-বিদেশি চক্রান্ত উদ্ঘাটনের দাবিতে ফের মাঠে নামছে ইনকিলাব মঞ্চ। আপাতত দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি। ইনকিলাব মঞ্চ বলছে, ওসমান হাদির খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করতে হবে সরকারকে।
বুধবার (৩ জুন) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনেনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।
কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় মশাল মিছিল ও শুক্রবার জুমার নামাজের পর সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে ইনকিলাব মঞ্চ। জাবের বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইনকিলাব মঞ্চের উদ্যোগে মশাল মিছিল হবে। এ ছাড়া শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল করা হবে।
আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ওসমান হাদি হত্যার বিচারকে বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের ট্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশের ভেতরে যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আড়াল করার বা নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা করেছে, তারাও এ হত্যায় জড়িত।
এর আগে মঙ্গলবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক কর্মসূচিতে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উদ্দেশে বলেন, ওসমান হাদি হত্যায় কারা জড়িত তা তিনি জানেন। এ ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স একজনকে গ্রেপ্তার করলেও অমিত শাহ সে তথ্য গোপনের জন্য মমতাকে অনুরোধ করেন।
জাবের বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক বক্তব্য থেকে আমাদের ধারণা হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে বাংলাদেশের এমন কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে, যার পরিচয় প্রকাশ হলে দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে। ওসমান হাদিকে শুধু আওয়ামী লীগবিরোধী অবস্থানের কারণে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে করলে ভুল হবে। বরং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে ভারতের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন।
ইনকিলাব মঞ্চের এই সদস্য সচিব আরও বলেন, হত্যার পরপরই সীমান্ত সিল করার কথা থাকলেও তা করতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। বিশেষ করে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে খুনিরা পালিয়ে গেছে বলে যে তথ্য এসেছে, তা নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে হবে। সন্ধ্যার পরপরই সীমান্ত বন্ধ করার কথা থাকলেও তা করতে রাত ১০টা-১১টা পর্যন্ত সময় লেগেছে।
আবদুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় একাধিকবার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় আর কোনো দেরি মেনে নেওয়া হবে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে খুনিদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্যকে ধোঁয়াশাপূর্ণ। তাই খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণার দাবিও জানান তিনি।
ইনকিলাব মঞ্চের প্রকাশনা সম্পাদক ফাহিম মীর, সদস্য হাবিবুল্লাহ মিসবাহসহ সংগঠনের অন্য নেতাকর্মীরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে এ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা ও ঘটনার পেছনের দেশি-বিদেশি চক্রান্ত উদ্ঘাটনের দাবিতে ফের মাঠে নামছে ইনকিলাব মঞ্চ। আপাতত দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি। ইনকিলাব মঞ্চ বলছে, ওসমান হাদির খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করতে হবে সরকারকে।
বুধবার (৩ জুন) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনেনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।
কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় মশাল মিছিল ও শুক্রবার জুমার নামাজের পর সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে ইনকিলাব মঞ্চ। জাবের বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইনকিলাব মঞ্চের উদ্যোগে মশাল মিছিল হবে। এ ছাড়া শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল করা হবে।
আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ওসমান হাদি হত্যার বিচারকে বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের ট্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশের ভেতরে যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আড়াল করার বা নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা করেছে, তারাও এ হত্যায় জড়িত।
এর আগে মঙ্গলবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক কর্মসূচিতে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উদ্দেশে বলেন, ওসমান হাদি হত্যায় কারা জড়িত তা তিনি জানেন। এ ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স একজনকে গ্রেপ্তার করলেও অমিত শাহ সে তথ্য গোপনের জন্য মমতাকে অনুরোধ করেন।
জাবের বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক বক্তব্য থেকে আমাদের ধারণা হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে বাংলাদেশের এমন কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে, যার পরিচয় প্রকাশ হলে দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে। ওসমান হাদিকে শুধু আওয়ামী লীগবিরোধী অবস্থানের কারণে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে করলে ভুল হবে। বরং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে ভারতের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন।
ইনকিলাব মঞ্চের এই সদস্য সচিব আরও বলেন, হত্যার পরপরই সীমান্ত সিল করার কথা থাকলেও তা করতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। বিশেষ করে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে খুনিরা পালিয়ে গেছে বলে যে তথ্য এসেছে, তা নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে হবে। সন্ধ্যার পরপরই সীমান্ত বন্ধ করার কথা থাকলেও তা করতে রাত ১০টা-১১টা পর্যন্ত সময় লেগেছে।
আবদুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় একাধিকবার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় আর কোনো দেরি মেনে নেওয়া হবে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে খুনিদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্যকে ধোঁয়াশাপূর্ণ। তাই খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণার দাবিও জানান তিনি।
ইনকিলাব মঞ্চের প্রকাশনা সম্পাদক ফাহিম মীর, সদস্য হাবিবুল্লাহ মিসবাহসহ সংগঠনের অন্য নেতাকর্মীরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, ৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছে। বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জীবন দিয়েছে। তাই, বিএনপি ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সকল পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে চায়। অন্যদিকে জামায়াত ও এনসিপি ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তিগুলোর মধ্
১ দিন আগে
অতীতে নুসরাত, তনু ও খাদিজার ওপর ঘটে যাওয়া নির্মম ঘটনার কথা স্মরণ করে রিজভী বলেন, বর্তমান সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে কঠোরভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
১ দিন আগে
অ্যানথ্রপিক বলেছে, ওই ব্যক্তি নিজেও জানতেন যে তিনি যে সংবাদ তৈরি করছেন সেগুলো মিথ্যা। তার নিজের নোট থেকে তদন্তকারীরা এমন প্রমাণ পেয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘no one knows the news is fake’— অর্থাৎ ‘কেউ জানে না খবরটি ভুয়া’।
২ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত এই দলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর বাংলাদেশে নির্বাচন করা তো দূরের কথা, কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অধিকার নেই। যদি তারা তা করে, তাহলে আইনের আওতায় আসবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে
২ দিন আগে