
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রংপুরে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বাড়িতে হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় দলটির নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন তারা। এ ঘটনায় বিএনপি ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সেনাবাহিনী। এই হামলায় রংপুরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এক দল আরেক দলকে উদ্দেশ্য করে উসকানিমূলক কথা বলছে।
এ ঘটনায় প্রশ্ন রেখে ‘রংপুর ও আওয়ামী লীগের B Team জাতীয় পার্টি ইস্যু!’ শিরোনামে ফেসবুকে স্ট্যাস্টাস দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
সারজিস আলমের স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো
১. ৩ দিন আগে রংপুরে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনীত অবৈধ নির্বাচনের একাধিকবারের অবৈধ মেয়র মোস্তফা আবার মেয়র পদে ফিরে আসার জন্য আওয়ামী লীগের পোষ্য B Team জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদেরকে সাথে নিয়ে রংপুর শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে!
২. আওয়ামী লীগ ও ভারতের সাথে নেগোসিয়েশন করে সাময়িক বিরোধিতার ভান ধরে বিরোধী দলের যাবতীয় সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেছে জাতীয় পার্টি। এমনকি বিএনপি জামায়াত যখন প্রহসনের অবৈধ নির্বাচন থেকে দূরে থেকেছে, হাজারো অন্যায়, জুলুম, অত্যাচার সহ্য করেছে, তখন এই জাতীয় পার্টি বিরোধী দল সেজে আওয়ামী লীগকে সরকারি দলের বৈধতা দেওয়ার অপচেষ্টা করেছে! সকল সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেছে!
৩. ২ দিন আগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের রংপুরে গিয়ে আবার স্থানীয় জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের কে সাথে নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা শুরু করেছে!
৪. অতঃপর যখন রংপুরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্য একসাথে জিএম কাদের ও জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে অহিংস বিক্ষোভ মিছিল করে তখন জাতীয় পার্টি সন্ত্রাসীরা সেই বিক্ষোভ মিছিলে প্রথম হামলা চালায়! এরপর জিএম কাদেরের বাড়িতে একটি বাইক পোড়ানোর ঘটনা দেখা যায়। এই বাইক পোড়ানোর মব বা ভ্যান্ডালিজমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রংপুরের সেনাবাহিনী সংশ্লিষ্টদেরকে খুঁজতে নয় মাসের সর্বোচ্চ বড় অপারেশনের জন্য মাঠে নামে! মহানগর বিএনপির সভাপতি, সেক্রেটারি এবং জেলা ও মহানগরের বৈষম্যবিরোধীর আহবায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ করা হতেই পারে এটা নিয়ে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু যে ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে সর্বশেষ এই ঘটনা ঘটেছে সেই ঘটনাগুলোর কারণ কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে না খুঁজে সর্বশেষ বিষয় নিয়ে আদিখ্যেতা দেখানো শুরু হয়।

জিএম কাদেরের বাড়ির পুরানো বাইক আর সামান্য আগুন নিয়ে যাদের এত চিন্তা তারা বিগত নয় মাসে আওয়ামী সন্ত্রাসী খুনিদেরকে ধরতে কয়টা অভিযান চালিয়েছে? কতজনকে গ্রেফতার করেছে?
যে মোস্তফা একাধিক অবৈধ নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হয়ে তার পরিবারের সদস্য ও সাঙ্গপাঙ্গদের কে নিয়ে রংপুরে লুটপাট চালিয়েছে, কোটি টাকা দুর্নীতির আখড়া বানিয়েছে, সিটি কর্পোরেশনকে ডাকাতির ক্ষেত্র বানিয়েছে সেই মেয়র মোস্তফাকে ধরতে কয়দিন অপারেশন চালানো হয়েছে?
নয় মাসে রংপুরের বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী দখলদারদের থেকে জনগণের ন্যায্য সম্পদ অর্থ উদ্ধারের জন্য কয়টি অভিযান চালানো হয়েছে?
জাতীয় পার্টির যে সন্ত্রাসীরা অবৈধ মেয়র মোস্তফার নেতৃত্বে প্রথম ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিলে হামলা চালিয়েছে, যে জিএম কাদের এলাকায় সন্ত্রাসীদেরকে নিয়ে বৈঠক করে পরিস্থিতিকে উসকে দিয়েছে তাদেরকে ধরতে কয়টি অভিযান চালানো হয়েছে?
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আমরা এখনো যথেষ্ট সম্মানের জায়গায় রাখি। কিন্তু ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ে তাদেরও স্পষ্ট অবস্থান এবং কার্যক্রম আমরা দেখতে চাই।
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের সন্ত্রাসীরা তাদেরই B Team জাতীয় পার্টি রূপে ফিরে আসার চেষ্টা করলে সেই চেষ্টাকে ব্যর্থতায় পর্যবসিত করা হবে।

রংপুরে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বাড়িতে হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় দলটির নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন তারা। এ ঘটনায় বিএনপি ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সেনাবাহিনী। এই হামলায় রংপুরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এক দল আরেক দলকে উদ্দেশ্য করে উসকানিমূলক কথা বলছে।
এ ঘটনায় প্রশ্ন রেখে ‘রংপুর ও আওয়ামী লীগের B Team জাতীয় পার্টি ইস্যু!’ শিরোনামে ফেসবুকে স্ট্যাস্টাস দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
সারজিস আলমের স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো
১. ৩ দিন আগে রংপুরে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনীত অবৈধ নির্বাচনের একাধিকবারের অবৈধ মেয়র মোস্তফা আবার মেয়র পদে ফিরে আসার জন্য আওয়ামী লীগের পোষ্য B Team জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদেরকে সাথে নিয়ে রংপুর শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে!
২. আওয়ামী লীগ ও ভারতের সাথে নেগোসিয়েশন করে সাময়িক বিরোধিতার ভান ধরে বিরোধী দলের যাবতীয় সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেছে জাতীয় পার্টি। এমনকি বিএনপি জামায়াত যখন প্রহসনের অবৈধ নির্বাচন থেকে দূরে থেকেছে, হাজারো অন্যায়, জুলুম, অত্যাচার সহ্য করেছে, তখন এই জাতীয় পার্টি বিরোধী দল সেজে আওয়ামী লীগকে সরকারি দলের বৈধতা দেওয়ার অপচেষ্টা করেছে! সকল সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেছে!
৩. ২ দিন আগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের রংপুরে গিয়ে আবার স্থানীয় জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের কে সাথে নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা শুরু করেছে!
৪. অতঃপর যখন রংপুরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্য একসাথে জিএম কাদের ও জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে অহিংস বিক্ষোভ মিছিল করে তখন জাতীয় পার্টি সন্ত্রাসীরা সেই বিক্ষোভ মিছিলে প্রথম হামলা চালায়! এরপর জিএম কাদেরের বাড়িতে একটি বাইক পোড়ানোর ঘটনা দেখা যায়। এই বাইক পোড়ানোর মব বা ভ্যান্ডালিজমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রংপুরের সেনাবাহিনী সংশ্লিষ্টদেরকে খুঁজতে নয় মাসের সর্বোচ্চ বড় অপারেশনের জন্য মাঠে নামে! মহানগর বিএনপির সভাপতি, সেক্রেটারি এবং জেলা ও মহানগরের বৈষম্যবিরোধীর আহবায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ করা হতেই পারে এটা নিয়ে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু যে ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে সর্বশেষ এই ঘটনা ঘটেছে সেই ঘটনাগুলোর কারণ কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে না খুঁজে সর্বশেষ বিষয় নিয়ে আদিখ্যেতা দেখানো শুরু হয়।

জিএম কাদেরের বাড়ির পুরানো বাইক আর সামান্য আগুন নিয়ে যাদের এত চিন্তা তারা বিগত নয় মাসে আওয়ামী সন্ত্রাসী খুনিদেরকে ধরতে কয়টা অভিযান চালিয়েছে? কতজনকে গ্রেফতার করেছে?
যে মোস্তফা একাধিক অবৈধ নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হয়ে তার পরিবারের সদস্য ও সাঙ্গপাঙ্গদের কে নিয়ে রংপুরে লুটপাট চালিয়েছে, কোটি টাকা দুর্নীতির আখড়া বানিয়েছে, সিটি কর্পোরেশনকে ডাকাতির ক্ষেত্র বানিয়েছে সেই মেয়র মোস্তফাকে ধরতে কয়দিন অপারেশন চালানো হয়েছে?
নয় মাসে রংপুরের বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী দখলদারদের থেকে জনগণের ন্যায্য সম্পদ অর্থ উদ্ধারের জন্য কয়টি অভিযান চালানো হয়েছে?
জাতীয় পার্টির যে সন্ত্রাসীরা অবৈধ মেয়র মোস্তফার নেতৃত্বে প্রথম ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিলে হামলা চালিয়েছে, যে জিএম কাদের এলাকায় সন্ত্রাসীদেরকে নিয়ে বৈঠক করে পরিস্থিতিকে উসকে দিয়েছে তাদেরকে ধরতে কয়টি অভিযান চালানো হয়েছে?
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আমরা এখনো যথেষ্ট সম্মানের জায়গায় রাখি। কিন্তু ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ে তাদেরও স্পষ্ট অবস্থান এবং কার্যক্রম আমরা দেখতে চাই।
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের সন্ত্রাসীরা তাদেরই B Team জাতীয় পার্টি রূপে ফিরে আসার চেষ্টা করলে সেই চেষ্টাকে ব্যর্থতায় পর্যবসিত করা হবে।

৪১ সদস্যের এই কমিটিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরও দুই সদস্য সেলিমা রহমান ও শামসুজ্জামান দুদুকে রাখা হয়েছে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে। দলীয় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহকে দেওয়া হয়েছে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব।
২১ ঘণ্টা আগে
শেখ হাসিনার পলায়ন ও রওশন এরশাদের অনুপস্থিতির পর খালেদা জিয়ার প্রয়াণে দেশের রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বই পর্দার আড়ালে চলে গেল কি না, সে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে— রাজনীতির মাঠে এখন যেসব নারীরা রয়েছেন, তাদের মাধ্যমে কি রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে নারী নেতৃত্বের শূন্যতা আদৌ পূরণ হবে? নাকি রাজনীতি পরিপ
১ দিন আগে
এ সময় জামায়াত আমিরের উপস্থিতিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশের ওপর আলোকপাত করা হয়।
১ দিন আগে
দলের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে নীতিগত দ্বিমত পোষণ করে তিনি লেখেন, ‘সম্প্রতি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন দশ দলীয় জোটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে আমি নীতিগতভাবে একমত নই।’
১ দিন আগে