
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির একাধিকবারের সংসদ সদস্য ছিলেন প্রয়াত এস এ খালেক। পরে এই আসনে নির্বাচনে প্রার্থী হন তার ছেলে সৈয়দ এ সিদ্দিক সাজু। তবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এই আসন থেকে গুমের শিকার ব্যক্তিদের সন্ধানের দাবিতে গড়ে তোলা ‘মায়ের ডাকে’র সমন্বয়ক সানজিদা ইসলামকে (তুলি) মনোনয়ন দেয়। দলের মনোনয়নবঞ্চিত সাজু স্বতন্ত্র হিসেবে বাবার নির্বাচিত এই আসনে মনোনয়ন জমা দিলেন।
সোমবার (২৯ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সৈয়দ এ সিদ্দিক সাজু মনোনয়নপত্র জমা দেন।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আজই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল।
সৈয়দ এ সিদ্দিক সাজু দারুস সালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক ও ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে ঢাকা-১৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রায় লক্ষাধিক ভোট পেয়েছিলেন। তবে এবার তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়বেন।
মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ফ্যাসিস্টের পতনের পর এই প্রথম তরুণরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন এবং ইতিহাসের চ্যালেঞ্জিং একটি নির্বাচন হবে এটা। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছি। আশা করি, মিরপুরের সন্তানকে মিরপুরবাসী বেছে নেবে, ইনশাআল্লাহ।

ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির একাধিকবারের সংসদ সদস্য ছিলেন প্রয়াত এস এ খালেক। পরে এই আসনে নির্বাচনে প্রার্থী হন তার ছেলে সৈয়দ এ সিদ্দিক সাজু। তবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এই আসন থেকে গুমের শিকার ব্যক্তিদের সন্ধানের দাবিতে গড়ে তোলা ‘মায়ের ডাকে’র সমন্বয়ক সানজিদা ইসলামকে (তুলি) মনোনয়ন দেয়। দলের মনোনয়নবঞ্চিত সাজু স্বতন্ত্র হিসেবে বাবার নির্বাচিত এই আসনে মনোনয়ন জমা দিলেন।
সোমবার (২৯ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সৈয়দ এ সিদ্দিক সাজু মনোনয়নপত্র জমা দেন।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আজই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল।
সৈয়দ এ সিদ্দিক সাজু দারুস সালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক ও ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে ঢাকা-১৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রায় লক্ষাধিক ভোট পেয়েছিলেন। তবে এবার তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়বেন।
মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ফ্যাসিস্টের পতনের পর এই প্রথম তরুণরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন এবং ইতিহাসের চ্যালেঞ্জিং একটি নির্বাচন হবে এটা। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছি। আশা করি, মিরপুরের সন্তানকে মিরপুরবাসী বেছে নেবে, ইনশাআল্লাহ।

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে
নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
৪ দিন আগে