
ঢাবি প্রতিনিধি

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশসহ তিন দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে জুলাই ঐক্যের অন্তর্ভুক্ত সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘তরুণ’। তাদের বাকি দুই দাবির মধ্যে রয়েছে— জুলাই আন্দোলনে শহিদদের মর্যাদা নিশ্চিত করা ও আহতদের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং জাতীয় নির্বাচনের আগেই জুলাইকেন্দ্রিক অপরাধগুলোর বিচার নিশ্চিত করা।
রোববার (১৫ জুন) বিকেল ৪টায় রাজধানীর শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরে সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি উত্থাপন করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক ফাহিম ফারুক। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিজেদের সদস্য ও ছাত্র জনতাকে সঙ্গে নিয়ে ফ্যাসিবাদের কবর রচনা করেছে সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘তরুণ’। জুলাই-পরবর্তী বাজার মনিটরিং, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বাংলাদেশপন্থি সংগঠনটি। বর্তমানে সংগঠনটি জুলাইয়ের অন্তর্ভুক্ত অন্যতম সাংস্কৃতিক সংগঠন।
ফাহিম ফারুক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের তিন দফা দাবিও তুলে ধরেন। দাবি তিনটি হলো—
জুলাই বিপ্লবকে পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি দিয়ে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটিয়ে পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে জুলাই সনদ ঘোষণা করতে হবে;
শহিদ পরিবারগুলোর সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি আহত বিপ্লবীদের অতি দ্রুত চিকিৎসা অস্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে; এবং
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই জুলাইকেন্দ্রিক সব বিচার সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে হবে। তা না হলে তফসিল বিপ্লবীদের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
তরুণ-এর সভাপতি মারিয়া বলেন, আমরা অন্তবর্তী সরকারের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করছি, যেন আমাদের শহিদ পরিবারগুলো ও আহত যোদ্ধারা ভালো মূল্যায়ন পায়। আমরা যেমন তেমন জুলাই ঘোষণাপত্র মেনে নেব না। আমরা যারা যুদ্ধ করেছি, আমাদের সবার আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে তারা জুলাই ঘোষণাপত্র দেবেন— এটিই প্রত্যাশা।
এ সময় মারিয়া আরও বলেন, হায়েনারা তো প্রস্তুত হয়ে আছে ছোবল মারার জন্য। এই জুলাই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে তাদের ছোবল মারা বন্ধ করা যাবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশসহ তিন দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে জুলাই ঐক্যের অন্তর্ভুক্ত সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘তরুণ’। তাদের বাকি দুই দাবির মধ্যে রয়েছে— জুলাই আন্দোলনে শহিদদের মর্যাদা নিশ্চিত করা ও আহতদের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং জাতীয় নির্বাচনের আগেই জুলাইকেন্দ্রিক অপরাধগুলোর বিচার নিশ্চিত করা।
রোববার (১৫ জুন) বিকেল ৪টায় রাজধানীর শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরে সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি উত্থাপন করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক ফাহিম ফারুক। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিজেদের সদস্য ও ছাত্র জনতাকে সঙ্গে নিয়ে ফ্যাসিবাদের কবর রচনা করেছে সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘তরুণ’। জুলাই-পরবর্তী বাজার মনিটরিং, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বাংলাদেশপন্থি সংগঠনটি। বর্তমানে সংগঠনটি জুলাইয়ের অন্তর্ভুক্ত অন্যতম সাংস্কৃতিক সংগঠন।
ফাহিম ফারুক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের তিন দফা দাবিও তুলে ধরেন। দাবি তিনটি হলো—
জুলাই বিপ্লবকে পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি দিয়ে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটিয়ে পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে জুলাই সনদ ঘোষণা করতে হবে;
শহিদ পরিবারগুলোর সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি আহত বিপ্লবীদের অতি দ্রুত চিকিৎসা অস্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে; এবং
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই জুলাইকেন্দ্রিক সব বিচার সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে হবে। তা না হলে তফসিল বিপ্লবীদের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
তরুণ-এর সভাপতি মারিয়া বলেন, আমরা অন্তবর্তী সরকারের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করছি, যেন আমাদের শহিদ পরিবারগুলো ও আহত যোদ্ধারা ভালো মূল্যায়ন পায়। আমরা যেমন তেমন জুলাই ঘোষণাপত্র মেনে নেব না। আমরা যারা যুদ্ধ করেছি, আমাদের সবার আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে তারা জুলাই ঘোষণাপত্র দেবেন— এটিই প্রত্যাশা।
এ সময় মারিয়া আরও বলেন, হায়েনারা তো প্রস্তুত হয়ে আছে ছোবল মারার জন্য। এই জুলাই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে তাদের ছোবল মারা বন্ধ করা যাবে।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৩ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৩ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৩ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৩ দিন আগে