
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ও দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। এর মধ্যে তাকে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ইসির কাছে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরের পর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাই করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে ইসি। সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রথম দিনে আজ জামায়াতে ইসলামী-এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ১৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। মনিরা শারমিন ছাড়া বাকি ১২ জনের মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বৈধ হয়েছে।
দুপুরে মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান বলেন, ‘আমরা ১৩টি বাছাই করেছি, এরমধ্যে ১২টি বৈধ ঘোষণা করা হলো। একজনের মনোনয়নপত্র নিয়ে সিদ্ধান্ত অপেক্ষমান (পেন্ডিং)। আগামীকাল দুপুর ১২ টার মধ্যে ডকুমেন্ট দেওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মনিরা শারমিন যে কাগজপত্র দিয়েছেন, তাতে সরকারি পে স্কেলের কথা উল্লেখ রয়েছে। এ জন্য তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বলা হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছরের মধ্যে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বা এই পদে বহাল থাকার সুযোগ নেই। এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে অফিসার (জেনারেল) হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। বছরখানেক চাকরি করার পর গত বছরের (২০২৫ সাল) ডিসেম্বরে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন।
এনসিপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানান, চাকরি স্থায়ী হওয়ার আগেই মনিরা শারমিন কৃষি ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। ফলে তিন বছরের বাধ্যবাধকতার বিষয়টি মনিরা শারমিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ার কথা নয়। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মনিরা শারমিনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিএনপির ৩৬টি আসনের প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। সংরক্ষিত আসনের মনোনয়নের বিষয়ে ইসিতে আপিল দায়েরের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল।
জামায়াত জোটের যে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে, তারা হলেন— জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মারজিয়া বেগম, জামায়াতের ছাত্রী সংসঠন ইসলামী ছাত্রীসংস্থার সাবেক সভানেত্রী ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য সাবিকুন্নাহার মুন্নী, মহিলা জামায়াতের মিডিয়া ও প্রচার বিভাগীয় সেক্রেটারি নাজমুন নাহার নীলু, সিলেট মহানগর মহিলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাহফুজা হান্নান, বগুড়া অঞ্চল মহিলা জামায়াতের পরিচালক সাজেদা সামাদ, মহিলা জামায়াতের চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেক্রেটারি শামছুন্নাহার বেগম, নারী অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য মারদিয়া মমতাজ, ‘জুলাই শহিদ’ জাবির ইব্রাহীমের মা রোকেয়া বেগম, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব মাহমুদা আলম মিতু, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সভাপতি তাসমিয়া প্রধান ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাহবুবা হাকিম।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সাংবাদিকদের জানান, ‘আমাদের জোটের ১২টি মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে, এনসিপির মনিরা শারমিনের একটি মনোনয়নপত্রের বিষয়ে আগামীকাল ১২টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে কাগজপত্র উপস্থাপন করা হবে।’
এবার বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি ও স্বতন্ত্র জোট ১টি আসনে মনোনয়নপত্র দিয়েছে। এর বাইরে আরও তিনজন আলাদাভাবে মনোয়নপত্র জমা দেন। জামায়াতে ইসলামীর ও জোটের শরিকদের জন্য বরাদ্দ ১৩ আসনের মধ্যে জামায়াত আটজন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও জাগপা থেকে একজন করে মনোনয়ন পেয়েছেন। একটি আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে ‘জুলাই শহিদ’ জাবির ইব্রাহীমের মা রোকেয়া বেগমকে।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ও দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। এর মধ্যে তাকে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ইসির কাছে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরের পর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাই করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে ইসি। সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রথম দিনে আজ জামায়াতে ইসলামী-এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ১৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। মনিরা শারমিন ছাড়া বাকি ১২ জনের মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বৈধ হয়েছে।
দুপুরে মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান বলেন, ‘আমরা ১৩টি বাছাই করেছি, এরমধ্যে ১২টি বৈধ ঘোষণা করা হলো। একজনের মনোনয়নপত্র নিয়ে সিদ্ধান্ত অপেক্ষমান (পেন্ডিং)। আগামীকাল দুপুর ১২ টার মধ্যে ডকুমেন্ট দেওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মনিরা শারমিন যে কাগজপত্র দিয়েছেন, তাতে সরকারি পে স্কেলের কথা উল্লেখ রয়েছে। এ জন্য তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বলা হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছরের মধ্যে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বা এই পদে বহাল থাকার সুযোগ নেই। এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে অফিসার (জেনারেল) হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। বছরখানেক চাকরি করার পর গত বছরের (২০২৫ সাল) ডিসেম্বরে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন।
এনসিপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানান, চাকরি স্থায়ী হওয়ার আগেই মনিরা শারমিন কৃষি ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। ফলে তিন বছরের বাধ্যবাধকতার বিষয়টি মনিরা শারমিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ার কথা নয়। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মনিরা শারমিনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিএনপির ৩৬টি আসনের প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। সংরক্ষিত আসনের মনোনয়নের বিষয়ে ইসিতে আপিল দায়েরের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল।
জামায়াত জোটের যে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে, তারা হলেন— জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মারজিয়া বেগম, জামায়াতের ছাত্রী সংসঠন ইসলামী ছাত্রীসংস্থার সাবেক সভানেত্রী ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য সাবিকুন্নাহার মুন্নী, মহিলা জামায়াতের মিডিয়া ও প্রচার বিভাগীয় সেক্রেটারি নাজমুন নাহার নীলু, সিলেট মহানগর মহিলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাহফুজা হান্নান, বগুড়া অঞ্চল মহিলা জামায়াতের পরিচালক সাজেদা সামাদ, মহিলা জামায়াতের চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেক্রেটারি শামছুন্নাহার বেগম, নারী অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য মারদিয়া মমতাজ, ‘জুলাই শহিদ’ জাবির ইব্রাহীমের মা রোকেয়া বেগম, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব মাহমুদা আলম মিতু, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সভাপতি তাসমিয়া প্রধান ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাহবুবা হাকিম।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সাংবাদিকদের জানান, ‘আমাদের জোটের ১২টি মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে, এনসিপির মনিরা শারমিনের একটি মনোনয়নপত্রের বিষয়ে আগামীকাল ১২টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে কাগজপত্র উপস্থাপন করা হবে।’
এবার বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি ও স্বতন্ত্র জোট ১টি আসনে মনোনয়নপত্র দিয়েছে। এর বাইরে আরও তিনজন আলাদাভাবে মনোয়নপত্র জমা দেন। জামায়াতে ইসলামীর ও জোটের শরিকদের জন্য বরাদ্দ ১৩ আসনের মধ্যে জামায়াত আটজন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও জাগপা থেকে একজন করে মনোনয়ন পেয়েছেন। একটি আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে ‘জুলাই শহিদ’ জাবির ইব্রাহীমের মা রোকেয়া বেগমকে।

ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীকে একজন জনসম্পৃক্ত মানুষ হিসেবে দেখেছেন। তাদের সাক্ষাৎ একজন কূটনীতিক ও প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক বৈঠকের চেয়ে দুই জন জনপ্রতিনিধির সাক্ষাতের মতো ছিল। প্রথমবার দেখা হলেও তার মনে হয়নি যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এর আগে কখ
২ দিন আগে
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
২ দিন আগে
বিএনপির পক্ষ থেকে এ বিষয়টিকে ‘রহস্যজনক’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। আর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ক্ষমতাসীন বিএনপির সঙ্গে বিরোধী দল জামায়াতের যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন, তারই বহির্প্রকাশ হতে পারে এই প্রদর্শনী।
২ দিন আগে
রোববারের বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে ঘিরে ধরেছিলেন সাংবাদিকরা। তারা বৈঠকের আলোচ্য বিষয় নিয়ে জানতে চান মন্ত্রীর কাছে। তবে খলিলুর রহমান বৈঠকের আলোচনা নিয়ে কিছু বলেননি। তিনিও কেবল জানিয়েছেন, সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ভারতীয় হাইকমিশনার। ওই বৈঠকের পরই আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে ব
২ দিন আগে