
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে প্রথম দিন ফজর নামাজ পড়েই সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আমরা সুযোগ পেলে, মহান আল্লাহর ইচ্ছায় ও জনগণের ভালোবাসায় সরকার গঠন করলে প্রথম দিন ফজর নামাজ পড়েই আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন শুরু করব, ইনশাআল্লাহ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি তার দলের পরিকল্পনা ও ভিশন দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন।
জুলাইয়ের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই হয়েছিল একটা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের জন্য, একটা কালো রাজনৈতিক ধারার পরিবর্তনের জন্য। আমাদের তরুণরা এখন একটা নতুন দেশ দেখতে চায়, যাকে তারা গর্ব করে বলতে পারবে ‘বাংলাদেশ ২.০’। এই দেশ আমাদের সাহসী সন্তানদের হাতেই তুলে দিতে হবে, কারণ তারাই ভবিষ্যৎ রচনা করবে।
তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সাল থেকে জাতির ওপর এক শাসকগোষ্ঠী চেপে বসেছিল, যারা মানবাধিকার ও ভোটাধিকার ধ্বংস করেছে।
গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও আয়নাঘর বানিয়ে নিপীড়ন চালিয়েছে। সেই সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে আমরা ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চাই।
সংস্কার ও গণভোটের ঘোষণা
রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামোগত পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করে আমীরে জামায়াত বলেন, রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাত ও প্রতিষ্ঠানের সংস্কার এখন সময়ের দাবি। সংস্কার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে।
এই গণভোটে আমরা ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করার আহ্বান জানাই।
নির্বাচনী ইশতেহারের মূল বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে ৫টি বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ এবং ৫টি বিষয়ে ‘না’ বলতে হবে। সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানকে আমরা ‘হ্যাঁ’ বলছি। আর দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব ও চাঁদাবাজিকে স্পষ্ট করে ‘না’ বলছি।
শিক্ষা, বিচার বিভাগ ও অর্থনীতিতে ৩ বিশেষ গুরুত্ব
ডা. শফিকুর রহমান তার ভাষণে তিনটি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান:
শিক্ষা: নৈতিকতা ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হবে।
বিচার বিভাগ: বিচার বিভাগকে আমূল ঢেলে সাজিয়ে সৎ ও দক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হবে।
অর্থনীতি: ব্যাংকিং সেক্টরের সংস্কার ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা হবে।
নারী অধিকার ও ধর্মীয় সম্প্রীতি
নারীদের মর্যাদা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে নারীরা কেবল ঘরে নয়, সমাজের মূলধারার নেতৃত্বে থাকবেন। করপোরেট জগত থেকে রাজনীতি, সবখানে মেধার মূল্যায়ন হবে।
ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে তিনি বলেন, এই বাংলাদেশ সবার, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান। কেউ ভয়ের সংস্কৃতির মধ্যে বাস করবে না। ধর্মীয় পরিচয়ে কাউকে আঘাত করার চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে।
প্রবাসীদের জন্য সংসদীয় আসন
প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ আরও সহজ করা হবে। এ ছাড়া সংসদে আনুপাতিক হারে প্রবাসী প্রতিনিধি নির্বাচন বা মনোনয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে যাতে তারা সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা রাখতে পারেন।
দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট প্রার্থনা
বক্তব্যের শেষে ডা. শফিকুর রহমান আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থীদের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের তাদের নিজ নিজ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আকুল আবেদন জানান।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব কোনো উপভোগের বিষয় নয়, এটি একটি আমানত। আমরা যেন হযরত ওমরের (রা.) মতো দায়িত্বশীল হতে পারি, সেই তৌফিক চাই।

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে প্রথম দিন ফজর নামাজ পড়েই সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আমরা সুযোগ পেলে, মহান আল্লাহর ইচ্ছায় ও জনগণের ভালোবাসায় সরকার গঠন করলে প্রথম দিন ফজর নামাজ পড়েই আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন শুরু করব, ইনশাআল্লাহ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি তার দলের পরিকল্পনা ও ভিশন দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন।
জুলাইয়ের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই হয়েছিল একটা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের জন্য, একটা কালো রাজনৈতিক ধারার পরিবর্তনের জন্য। আমাদের তরুণরা এখন একটা নতুন দেশ দেখতে চায়, যাকে তারা গর্ব করে বলতে পারবে ‘বাংলাদেশ ২.০’। এই দেশ আমাদের সাহসী সন্তানদের হাতেই তুলে দিতে হবে, কারণ তারাই ভবিষ্যৎ রচনা করবে।
তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সাল থেকে জাতির ওপর এক শাসকগোষ্ঠী চেপে বসেছিল, যারা মানবাধিকার ও ভোটাধিকার ধ্বংস করেছে।
গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও আয়নাঘর বানিয়ে নিপীড়ন চালিয়েছে। সেই সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে আমরা ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চাই।
সংস্কার ও গণভোটের ঘোষণা
রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামোগত পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করে আমীরে জামায়াত বলেন, রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাত ও প্রতিষ্ঠানের সংস্কার এখন সময়ের দাবি। সংস্কার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে।
এই গণভোটে আমরা ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করার আহ্বান জানাই।
নির্বাচনী ইশতেহারের মূল বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে ৫টি বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ এবং ৫টি বিষয়ে ‘না’ বলতে হবে। সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানকে আমরা ‘হ্যাঁ’ বলছি। আর দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব ও চাঁদাবাজিকে স্পষ্ট করে ‘না’ বলছি।
শিক্ষা, বিচার বিভাগ ও অর্থনীতিতে ৩ বিশেষ গুরুত্ব
ডা. শফিকুর রহমান তার ভাষণে তিনটি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান:
শিক্ষা: নৈতিকতা ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হবে।
বিচার বিভাগ: বিচার বিভাগকে আমূল ঢেলে সাজিয়ে সৎ ও দক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হবে।
অর্থনীতি: ব্যাংকিং সেক্টরের সংস্কার ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা হবে।
নারী অধিকার ও ধর্মীয় সম্প্রীতি
নারীদের মর্যাদা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে নারীরা কেবল ঘরে নয়, সমাজের মূলধারার নেতৃত্বে থাকবেন। করপোরেট জগত থেকে রাজনীতি, সবখানে মেধার মূল্যায়ন হবে।
ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে তিনি বলেন, এই বাংলাদেশ সবার, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান। কেউ ভয়ের সংস্কৃতির মধ্যে বাস করবে না। ধর্মীয় পরিচয়ে কাউকে আঘাত করার চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে।
প্রবাসীদের জন্য সংসদীয় আসন
প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ আরও সহজ করা হবে। এ ছাড়া সংসদে আনুপাতিক হারে প্রবাসী প্রতিনিধি নির্বাচন বা মনোনয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে যাতে তারা সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা রাখতে পারেন।
দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট প্রার্থনা
বক্তব্যের শেষে ডা. শফিকুর রহমান আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থীদের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের তাদের নিজ নিজ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আকুল আবেদন জানান।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব কোনো উপভোগের বিষয় নয়, এটি একটি আমানত। আমরা যেন হযরত ওমরের (রা.) মতো দায়িত্বশীল হতে পারি, সেই তৌফিক চাই।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একটি দল ধর্মের নামে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ‘দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিলে নাকি বেহেশতে যাওয়া যাবে—নাউজুবিল্লাহ। একটা নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিলে কি কেউ বেহেশতে যেতে পারে?’দেশের প্রখ্যাত আলেমরাও এসব অপপ্রচারকে প্রত্যাখ্যান করেছে
১০ ঘণ্টা আগে
ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, নির্বাচন নিয়ে কিন্তু একটি মহল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। পত্রিকার পাতায় আমরা সেই খবর দেখেছি। বিভিন্নভাবে তাদের লোকজন মানুষকে গিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে মা-বোনদেরকে গিয়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, যেই প্রতিশ্র
১১ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা–১১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, ইলেকশন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে, ৪০০ মিটারের মধ্যে ফোন নিয়ে যেতে পারবে না। আজ (সোমবার) সন্ধ্যার মধ্যে এই বিধিবিধান পরিবর্তন না করলে আগামীকাল (মঙ্গলবার) নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করা হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে