
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, একটি মহল নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। পত্রিকার পাতায় আমরা সেই খবর দেখেছি। বিভিন্নভাবে তাদের লোকজন মানুষকে গিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে মা-বোনদেরকে গিয়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, যেই প্রতিশ্রুতিগুলো বায়বীয়।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডি কলাবাগান মাঠে ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ঢাকা-১০ আসনের বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবি।
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশ গঠনের নির্বাচন বলে আখ্যায়িত করে তারেক রহমান বলেন, এই নির্বাচন সেই নির্বাচন, যেই নির্বাচনের জন্য বিগত ১৬ বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ অপেক্ষা করেছে। এই নির্বাচনে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, ভোটের অধিকারের নির্বাচন।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিগত ১৬ বছর নির্বাচনের নামে আমরা তামাশা দেখেছি, আপনারা কেউ সেই নির্বাচনগুলোতে ভোট দিতে পেরেছেন? বাংলাদেশে কেউ ভোট দিতে সক্ষম হয়নি। আজ সেই নির্বাচনের সময় এসেছে, যে নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ ভোট দিতে পারবে।
তিনি বলেন, এই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ তার রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করবে। কিন্তু শুধু রাজনৈতিক অধিকার না, এই নির্বাচন হতে হবে দেশ গঠনের নির্বাচন। এই নির্বাচন হতে হবে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশে যে রাজনৈতিক দল আছে তার মধ্যে আপনারা চিন্তা করে দেখুন, বাংলাদেশের মধ্যে একমাত্র এই মুহূর্তে বিএনপি বাংলাদেশের একমাত্র দল, তারাই কিন্তু বাংলাদেশের নারীদের কীভাবে সফল করে গড়ে তুলতে চায়, কীভাবে তাদেরকে শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে চায়। সেই কর্মসূচি এবং পরিকল্পনা আছে শুধুমাত্র বিএনপির কাছেই।
তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছরে বহু মেগা প্রজেক্ট হয়েছে এবং মেগা প্রজেক্ট মানেই মেগা দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু মানুষের ভাগ্যে পরিবর্তন হয়নি। আমাদের গ্রামগঞ্জসহ সব জায়গায় হাসপাতালগুলোতে গেলে ওষুধ পাওয়া যায় না। ডাক্তার পাওয়া যায় না। স্কুল-কলেজগুলো ভেঙে পড়েছে। রাস্তাঘাট ভেঙে নষ্ট হয়ে গেছে। এরকম আরো অনেক সমস্যা আছে।

ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, একটি মহল নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। পত্রিকার পাতায় আমরা সেই খবর দেখেছি। বিভিন্নভাবে তাদের লোকজন মানুষকে গিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে মা-বোনদেরকে গিয়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, যেই প্রতিশ্রুতিগুলো বায়বীয়।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডি কলাবাগান মাঠে ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ঢাকা-১০ আসনের বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবি।
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশ গঠনের নির্বাচন বলে আখ্যায়িত করে তারেক রহমান বলেন, এই নির্বাচন সেই নির্বাচন, যেই নির্বাচনের জন্য বিগত ১৬ বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ অপেক্ষা করেছে। এই নির্বাচনে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, ভোটের অধিকারের নির্বাচন।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিগত ১৬ বছর নির্বাচনের নামে আমরা তামাশা দেখেছি, আপনারা কেউ সেই নির্বাচনগুলোতে ভোট দিতে পেরেছেন? বাংলাদেশে কেউ ভোট দিতে সক্ষম হয়নি। আজ সেই নির্বাচনের সময় এসেছে, যে নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ ভোট দিতে পারবে।
তিনি বলেন, এই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ তার রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করবে। কিন্তু শুধু রাজনৈতিক অধিকার না, এই নির্বাচন হতে হবে দেশ গঠনের নির্বাচন। এই নির্বাচন হতে হবে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশে যে রাজনৈতিক দল আছে তার মধ্যে আপনারা চিন্তা করে দেখুন, বাংলাদেশের মধ্যে একমাত্র এই মুহূর্তে বিএনপি বাংলাদেশের একমাত্র দল, তারাই কিন্তু বাংলাদেশের নারীদের কীভাবে সফল করে গড়ে তুলতে চায়, কীভাবে তাদেরকে শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে চায়। সেই কর্মসূচি এবং পরিকল্পনা আছে শুধুমাত্র বিএনপির কাছেই।
তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছরে বহু মেগা প্রজেক্ট হয়েছে এবং মেগা প্রজেক্ট মানেই মেগা দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু মানুষের ভাগ্যে পরিবর্তন হয়নি। আমাদের গ্রামগঞ্জসহ সব জায়গায় হাসপাতালগুলোতে গেলে ওষুধ পাওয়া যায় না। ডাক্তার পাওয়া যায় না। স্কুল-কলেজগুলো ভেঙে পড়েছে। রাস্তাঘাট ভেঙে নষ্ট হয়ে গেছে। এরকম আরো অনেক সমস্যা আছে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বনানীতে সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের কবর জিয়ারত শেষে এসব কথা বলেন এনসিপি আহ্বায়ক।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবারে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
২ দিন আগে
জামায়াত আমির বলেন, ‘৫ আগস্ট ২০২৪ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি অনেক কিছুই চেপে গেছেন। কথিত পলাতক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে উনি উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে যা বলেছিলেন এবং পরবর্তীতে জাতিকে যা জানিয়েছিলেন, তার বর্তমান বক্তব্যে তিনি তা স্বীকার করেননি। আর এখন যা বলছেন, সেদিন তার কিছুই তিনি বলেননি। কোটি-কোটি মানুষ যা শু
৩ দিন আগে
ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসা সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে জানান, আজকের ইফতার মাহফিলে জামায়াত আমিরের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তিনি যাত্রাও করেছিলেন। হঠাৎ যাত্রাপথে তিনি বমি করেন এবং শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে যান। যার কারণে তিনি প্রোগ্রামস্থলে আসতে পারেননি।
৩ দিন আগে