
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ‘গুপ্ত’ লেখা নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। এবার এই শব্দটি গিয়ে ঠেকেছে সংসদে। গতকালের ঘটনায় আজ বুধবার সংসদে ব্যাপক হইচই ও হট্টগোল করেন বিরোধীদলের নেতাকর্মীরা।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ সময় সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, আজকে বাংলাদেশ একটি শান্তির, উন্নয়নের, সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু অত্যন্ত দুর্ভাগ্য যে, আমাদের এই সংসদের বিরোধী দলের ভাইয়েরা সংসদের ভেতরে এবং বাইরে এই সরকারকে নাজেহাল করার জন্য যে চক্রান্ত চালাচ্ছে যে চক্রান্তের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে, এটা কোনোভাবেই একটি সুষ্ঠ বাংলাদেশে মেনে নেওয়া যায় না।
তিনি আরো বলেন, আমি বলতে চাই আজকে সংসদে আমাদের সম্মানিত বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা যে আচরণ দেখাচ্ছে, এতে মনে হচ্ছে, বাংলাদেশে আগামী দিনে সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি তারা করতে দেবে না। এটাই প্রতিয়মান হচ্ছে। বিরোধী দলকে আমি এটাও বলে দিতে চাই, আমাদের যারা ভোট দিয়েছে তারা আঙুল চুষবে না, বসে থাকবে না। তারা প্রতিবাদ করবে, আমাদের ভোটাররা তাকিয়ে থাকবে না। এ সময় জামায়াত জোটের সংসদ সদস্যরা হৈ চৈ করতে থাকেন।
বিরোধীদলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, বিরোধীদলকে আমি এটাও বলে দিতে চাই, আমাদের যারা ভোট দিয়েছে তারা আঙুল চুষবে না, বসে থাকবে না। তারা প্রতিবাদ করবে, আমাদের ভোটাররা তাকিয়ে থাকবে না। এ সময় জামায়াতের সংসদ সদস্যরা প্রতিবাদ করতে থাকেন।
বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে এই সংসদ সদস্য বলেন, ৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধকে তারা মেনে নিতে পারে নাই। যারা ৭১ সালের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারে না। তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন চাইতে পারে না। ৭১ সালের জন্ম হওয়া বাংলাদেশকে তারা মেনে নিতে পারে নাই বলে আজকে সদ্যজাত সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করছে।
স্পিকারকে সম্মোধন করে তিনি বলেন, আপনি শুনেছেন, চট্টগ্রামে গতকাল সিটি কলেজে ছাত্রদলের ওপর হামলা করেছে কারা? শিবির। কী অপরাধ ছিল ছাত্রদলের? ছাত্রদল শুধু বলেছে, গুপ্ত, ছাত্রদল লিখেছে গুপ্ত, সেই জন্যই তারা গুপ্ত শব্দকে উল্লেখ করে ছাত্রদলের ওপর হামলা করে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ওপর আঘাত করেছে। আজকে আমাদের বিরোধীদলের ভাইয়েরা ক্ষেপে উঠেছেন, এই সংসদে গণতান্ত্রিকভাবে কথা বলার অধিকার দিতে চায় না। চট্টগ্রামের ছাত্রদল কী কথা বলেছে, গুপ্ত বলেছে। এই সংসদে আমরা নির্বাচিত হয়ে আসছি কথা বলার জন্য। বিরোধীদলের ভাইয়েরা আজকে কণ্ঠ চিপে ধরতে চায় ফ্যাসিস্টের মতো। চট্টগ্রামের ছাত্রদল একটা শব্দ লিখেছিল গুপ্ত। এই গুপ্ত শব্দের সঙ্গে তো কোনোভাবেই সংশ্লিষ্টতা নেই।
এ সময় স্পিকার বলেন, রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন দলের বিভিন্ন মতাদর্শ থাকতে পারে, তাদের কথাবার্তার সবাই সবটাই পছন্দ হবে এমন কোনও বিষয় নয়। কিন্তু অনুগ্রহ করে শুনুন আমার কথাটি শুনুন। এখন আপনাদের একজন বক্তাকে আমি দিচ্ছি। উনি (বিরোধী দলীয় নেতা) যা যা বলেছে প্রয়োজন হলে তারা আপনারা জবাব দিতে পারবেন। বক্তব্যের মাধ্যমে জবাব দেন। একজন বক্তাকে বক্তব্যের সময় অনুগ্রহ করে ডিস্টার্ব করবেন না।
স্পিকার বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল বারী সর্দারকে কথা বলার জন্য আহ্বান জানালে বিরোধীদলীয় নেতা উঠে দাঁড়ান। তখন স্পিকার বিরোধী দলীয় নেতাকে বলেন, এই বক্তব্যের মাধ্যমেই জবাব দেবেন এটাই আমরা আশা করি। কাউকে ডিস্টার্ব করবেন না।
বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান দাঁড়িয়ে বলেন, প্রথমে আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এখানে যে অসংসদীয় ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে এটা এক্সপ্যাঞ্জ করা হোক। একজন সংসদ সদস্য সংসদের ভিতরে দাঁড়িয়ে যে হুমকির ভাষায় কথা বললেন, আমরা এতে আঘাত পেয়েছি এবং আমরা আমাদের ক্ষোভ প্রকাশ করছি। জনগণ বসে থাকবে না মানে কী? তিনি কি উসকাইয়া দিচ্ছেন জনগণকে? বিশৃঙ্খলার দিকে? এগুলা সংসদীয় আচরণ না।
এ সময় স্পিকার বলেন, আমরা পরীক্ষা করে দেখব, যদি কোনও অসংসদীয় কোনও ভাষা থাকে সেটা আমরা এক্সপঞ্জ করব, যদি থাকে। আর দ্বিতীয়ত, যেসব বক্তব্য এটা তো বাংলাদেশের রাজনীতির ভাষা। 'আমরা চুপ করে থাকব না'- এইগুলো তো শত বছর ধরে রাজনীতিবিদরা বলে এসেছেন। এগুলা আপনারা বক্তৃতা যখন দেবেন এর জবাব দেবেন, কিন্তু বক্তব্য রাখার সময় অনুগ্রহ করে ডিস্টার্ব করবেন না।

চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ‘গুপ্ত’ লেখা নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। এবার এই শব্দটি গিয়ে ঠেকেছে সংসদে। গতকালের ঘটনায় আজ বুধবার সংসদে ব্যাপক হইচই ও হট্টগোল করেন বিরোধীদলের নেতাকর্মীরা।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ সময় সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, আজকে বাংলাদেশ একটি শান্তির, উন্নয়নের, সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু অত্যন্ত দুর্ভাগ্য যে, আমাদের এই সংসদের বিরোধী দলের ভাইয়েরা সংসদের ভেতরে এবং বাইরে এই সরকারকে নাজেহাল করার জন্য যে চক্রান্ত চালাচ্ছে যে চক্রান্তের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে, এটা কোনোভাবেই একটি সুষ্ঠ বাংলাদেশে মেনে নেওয়া যায় না।
তিনি আরো বলেন, আমি বলতে চাই আজকে সংসদে আমাদের সম্মানিত বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা যে আচরণ দেখাচ্ছে, এতে মনে হচ্ছে, বাংলাদেশে আগামী দিনে সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি তারা করতে দেবে না। এটাই প্রতিয়মান হচ্ছে। বিরোধী দলকে আমি এটাও বলে দিতে চাই, আমাদের যারা ভোট দিয়েছে তারা আঙুল চুষবে না, বসে থাকবে না। তারা প্রতিবাদ করবে, আমাদের ভোটাররা তাকিয়ে থাকবে না। এ সময় জামায়াত জোটের সংসদ সদস্যরা হৈ চৈ করতে থাকেন।
বিরোধীদলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, বিরোধীদলকে আমি এটাও বলে দিতে চাই, আমাদের যারা ভোট দিয়েছে তারা আঙুল চুষবে না, বসে থাকবে না। তারা প্রতিবাদ করবে, আমাদের ভোটাররা তাকিয়ে থাকবে না। এ সময় জামায়াতের সংসদ সদস্যরা প্রতিবাদ করতে থাকেন।
বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে এই সংসদ সদস্য বলেন, ৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধকে তারা মেনে নিতে পারে নাই। যারা ৭১ সালের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারে না। তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন চাইতে পারে না। ৭১ সালের জন্ম হওয়া বাংলাদেশকে তারা মেনে নিতে পারে নাই বলে আজকে সদ্যজাত সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করছে।
স্পিকারকে সম্মোধন করে তিনি বলেন, আপনি শুনেছেন, চট্টগ্রামে গতকাল সিটি কলেজে ছাত্রদলের ওপর হামলা করেছে কারা? শিবির। কী অপরাধ ছিল ছাত্রদলের? ছাত্রদল শুধু বলেছে, গুপ্ত, ছাত্রদল লিখেছে গুপ্ত, সেই জন্যই তারা গুপ্ত শব্দকে উল্লেখ করে ছাত্রদলের ওপর হামলা করে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ওপর আঘাত করেছে। আজকে আমাদের বিরোধীদলের ভাইয়েরা ক্ষেপে উঠেছেন, এই সংসদে গণতান্ত্রিকভাবে কথা বলার অধিকার দিতে চায় না। চট্টগ্রামের ছাত্রদল কী কথা বলেছে, গুপ্ত বলেছে। এই সংসদে আমরা নির্বাচিত হয়ে আসছি কথা বলার জন্য। বিরোধীদলের ভাইয়েরা আজকে কণ্ঠ চিপে ধরতে চায় ফ্যাসিস্টের মতো। চট্টগ্রামের ছাত্রদল একটা শব্দ লিখেছিল গুপ্ত। এই গুপ্ত শব্দের সঙ্গে তো কোনোভাবেই সংশ্লিষ্টতা নেই।
এ সময় স্পিকার বলেন, রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন দলের বিভিন্ন মতাদর্শ থাকতে পারে, তাদের কথাবার্তার সবাই সবটাই পছন্দ হবে এমন কোনও বিষয় নয়। কিন্তু অনুগ্রহ করে শুনুন আমার কথাটি শুনুন। এখন আপনাদের একজন বক্তাকে আমি দিচ্ছি। উনি (বিরোধী দলীয় নেতা) যা যা বলেছে প্রয়োজন হলে তারা আপনারা জবাব দিতে পারবেন। বক্তব্যের মাধ্যমে জবাব দেন। একজন বক্তাকে বক্তব্যের সময় অনুগ্রহ করে ডিস্টার্ব করবেন না।
স্পিকার বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল বারী সর্দারকে কথা বলার জন্য আহ্বান জানালে বিরোধীদলীয় নেতা উঠে দাঁড়ান। তখন স্পিকার বিরোধী দলীয় নেতাকে বলেন, এই বক্তব্যের মাধ্যমেই জবাব দেবেন এটাই আমরা আশা করি। কাউকে ডিস্টার্ব করবেন না।
বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান দাঁড়িয়ে বলেন, প্রথমে আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এখানে যে অসংসদীয় ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে এটা এক্সপ্যাঞ্জ করা হোক। একজন সংসদ সদস্য সংসদের ভিতরে দাঁড়িয়ে যে হুমকির ভাষায় কথা বললেন, আমরা এতে আঘাত পেয়েছি এবং আমরা আমাদের ক্ষোভ প্রকাশ করছি। জনগণ বসে থাকবে না মানে কী? তিনি কি উসকাইয়া দিচ্ছেন জনগণকে? বিশৃঙ্খলার দিকে? এগুলা সংসদীয় আচরণ না।
এ সময় স্পিকার বলেন, আমরা পরীক্ষা করে দেখব, যদি কোনও অসংসদীয় কোনও ভাষা থাকে সেটা আমরা এক্সপঞ্জ করব, যদি থাকে। আর দ্বিতীয়ত, যেসব বক্তব্য এটা তো বাংলাদেশের রাজনীতির ভাষা। 'আমরা চুপ করে থাকব না'- এইগুলো তো শত বছর ধরে রাজনীতিবিদরা বলে এসেছেন। এগুলা আপনারা বক্তৃতা যখন দেবেন এর জবাব দেবেন, কিন্তু বক্তব্য রাখার সময় অনুগ্রহ করে ডিস্টার্ব করবেন না।

মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সুবর্ণা বলেন, ‘বিষয়টি পরিষ্কার করা দরকার, আমাকে এক সময় কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক করা হয়েছিল, কিন্তু এতে আমার সম্মতি ছিল না। আমাকে না জানিয়েই, তাদের ইচ্ছা মতো ওই তালিকায় আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।’
২ দিন আগে
জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাবিকুন নাহার মুন্নি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও মহিলা বিভাগের সদস্য মারদিয়া মমতাজ, মহিলা বিভাগের সদস্য নাজমুন নাহার নীলু।
২ দিন আগে
সোমবার (২০ এপ্রিল) ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ের ইসি কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য মনোনীতদের জন্য নমিনেশন পেপার সাবমিট করা হবে।’
২ দিন আগে
জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, 'জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করতে চাননি প্রধানমন্ত্রী, যখন জনগণের কাছ থেকে ডিমান্ড এসেছে। তখনই সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে।
২ দিন আগে