
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ফেব্রুয়ারির জন্য অপেক্ষা করার দরকার নেই। নির্বাচন যত দেরি হবে তত বিচার আর সংস্কার নিয়ে গোলমাল বাড়বে। তাই নতুন বছরের প্রথম মাসেই নির্বাচন হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক এহসান মাহমুদের একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।
নুর বলেন, ‘ড. ইউনূস তিনটি দল গঠন করে জামায়াত-এনসিপিকে ‘এ ক্যাটাগরি’ দিচ্ছেন, অথচ গণঅধিকার পরিষদকে ‘বি ও সি ক্যাটাগরি’তে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি একাধিকবার রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে, তাদের পরামর্শ সরকার নিতে পারে। কিন্তু জামায়াত-এনসিপিকে কীভাবে একই ক্যাটাগরি করে যাচ্ছে, এটাই সবচেয়ে বড় অন্যায়।’
তিনি বলেন, ‘যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রক্ত দিয়েছে, তারা বি-সি ক্যাটাগরিতে, আর জামায়াত-এনসিপিকে রাখা হচ্ছে এ ক্যাটাগরিতে। এটা অন্যায়, এটা প্রতারণা।’
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, ‘গত এক বছরেও বিচারের ক্ষেত্রে আমাদের কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি আমরা লক্ষ করিনি। পত্র-পত্রিকায় দেখেছি, একজন বিচারপতির আদালত থেকে চার ঘণ্টায় ৮০০ জামিন হয়েছে। বিচার বিভাগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না, এটা ঠিক, কিন্তু যৌক্তিক প্রশ্ন তো তোলা দরকার।’
তিনি বলেন, ‘এই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে যারা ফ্যাসিবাদের সহযোগী ছিল, ব্যবসায়ী শ্রেণির যারা লুটপাট করেছে, তাদেরও বিচার হওয়া উচিত। শুধু রাজপথে যারা আক্রমণ করেছে, তাদের বিচার হলে হবে না।’
নুর বলেন, ‘এই সরকার ছাত্রসমাজে ফাটল ধরিয়েছে, প্রতারণা করেছে। আমরা বিশ্বাস নিয়ে তার পাশে ছিলাম, কিন্তু তিনি আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। ছাত্ররা রক্ত দিয়ে এই পরিবর্তন এনেছে, অথচ তাদের পাশে দাঁড়ানো হয়নি।’
তিনি সরকারের প্রতি সব দলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বিচার বিভাগ, প্রশাসন, সামরিক বাহিনী—সব জায়গায় যারা ফ্যাসিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে, তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

ফেব্রুয়ারির জন্য অপেক্ষা করার দরকার নেই। নির্বাচন যত দেরি হবে তত বিচার আর সংস্কার নিয়ে গোলমাল বাড়বে। তাই নতুন বছরের প্রথম মাসেই নির্বাচন হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক এহসান মাহমুদের একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।
নুর বলেন, ‘ড. ইউনূস তিনটি দল গঠন করে জামায়াত-এনসিপিকে ‘এ ক্যাটাগরি’ দিচ্ছেন, অথচ গণঅধিকার পরিষদকে ‘বি ও সি ক্যাটাগরি’তে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি একাধিকবার রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে, তাদের পরামর্শ সরকার নিতে পারে। কিন্তু জামায়াত-এনসিপিকে কীভাবে একই ক্যাটাগরি করে যাচ্ছে, এটাই সবচেয়ে বড় অন্যায়।’
তিনি বলেন, ‘যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রক্ত দিয়েছে, তারা বি-সি ক্যাটাগরিতে, আর জামায়াত-এনসিপিকে রাখা হচ্ছে এ ক্যাটাগরিতে। এটা অন্যায়, এটা প্রতারণা।’
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, ‘গত এক বছরেও বিচারের ক্ষেত্রে আমাদের কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি আমরা লক্ষ করিনি। পত্র-পত্রিকায় দেখেছি, একজন বিচারপতির আদালত থেকে চার ঘণ্টায় ৮০০ জামিন হয়েছে। বিচার বিভাগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না, এটা ঠিক, কিন্তু যৌক্তিক প্রশ্ন তো তোলা দরকার।’
তিনি বলেন, ‘এই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে যারা ফ্যাসিবাদের সহযোগী ছিল, ব্যবসায়ী শ্রেণির যারা লুটপাট করেছে, তাদেরও বিচার হওয়া উচিত। শুধু রাজপথে যারা আক্রমণ করেছে, তাদের বিচার হলে হবে না।’
নুর বলেন, ‘এই সরকার ছাত্রসমাজে ফাটল ধরিয়েছে, প্রতারণা করেছে। আমরা বিশ্বাস নিয়ে তার পাশে ছিলাম, কিন্তু তিনি আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। ছাত্ররা রক্ত দিয়ে এই পরিবর্তন এনেছে, অথচ তাদের পাশে দাঁড়ানো হয়নি।’
তিনি সরকারের প্রতি সব দলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বিচার বিভাগ, প্রশাসন, সামরিক বাহিনী—সব জায়গায় যারা ফ্যাসিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে, তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে