
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসকে নির্বাচনী প্রচারণার সময় নাশকতা, হামলা ও ভাঙচুরের মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে তাদের আইনজীবীরা অভিযোগ অস্বীকার করে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন। অভিযোগের কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় বিচারক তাদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিচ্ছিন্ন মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন মির্জা আব্বাস ও আফরোজা আব্বাস। এ সময় পুলিশের সঙ্গে দলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ বাঁধে। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করে।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসকে নির্বাচনী প্রচারণার সময় নাশকতা, হামলা ও ভাঙচুরের মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে তাদের আইনজীবীরা অভিযোগ অস্বীকার করে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন। অভিযোগের কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় বিচারক তাদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিচ্ছিন্ন মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন মির্জা আব্বাস ও আফরোজা আব্বাস। এ সময় পুলিশের সঙ্গে দলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ বাঁধে। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করে।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে