
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যারা নিজেদের দলই সামলাতে পারে না, তারা দেশ চালাবে কীভাবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর একটি বড় দলের নেতা-কর্মীরা মামলা বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিতে জড়িয়ে সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ সরকারি আরসি কলেজ মাঠে এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘পাকিস্তানি শাসনামলের বৈষম্য থেকেই মুক্তিযুদ্ধের সূত্রপাত এবং সেই যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে। তবে স্বাধীনতার পর বারবার ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও সাধারণ মানুষের ভাগ্যের মৌলিক পরিবর্তন হয়নি।
এ সময় আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কে ‘শোষণ ও নৈরাজ্যের সময়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন জামায়াত আমির।
তিনি দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামী দেশের সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত রাজনৈতিক দল। বিচারিক হত্যাকাণ্ডসহ নানা ধরনের নিপীড়নের শিকার হলেও দলটি জনগণের পক্ষে কথা বলা বন্ধ করেনি।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের পর জামায়াত কোনো নির্দোষ মানুষকে হয়রানি করেনি।’
দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে দুর্নীতির মূলোৎপাটন এবং পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার করা হবে-আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জের মতো অবহেলিত জনপদের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’
নারীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মায়েদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।’
আইডি হ্যাকের বিষয়ে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘সত্য কখনো চাপা থাকে না।’
চাঁদাবাজি ও সহিংসতানির্ভর রাজনীতি দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘এতদিন দলের পাহারা দিয়েছি, জনগণ সুযোগ দিলে এবার দেশের পাহারা দেব।’
জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
জনসভা শেষে বিভিন্ন আসনের প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেওয়া হয়।

যারা নিজেদের দলই সামলাতে পারে না, তারা দেশ চালাবে কীভাবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর একটি বড় দলের নেতা-কর্মীরা মামলা বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিতে জড়িয়ে সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ সরকারি আরসি কলেজ মাঠে এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘পাকিস্তানি শাসনামলের বৈষম্য থেকেই মুক্তিযুদ্ধের সূত্রপাত এবং সেই যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে। তবে স্বাধীনতার পর বারবার ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও সাধারণ মানুষের ভাগ্যের মৌলিক পরিবর্তন হয়নি।
এ সময় আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কে ‘শোষণ ও নৈরাজ্যের সময়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন জামায়াত আমির।
তিনি দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামী দেশের সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত রাজনৈতিক দল। বিচারিক হত্যাকাণ্ডসহ নানা ধরনের নিপীড়নের শিকার হলেও দলটি জনগণের পক্ষে কথা বলা বন্ধ করেনি।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের পর জামায়াত কোনো নির্দোষ মানুষকে হয়রানি করেনি।’
দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে দুর্নীতির মূলোৎপাটন এবং পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার করা হবে-আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জের মতো অবহেলিত জনপদের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’
নারীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মায়েদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।’
আইডি হ্যাকের বিষয়ে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘সত্য কখনো চাপা থাকে না।’
চাঁদাবাজি ও সহিংসতানির্ভর রাজনীতি দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘এতদিন দলের পাহারা দিয়েছি, জনগণ সুযোগ দিলে এবার দেশের পাহারা দেব।’
জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
জনসভা শেষে বিভিন্ন আসনের প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেওয়া হয়।

জামায়াত আমির বলেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের কারসাজিতে কৃত্রিমভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি তৈরি করা হচ্ছে।, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর।
১৪ ঘণ্টা আগে
পরিবারের সদস্যদের আগ্রহ ঈদের আগে মির্জা আব্বাসকে দেশে নিয়ে আসা। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দেশে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
১ দিন আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ২০৩৬ সালের মধ্যে জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী সরকারি দল হওয়ার স্বপ্ন দেখে বলে জানিয়েছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই জোটের আশায় বসে না থেকে এককভাবে দেশব্যাপী দলীয় সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
এই দুজনের প্রার্থিতা ঘিরে দুজনের দলের মধ্যেও চলছে নানা আলোচনা। আলোচনা চলছে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও। এনসিপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে অনলাইন-অফলাইনে কথার লড়াইও থেমে নেই। ফলে দুজনের প্রার্থিতা জোটবদ্ধ হয়ে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর সংসদের জোটবদ্ধ থাকা জামায়াত ও এনসিপির সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব
২ দিন আগে