
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতৃবৃন্দ। একই সঙ্গে সংগ্রহশালা থেকে অবিলম্বে ছবিটি সরিয়ে ফেলার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি লাকী আক্তারের স্বাক্ষর করা এক বিবৃতিতে সাবেক ছাত্রনেতারা বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে একটি চিহ্নিত গোষ্ঠী বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও গৌরবের ইতিহাসকে বিকৃত ও প্রতিস্থাপনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাদের দাবি, মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত জামায়াত-শিবির ও তাদের সহযোগীরাই ইতিহাস পুনঃস্থাপনের এমন দুঃসাহস দেখাচ্ছে। এর পেছনে শক্তি জুগিয়েছে বিগত ইউনূস সরকার বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, জিন্নাহকে যারা স্মরণ করে, তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি। এই চিহ্নিত শক্তির বিরুদ্ধে অবিলম্বে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।
সাবেক ছাত্রনেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এখনই শক্ত হাতে তাদের প্রতিহত করা না হলে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধকে ধ্বংস করতে তারা আরও মরিয়া হয়ে উঠবে। তাদের ভাষায়, ‘এখনই সময় তাদের রুখে দেওয়ার।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সব সংগ্রামী শিক্ষার্থীর প্রতি এই ‘হীন চক্রান্ত’ প্রতিহত করার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রুহিন হোসেন প্রিন্স, আসলাম খান, হাসান হাফিজুর রহমান সোহেল, হাসান তারিক চৌধুরী সোহেল, শরিফুজ্জামান শরীফ, লুনা নূর, সামছুল আলম সজ্জন, খান আসাদুজ্জামান মাসুম, মানবেন্দ্র দেব, ফেরদৌস আহমেদ উজ্জল, এস এম শুভ, হাসান তারেক, লাকী আক্তার, জিএম ডিলানী শুভ, মেহেদী হাসান নোবেল, ফয়েজউল্লাহ ও দীপক শীল প্রমুখ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতৃবৃন্দ। একই সঙ্গে সংগ্রহশালা থেকে অবিলম্বে ছবিটি সরিয়ে ফেলার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি লাকী আক্তারের স্বাক্ষর করা এক বিবৃতিতে সাবেক ছাত্রনেতারা বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে একটি চিহ্নিত গোষ্ঠী বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও গৌরবের ইতিহাসকে বিকৃত ও প্রতিস্থাপনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাদের দাবি, মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত জামায়াত-শিবির ও তাদের সহযোগীরাই ইতিহাস পুনঃস্থাপনের এমন দুঃসাহস দেখাচ্ছে। এর পেছনে শক্তি জুগিয়েছে বিগত ইউনূস সরকার বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, জিন্নাহকে যারা স্মরণ করে, তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি। এই চিহ্নিত শক্তির বিরুদ্ধে অবিলম্বে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।
সাবেক ছাত্রনেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এখনই শক্ত হাতে তাদের প্রতিহত করা না হলে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধকে ধ্বংস করতে তারা আরও মরিয়া হয়ে উঠবে। তাদের ভাষায়, ‘এখনই সময় তাদের রুখে দেওয়ার।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সব সংগ্রামী শিক্ষার্থীর প্রতি এই ‘হীন চক্রান্ত’ প্রতিহত করার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রুহিন হোসেন প্রিন্স, আসলাম খান, হাসান হাফিজুর রহমান সোহেল, হাসান তারিক চৌধুরী সোহেল, শরিফুজ্জামান শরীফ, লুনা নূর, সামছুল আলম সজ্জন, খান আসাদুজ্জামান মাসুম, মানবেন্দ্র দেব, ফেরদৌস আহমেদ উজ্জল, এস এম শুভ, হাসান তারেক, লাকী আক্তার, জিএম ডিলানী শুভ, মেহেদী হাসান নোবেল, ফয়েজউল্লাহ ও দীপক শীল প্রমুখ।

সম্প্রতি এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ‘ছাগলকাণ্ড’ থেকে শুরু করে প্রায় ৮০ বছর আগে মহাত্মা গান্ধীর ছাগল চুরির ঘটনা— রাজনৈতিক ইতিহাসের নানা অধ্যায়েই জড়িয়ে আছে ‘ছাগল’।
১ দিন আগে
সভায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর পক্ষ থেকে হেফাজত নেতারা ও ইসলামি ফিকাহ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল-২০২৬ সংশোধনের দাবি তুলে ধরা হবে।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।
২ দিন আগে
এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও রাজনৈতিক সমীকরণে চেনা রাজনীতির একঝাঁক অভিজ্ঞ ও পরিচিত মুখ বলতে গেলে দৃশ্যপটের বাইরে চলে গেছেন। নির্বাচনে পরাজিত হওয়া কিংবা রাজনৈতিক কৌশলে পিছিয়ে পড়ার পর তারা কেবল ভোটের মাঠ থেকেই ছিটকে যাননি, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে নিজ নিজ দলের অভ্যন্ত
২ দিন আগে