
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, নির্বাচনী প্রস্তুতি হিসেবে প্রার্থী ঘোষণা শুরু করলেও ভোটে জেতাই নির্বাচনের মূল লক্ষ্য নয়। আমরা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেছি না, এটা খুবই পরিষ্কার। সিট কয়টা পাব কি পাব না, সেটা বিবেচনায় রেখেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেছি না। সিট নিশ্চিত করতে হলে আমরা কোনো না কোনো জোটের সঙ্গে চলে যাইতাম।’
বুধবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে দলে অস্থায়ী কার্যালয়ে নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এর ঠিক আগেই ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে প্রথম ধাপে ১২৫ আসনে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে এনসিপি।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে এখনো পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন জায়গায় দেখছি যে আমাদের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে এবং নির্বাচনী বিধিবিধান লঙ্ঘন করেই নির্বাচনী প্রচারণার কাজ পোস্টারিং বা টাকা খরচের যে বিষয়গুলো, এগুলো কিন্তু আসতেছে। আমরা নির্বাচন কমিশনে বলে আসছি যে প্রার্থীদের যেই খরচের হিসাব, সেটা যাতে যথাযথভাবে নির্বাচন কমিশন যাচাই-বাছাই করে আদায় করে নেয়। আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গায় অস্ত্রের মহড়া হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত উভয় দল থেকে আমরা এই ধরনের সংস্কৃতি দেখছি।’
বিভিন্ন দলের মনোনয়ন প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে নাহিদ বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় মাফিয়াদের নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। ঋণ খেলাপিকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে কি না, এর ওপর নির্ভর করবে কমিশন কতটা সুষ্ঠু প্রক্রিয়ায় কাজ করছে।’
বিপরীতে নিজেদের প্রার্থী তালিকা নিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম যে আমাদের এই যে মনোনয়ন তালিকাটা হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক…সেখানে নারী-পুরুষ, সংখ্যালঘু, সংখ্যাগুরু, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সবকিছুর সমন্বয় আমরা করবো।’
আগামী নির্বাচনের তাৎপর্য তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এবারের নির্বাচনটা গণভোট, এটা যাতে আমরা কেউ ভুলে না যাই। বলা হচ্ছে, প্রার্থী দেখে ভোট দেবেন, নাকি মার্কা দেখে ভোট দেবেন। কিন্তু ভোটটা যে গণভোট, ভোটের অন্যতম প্রধান প্রশ্ন হচ্ছে হ্যাঁ অথবা না, এই কথাটাই বলার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেছি। আপনারা অনেকে জিজ্ঞেস করেন যে আমরা কয়টা সিট পাবো বা আমরা কয়টা সিট প্রত্যাশা করি। আমরা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেছি না, এটা খুবই পরিষ্কার। সিট কয়টা পাব কি পাব না, সেটা বিবেচনায় রেখেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেছি না। সিট নিশ্চিত করতে হলে আমরা কোনো না কোনো জোটের সঙ্গে চলে যাইতাম।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, নির্বাচনী প্রস্তুতি হিসেবে প্রার্থী ঘোষণা শুরু করলেও ভোটে জেতাই নির্বাচনের মূল লক্ষ্য নয়। আমরা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেছি না, এটা খুবই পরিষ্কার। সিট কয়টা পাব কি পাব না, সেটা বিবেচনায় রেখেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেছি না। সিট নিশ্চিত করতে হলে আমরা কোনো না কোনো জোটের সঙ্গে চলে যাইতাম।’
বুধবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে দলে অস্থায়ী কার্যালয়ে নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এর ঠিক আগেই ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে প্রথম ধাপে ১২৫ আসনে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে এনসিপি।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে এখনো পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন জায়গায় দেখছি যে আমাদের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে এবং নির্বাচনী বিধিবিধান লঙ্ঘন করেই নির্বাচনী প্রচারণার কাজ পোস্টারিং বা টাকা খরচের যে বিষয়গুলো, এগুলো কিন্তু আসতেছে। আমরা নির্বাচন কমিশনে বলে আসছি যে প্রার্থীদের যেই খরচের হিসাব, সেটা যাতে যথাযথভাবে নির্বাচন কমিশন যাচাই-বাছাই করে আদায় করে নেয়। আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গায় অস্ত্রের মহড়া হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত উভয় দল থেকে আমরা এই ধরনের সংস্কৃতি দেখছি।’
বিভিন্ন দলের মনোনয়ন প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে নাহিদ বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় মাফিয়াদের নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। ঋণ খেলাপিকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে কি না, এর ওপর নির্ভর করবে কমিশন কতটা সুষ্ঠু প্রক্রিয়ায় কাজ করছে।’
বিপরীতে নিজেদের প্রার্থী তালিকা নিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম যে আমাদের এই যে মনোনয়ন তালিকাটা হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক…সেখানে নারী-পুরুষ, সংখ্যালঘু, সংখ্যাগুরু, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সবকিছুর সমন্বয় আমরা করবো।’
আগামী নির্বাচনের তাৎপর্য তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এবারের নির্বাচনটা গণভোট, এটা যাতে আমরা কেউ ভুলে না যাই। বলা হচ্ছে, প্রার্থী দেখে ভোট দেবেন, নাকি মার্কা দেখে ভোট দেবেন। কিন্তু ভোটটা যে গণভোট, ভোটের অন্যতম প্রধান প্রশ্ন হচ্ছে হ্যাঁ অথবা না, এই কথাটাই বলার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেছি। আপনারা অনেকে জিজ্ঞেস করেন যে আমরা কয়টা সিট পাবো বা আমরা কয়টা সিট প্রত্যাশা করি। আমরা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেছি না, এটা খুবই পরিষ্কার। সিট কয়টা পাব কি পাব না, সেটা বিবেচনায় রেখেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেছি না। সিট নিশ্চিত করতে হলে আমরা কোনো না কোনো জোটের সঙ্গে চলে যাইতাম।’

দেশের ২৯৯টি আসনে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আজ টানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
২ ঘণ্টা আগে
মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের যে যাত্রা আজ শুরু হলো, আমরা আশা করি আগামী দিনে এই পথ মসৃণ হবে। মানুষের জীবন, রাজনীতি ও অর্থনীতি সুন্দরের দিকে এগিয়ে যাবে এটাই আমাদের লক্ষ্য।
২ ঘণ্টা আগে
এই নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ ৫০টি রাজনৈতিক দলের দুই হাজারেরও বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটারের এই বিশাল ম্যান্ডেট রক্ষায় সারাদেশে মোতায়েন রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ১০ লাখ সদস্য।
৩ ঘণ্টা আগে
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিজয়ের আকাঙ্ক্ষা সবারই থাকে। কিন্তু সে আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য অনৈতিক ও বেআইনি পথ গ্রহণ করা কাঙ্ক্ষিত ছিল না। দুর্ভাগ্য আমাদের, আজ সারা দিন যেসব তথ্য-উপাত্ত আমরা পেয়েছি, তাতে আমরা খুবই মর্মাহত। প্রায় ১২৭টি বিষয় আমাদের সামনে এসেছে। এর বাইরে আরও আছে, সবগুলো আমরা দেখতেও পারিনি। এগুল
১১ ঘণ্টা আগে