
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জনগণের ম্যান্ডেট পেয়ে সরকার গঠন করলে শুধু দল থেকে নয়, বাংলাদেশের মানুষ থেকে মন্ত্রী বানানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত দলটির পলিসি সামিটের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হওয়ার লোক আছে। সুতরাং সব বাংলাদেশিকে নিয়ে যদি আমরা কনসিডার করি, তাহলে কি লোকের অভাব হবে? আমাদের পূর্ণ প্রস্তুতি আছে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে শুধু দল থেকে মন্ত্রী বানাবে বিষয়টা এমন নয়, আমরা বাংলাদেশের মানুষ থেকে মন্ত্রী বানাব। বাংলাদেশে তো অর্থমন্ত্রী হওয়ার মতো লোক আছে।
ডা. তাহের বলেন, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ কীভাবে আমরা গড়ে তুলব, ফরেন পলিসি কী হবে, আমাদের মাইক্রো এবং ম্যাক্রো ইকোনমিকসের মূল প্রজেক্টগুলো কী হবে, সেগুলো উপস্থাপন করছি। পাশাপাশি এ দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা, বিশেষ করে নারীদের নিরাপত্তার ব্যাপারে আজকে যে ক্রাইসিস আছে, এটাকে আমরা কীভাবে ওভারকাম করব, বিদেশি বিনিয়োগ কীভাবে এখানে বেশি করে নিয়ে আসব এবং দেশ বিদেশে যে এমপ্লয়মেন্ট আছে, বিদেশের কর্মসংস্থানের যে ইস্যুটা আছে, এসব বিষয়ে আজকে নানা ব্যাপারে আমরা এটাকে তুলে ধরার জন্য চেষ্টা করছি।
অনলাইনে নির্বাচনে প্রচারণার বিষয়ে জামায়াতের এই নেতা বলেন, অনলাইন তো একটা নতুন কৌশল, যেটা এর আগে ছিল না। সুতরাং অনলাইনে বিলবোর্ড যেটা আরপিএ যতটুকু এলাও করে, আমরা অতটুকু মেনেই ভোটারদের কাছে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করব। তবে আমাদের মেইন টার্গেট হচ্ছে ওয়ান টু ওয়ান কন্ট্রাক্টে যাব। এ জন্য আমাদের লোকেরা ঘরে ঘরে যাচ্ছে এবং প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছার জন্য চেষ্টা করছি।

জনগণের ম্যান্ডেট পেয়ে সরকার গঠন করলে শুধু দল থেকে নয়, বাংলাদেশের মানুষ থেকে মন্ত্রী বানানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত দলটির পলিসি সামিটের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হওয়ার লোক আছে। সুতরাং সব বাংলাদেশিকে নিয়ে যদি আমরা কনসিডার করি, তাহলে কি লোকের অভাব হবে? আমাদের পূর্ণ প্রস্তুতি আছে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে শুধু দল থেকে মন্ত্রী বানাবে বিষয়টা এমন নয়, আমরা বাংলাদেশের মানুষ থেকে মন্ত্রী বানাব। বাংলাদেশে তো অর্থমন্ত্রী হওয়ার মতো লোক আছে।
ডা. তাহের বলেন, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ কীভাবে আমরা গড়ে তুলব, ফরেন পলিসি কী হবে, আমাদের মাইক্রো এবং ম্যাক্রো ইকোনমিকসের মূল প্রজেক্টগুলো কী হবে, সেগুলো উপস্থাপন করছি। পাশাপাশি এ দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা, বিশেষ করে নারীদের নিরাপত্তার ব্যাপারে আজকে যে ক্রাইসিস আছে, এটাকে আমরা কীভাবে ওভারকাম করব, বিদেশি বিনিয়োগ কীভাবে এখানে বেশি করে নিয়ে আসব এবং দেশ বিদেশে যে এমপ্লয়মেন্ট আছে, বিদেশের কর্মসংস্থানের যে ইস্যুটা আছে, এসব বিষয়ে আজকে নানা ব্যাপারে আমরা এটাকে তুলে ধরার জন্য চেষ্টা করছি।
অনলাইনে নির্বাচনে প্রচারণার বিষয়ে জামায়াতের এই নেতা বলেন, অনলাইন তো একটা নতুন কৌশল, যেটা এর আগে ছিল না। সুতরাং অনলাইনে বিলবোর্ড যেটা আরপিএ যতটুকু এলাও করে, আমরা অতটুকু মেনেই ভোটারদের কাছে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করব। তবে আমাদের মেইন টার্গেট হচ্ছে ওয়ান টু ওয়ান কন্ট্রাক্টে যাব। এ জন্য আমাদের লোকেরা ঘরে ঘরে যাচ্ছে এবং প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছার জন্য চেষ্টা করছি।

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে