
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রত্যেক পরিবারকে যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, তার সুফল নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকার মিরপুরে জামায়াতের নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেন নাহিদ। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনছি বিভিন্ন কার্ড দেওয়া হবে। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। আমরা চাই কার্ড দেওয়া হোক, জনগণ সুবিধা পাক। কিন্তু এই কার্ড জনগণ পর্যন্ত পৌঁছাবে তো?’
‘২০০০ টাকার কার্ড নিতে ১০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগবে না তো? তাহলে ঘুষ-চাঁদাবাজি, সেটা যদি আমরা নির্মূল না করতে পারি— এই সকল সুযোগ সুবিধা কি জনগণের কাছে পর্যন্ত পৌঁছাবে?’— বলেন এনসিপির এই নেতা।
তিনি আরও বলেন, ‘একদিকে বলা হচ্ছে কার্ড দেবে, আরেকদিকে ঋণ খেলাপিদেরকে সংসদে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করা হচ্ছে, আদালতের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। ফলে এ কেমন দ্বিচারিতা; যদি প্রকৃতপক্ষেই জনগণকে সুবিধা দেওয়ার নিয়ত থাকে, তাহলে কেউ ঋণ খেলাপিকে নমিনেশন দিতে পারে না।’
‘যারা ঋণ পরিশোধ করে নাই, তারা সংসদে গেলে আপনার মনে হয় তারা আর ঋণ পরিশোধ করবে? এরা আবারও ঋণ নেবে, এরা আবারও টাকা লুট করবে, এরা আবারও টাকা পাচার করবে বিদেশে’— যোগ করেন নাহিদ ইসলাম।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তো এই বাংলাদেশ চাই নাই। আমরা তো সেই লুটেরাদের বিরুদ্ধেই গণঅভ্যুত্থান করেছি। ফলে নতুন কোনো লুটেরাদের আমরা ক্ষমতায় যেতে দেব না, বাংলাদেশের জনগণ তাদেরকে ক্ষমতায় যেতে দেবে না।’

বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রত্যেক পরিবারকে যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, তার সুফল নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকার মিরপুরে জামায়াতের নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেন নাহিদ। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনছি বিভিন্ন কার্ড দেওয়া হবে। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। আমরা চাই কার্ড দেওয়া হোক, জনগণ সুবিধা পাক। কিন্তু এই কার্ড জনগণ পর্যন্ত পৌঁছাবে তো?’
‘২০০০ টাকার কার্ড নিতে ১০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগবে না তো? তাহলে ঘুষ-চাঁদাবাজি, সেটা যদি আমরা নির্মূল না করতে পারি— এই সকল সুযোগ সুবিধা কি জনগণের কাছে পর্যন্ত পৌঁছাবে?’— বলেন এনসিপির এই নেতা।
তিনি আরও বলেন, ‘একদিকে বলা হচ্ছে কার্ড দেবে, আরেকদিকে ঋণ খেলাপিদেরকে সংসদে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করা হচ্ছে, আদালতের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। ফলে এ কেমন দ্বিচারিতা; যদি প্রকৃতপক্ষেই জনগণকে সুবিধা দেওয়ার নিয়ত থাকে, তাহলে কেউ ঋণ খেলাপিকে নমিনেশন দিতে পারে না।’
‘যারা ঋণ পরিশোধ করে নাই, তারা সংসদে গেলে আপনার মনে হয় তারা আর ঋণ পরিশোধ করবে? এরা আবারও ঋণ নেবে, এরা আবারও টাকা লুট করবে, এরা আবারও টাকা পাচার করবে বিদেশে’— যোগ করেন নাহিদ ইসলাম।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তো এই বাংলাদেশ চাই নাই। আমরা তো সেই লুটেরাদের বিরুদ্ধেই গণঅভ্যুত্থান করেছি। ফলে নতুন কোনো লুটেরাদের আমরা ক্ষমতায় যেতে দেব না, বাংলাদেশের জনগণ তাদেরকে ক্ষমতায় যেতে দেবে না।’

স্পিকারের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, আপনি একজন গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর বিক্রম। আমিও ক্ষুদ্র একটি শহীদ পরিবারের সন্তান। মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছিলেন, আমাদের পরিবারের কয়েকজনের রক্ত দিয়ে তাদের সঙ্গে শরিক হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে।
২ দিন আগে
সমাবেশে সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, "খসড়া এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড নিয়ে কাজ করার সময় তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অত্যন্ত গোপনে ও দ্রুততার সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষরে অতি-তৎপর ছিলেন। এমনকি নথিপত্র আদান-প্রদানের অভিযোগে একজন নিরীহ সরকারি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত ও হয়রা
৩ দিন আগে
দলটির সিদ্ধান্ত— ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে মেয়র প্রার্থী দলের মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, উত্তরে সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব।
৪ দিন আগে
রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টা ৫২ মিনিটে এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে আসিফ মাহমুদের ছবিসহ একটি পোস্টার শেয়ার করা হয়েছে। এতে লেখা হয়েছে— ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এনসিপি মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী’।
৪ দিন আগে