
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জামায়াতে ইসলামীকে পুরোপুরি রাজনৈতিকভাবে নির্মূলের হুমকি দিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেওয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি নিন্দা জানিয়ে বলেন, বিএনপি মহাসচিব বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে পুরোপুরি রাজনৈতিভাবে নির্মূল করার হুমকি দিয়ে যে অসাংবিধানিক, অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অশোভন বক্তব্য দিয়েছেন। এই বক্তব্য গণতন্ত্রের ভাষা নয়। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত বক্তব্য দিয়ে তিনি পতিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদীদের ভাষায় কথা বলেছেন, যা মোটেই সমীচীন নয় এবং অত্যন্ত দুঃখজনকও বটে। তার মতো দায়িত্বশীল নেতার নিকট থেকে দেশবাসী এ ধরনের রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত বক্তব্য আশা করে না। তার এই বক্তব্য অতীতের মতো দেশকে সহিংসতা ও উস্কানিমূলক নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দেবার ইঙ্গিত বহন করে। আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, যেই মুহূর্তে দশের ১৮ কোটি মানুষ এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসকদের দেশ থেকে বিতাড়িত করে দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে জাতীয় সংসদের বিরোধীদল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে পুরোপুরি রাজনৈতিভাবে নির্মূলের হুমকি দিয়ে বিএনপি মহাসচিব একদলীয় আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সূরে কথা বলেছেন। তার এ বক্তব্যেই প্রমাণিত হচ্ছে যে, তারা জাতীয় সংসদের বিরোধীদলকে পুরোপুরি রাজনৈতিকভাবে নির্মূল করে এ দেশে আবার একদলীয় কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েমের ষড়যন্ত্র করছেন।
বিবৃতিতে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সচেতন দেশবাসী মনে করে কোনো দল বা ব্যক্তি যখন আদর্শ, যুক্তি ও নৈতিকতা দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়, কেবল তখনই এ ধরনের সন্ত্রাস ও সহিংসতার মত উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বেরই পরিচয় দেয়।
তিনি বলেন, বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের জবাবে আমি স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই, অতীতের আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তি সাড়ে ১৭ বছর অন্যায়ভাবে অগণতান্ত্রিক ও সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নির্মূল করতে পারেনি। সুতরাং আমি আশা করি যে, এ ধরনের অপরিণামদর্শী বক্তব্য থেকে বিএনপি মহাসচিব বিরত থেকে গণতান্ত্রিক পরিবেশকে সমুন্নত রাখবেন। অতীতে জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিভাবে নির্মূল করতে গিয়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদীরাই প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। অনুরূপভাবে কেউ বা কোন দল জামায়াতে ইসলামীকে নির্মূল করার ষড়যন্ত্র করলে এ দেশের জনগণ তাদেরও একইভাবে প্রত্যাখ্যান করবে। কাজেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নির্মূল করার হুমকি দিয়ে, ভয় দেখিয়ে কাবু করা যাবে না। এ ধরনের অগণতান্ত্রিক ও উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে না দিয়ে নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক ভাষায় কথা বলার জন্য বিএনপি মহাসচিবের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

জামায়াতে ইসলামীকে পুরোপুরি রাজনৈতিকভাবে নির্মূলের হুমকি দিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেওয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি নিন্দা জানিয়ে বলেন, বিএনপি মহাসচিব বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে পুরোপুরি রাজনৈতিভাবে নির্মূল করার হুমকি দিয়ে যে অসাংবিধানিক, অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অশোভন বক্তব্য দিয়েছেন। এই বক্তব্য গণতন্ত্রের ভাষা নয়। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত বক্তব্য দিয়ে তিনি পতিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদীদের ভাষায় কথা বলেছেন, যা মোটেই সমীচীন নয় এবং অত্যন্ত দুঃখজনকও বটে। তার মতো দায়িত্বশীল নেতার নিকট থেকে দেশবাসী এ ধরনের রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত বক্তব্য আশা করে না। তার এই বক্তব্য অতীতের মতো দেশকে সহিংসতা ও উস্কানিমূলক নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দেবার ইঙ্গিত বহন করে। আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, যেই মুহূর্তে দশের ১৮ কোটি মানুষ এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসকদের দেশ থেকে বিতাড়িত করে দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে জাতীয় সংসদের বিরোধীদল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে পুরোপুরি রাজনৈতিভাবে নির্মূলের হুমকি দিয়ে বিএনপি মহাসচিব একদলীয় আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সূরে কথা বলেছেন। তার এ বক্তব্যেই প্রমাণিত হচ্ছে যে, তারা জাতীয় সংসদের বিরোধীদলকে পুরোপুরি রাজনৈতিকভাবে নির্মূল করে এ দেশে আবার একদলীয় কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েমের ষড়যন্ত্র করছেন।
বিবৃতিতে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সচেতন দেশবাসী মনে করে কোনো দল বা ব্যক্তি যখন আদর্শ, যুক্তি ও নৈতিকতা দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়, কেবল তখনই এ ধরনের সন্ত্রাস ও সহিংসতার মত উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বেরই পরিচয় দেয়।
তিনি বলেন, বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের জবাবে আমি স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই, অতীতের আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তি সাড়ে ১৭ বছর অন্যায়ভাবে অগণতান্ত্রিক ও সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নির্মূল করতে পারেনি। সুতরাং আমি আশা করি যে, এ ধরনের অপরিণামদর্শী বক্তব্য থেকে বিএনপি মহাসচিব বিরত থেকে গণতান্ত্রিক পরিবেশকে সমুন্নত রাখবেন। অতীতে জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিভাবে নির্মূল করতে গিয়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদীরাই প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। অনুরূপভাবে কেউ বা কোন দল জামায়াতে ইসলামীকে নির্মূল করার ষড়যন্ত্র করলে এ দেশের জনগণ তাদেরও একইভাবে প্রত্যাখ্যান করবে। কাজেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নির্মূল করার হুমকি দিয়ে, ভয় দেখিয়ে কাবু করা যাবে না। এ ধরনের অগণতান্ত্রিক ও উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে না দিয়ে নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক ভাষায় কথা বলার জন্য বিএনপি মহাসচিবের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
৮ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
১১ ঘণ্টা আগে
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও কৃষি বিষয়ক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেন, ঢাকা শহরের যত শ্রমিক আছেন, তাদের মধ্য থেকে একভাগ শ্রমিককেও আমরা সংগঠিত করতে পারিনি। আমরা যদি দুই ভাগ লোককে সংগঠিত করতে পারি, তাহলে আমাদের শ্রমিক সমাবেশ সফল হবে।
১ দিন আগে