
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেছেন, ভারতের সঙ্গে যে বিষয়গুলোতে আমরা মনে করছি যে বঞ্চিত হয়েছি, সে বিষয়গুলোতে কোনো ছাড় দেব না। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত বৈঠকে তিনি এ কথা জানান। বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ে সীমান্ত সম্মেলন প্রসঙ্গে বৈঠকে আলোচনা হয়।
বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলেছি ভারতের সঙ্গে অসম চুক্তিগুলো নিয়ে কাজ করতে। এটি ডিপ্লোমেটিক চ্যানেলে এটি সমাধান করা হবে। আমাদের পক্ষ থেকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত সম্মেলনে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের নিয়ে আমরা বসব। সেখানে আপনারা সুনির্দিষ্ট তথ্য পাবেন। বর্ডার কিলিং এই সম্মেলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা। মোট কথা, কোনো বিষয়ে তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
ভারতের সঙ্গে হওয়া অসম চুক্তি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ২০১০ সালে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তিতে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। তিন বিঘা ও দহগ্রাম করিডোর নিয়ে এই অসম চুক্তি হয়। এসব চুক্তি যেন বাতিল করা হয়, সে বিষয়ে আমরা তাদের বলব।
আর কী কী অসম চুক্তি আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কুলাউড়ায় যে রেলস্টেশন আছে, তা সীমান্ত থেকে তিন কিলোমিটার ভেতরে। আমাদের সীমান্তের তিন কিলোমিটার ভেতরে তাদের আসতে দেব কি না, তা নিয়ে আলোচনা হবে। সেখানে একটি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট করা হবে। ১৯৭৪, ১৯৭৫ এবং ২০১১ সালে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অসম চুক্তি হয়েছে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেছেন, ভারতের সঙ্গে যে বিষয়গুলোতে আমরা মনে করছি যে বঞ্চিত হয়েছি, সে বিষয়গুলোতে কোনো ছাড় দেব না। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত বৈঠকে তিনি এ কথা জানান। বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ে সীমান্ত সম্মেলন প্রসঙ্গে বৈঠকে আলোচনা হয়।
বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলেছি ভারতের সঙ্গে অসম চুক্তিগুলো নিয়ে কাজ করতে। এটি ডিপ্লোমেটিক চ্যানেলে এটি সমাধান করা হবে। আমাদের পক্ষ থেকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত সম্মেলনে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের নিয়ে আমরা বসব। সেখানে আপনারা সুনির্দিষ্ট তথ্য পাবেন। বর্ডার কিলিং এই সম্মেলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা। মোট কথা, কোনো বিষয়ে তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
ভারতের সঙ্গে হওয়া অসম চুক্তি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ২০১০ সালে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তিতে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। তিন বিঘা ও দহগ্রাম করিডোর নিয়ে এই অসম চুক্তি হয়। এসব চুক্তি যেন বাতিল করা হয়, সে বিষয়ে আমরা তাদের বলব।
আর কী কী অসম চুক্তি আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কুলাউড়ায় যে রেলস্টেশন আছে, তা সীমান্ত থেকে তিন কিলোমিটার ভেতরে। আমাদের সীমান্তের তিন কিলোমিটার ভেতরে তাদের আসতে দেব কি না, তা নিয়ে আলোচনা হবে। সেখানে একটি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট করা হবে। ১৯৭৪, ১৯৭৫ এবং ২০১১ সালে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অসম চুক্তি হয়েছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদে অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমদকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
অন্যদিকে জোটের তিন দলের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো আসন চূড়ান্ত করা হয়নি, যার মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এখনো এ জোটে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তাই কাটেনি। দলটি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতও ছিল না।
২০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা নিয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিল না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এই ইস্যুতে কাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল তিনটার দিকে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন এই দলটি।
২০ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা।
২১ ঘণ্টা আগে