
ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন ২০২৫ নিয়ে ওঠা নানা অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসনের সাম্প্রতিক বিবৃতিতে গভীর অসন্তোষ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সংগঠনটি বলছে, যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করেই প্রশাসন অভিযোগগুলোকে ‘অনির্দিষ্ট ও সারবত্তাহীন’ বলে খারিজ করেছে।
গত বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের উপপরিচালক ফররুখ মাহমুদের সই করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, নির্বাচনের দুই সপ্তাহ পর উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বেশির ভাগই ভিত্তিহীন। তবে ছাত্রদল বিবৃতিতে বলছে, তারা নির্বাচনের তিন দিনের মধ্যেই সুনির্দিষ্টভাবে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছিল এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের বহু প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় পর শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ছাত্রদল ঢাবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মর্যাদায় দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামীর সই করা বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।
বিবৃতিতে ছাত্রদল ঢাবি শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, ঢাবি প্রশাসনের ভূমিকা শিক্ষার্থীদের শঙ্কা আরও ঘনীভূত করেছে। আমরা আশাবাদী, যথাযথ বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অবিলম্বে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে শিক্ষার্থীদের সামনে সত্য উপস্থাপন করবে।
এর আগে বিবৃতিতে ছাত্রদল অভিযোগ করেছে, ডাকসু নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন প্রার্থী ও ছাত্রদলের অভিযোগগুলো ভালোভাবে বিশ্লেষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করেই ঢাবি ওই বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণের আবেদনকে অনির্দিষ্ট বলা হয়েছে। কিন্তু প্রার্থীরা তাদের আবেদনে সুনির্দিষ্টভাবে হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ও শহিদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল কেন্দ্রের কিছু নির্দিষ্ট বুথের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনার জন্য আবেদন করেছিলেন।
ভোটার উপস্থিতির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত সন্দেহ নিয়ে ছাত্রদল বলছে, এ বিষয়টি নির্বাচনের দিনের সম্পূর্ণ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ ছাড়া নিরসন করা সম্ভব নয়। তাই ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ পাবলিক ডক্যুমেন্ট নয় জেনেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে প্রার্থীরা তা ব্যক্তিগতভাবে পর্যালোচনার আবেদন করেছেন।
যথাসময়ে যথাযথ প্রক্রিয়ায় অভিযোগ উত্থাপন করা হলেও ঢাবি প্রশাসন তাদের বক্তব্যে তা এড়িয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেছে ছাত্রদল। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ডাকসু ও হল সংসদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন দিনের মধ্যেই আবেদন করার পরে বারবার মনোযোগ আকর্ষণের আন্তরিক প্রচেষ্টা করার পর সংবাদ সম্মেলন করে সুনির্দিষ্ট ১১টি অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেগুলোকে সারবত্তাহীন ও অনির্দিষ্ট কেন বলা হলো, তা অত্যন্ত অস্পষ্ট।
ভোটার তালিকা প্রার্থীদের সরবরাহ না করা এবং পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতি যাচাইয়ের সুযোগ না দেওয়াকেও একটি বড় ধরনের অনিয়ম হিসেবে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে আইনি জটিলতা থাকলেও আবেদনকারীদের কাছে আংশিক তালিকা (ছবি ও সই বাদ দিয়ে) সরবরাহ করার সুযোগ ছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্বচ্ছতা বজায় না রেখে এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
প্রশাসনের বিবৃতিতে নীলক্ষেতে ব্যালট পেপার ছাপানো সম্ভব নয় বলে যে দাবি করা হয়েছে, তাতেও আপত্তি তুলেছে ছাত্রদল। তারা বলছে, নিউজ টুয়েন্টিফোরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রমাণিত হয়েছে যে নীলক্ষেতেই ব্যালট ছাপানো হয়েছে। তাই প্রশাসনের বিবৃতিকে ‘মিথ্যাচার’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে তারা।
অভিযোগগুলো যথাসময়ে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পরে উপাচার্যের কাছে জমা দেওয়া হলেও প্রশাসন সেগুলোকে দেরিতে উত্থাপিত বলে আখ্যা দিচ্ছে—এটিকেও ‘এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল’ বলে অভিহিত করেছে ছাত্রদল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উল্লেখ করা তথাকথিত ‘যথাযথ প্রক্রিয়া’ কেবল কালক্ষেপণ ও এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল কি না— এটি এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর প্রশ্ন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে ছাত্রদল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন ২০২৫ নিয়ে ওঠা নানা অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসনের সাম্প্রতিক বিবৃতিতে গভীর অসন্তোষ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সংগঠনটি বলছে, যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করেই প্রশাসন অভিযোগগুলোকে ‘অনির্দিষ্ট ও সারবত্তাহীন’ বলে খারিজ করেছে।
গত বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের উপপরিচালক ফররুখ মাহমুদের সই করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, নির্বাচনের দুই সপ্তাহ পর উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বেশির ভাগই ভিত্তিহীন। তবে ছাত্রদল বিবৃতিতে বলছে, তারা নির্বাচনের তিন দিনের মধ্যেই সুনির্দিষ্টভাবে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছিল এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের বহু প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় পর শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ছাত্রদল ঢাবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মর্যাদায় দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামীর সই করা বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।
বিবৃতিতে ছাত্রদল ঢাবি শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, ঢাবি প্রশাসনের ভূমিকা শিক্ষার্থীদের শঙ্কা আরও ঘনীভূত করেছে। আমরা আশাবাদী, যথাযথ বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অবিলম্বে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে শিক্ষার্থীদের সামনে সত্য উপস্থাপন করবে।
এর আগে বিবৃতিতে ছাত্রদল অভিযোগ করেছে, ডাকসু নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন প্রার্থী ও ছাত্রদলের অভিযোগগুলো ভালোভাবে বিশ্লেষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করেই ঢাবি ওই বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণের আবেদনকে অনির্দিষ্ট বলা হয়েছে। কিন্তু প্রার্থীরা তাদের আবেদনে সুনির্দিষ্টভাবে হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ও শহিদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল কেন্দ্রের কিছু নির্দিষ্ট বুথের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনার জন্য আবেদন করেছিলেন।
ভোটার উপস্থিতির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত সন্দেহ নিয়ে ছাত্রদল বলছে, এ বিষয়টি নির্বাচনের দিনের সম্পূর্ণ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ ছাড়া নিরসন করা সম্ভব নয়। তাই ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ পাবলিক ডক্যুমেন্ট নয় জেনেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে প্রার্থীরা তা ব্যক্তিগতভাবে পর্যালোচনার আবেদন করেছেন।
যথাসময়ে যথাযথ প্রক্রিয়ায় অভিযোগ উত্থাপন করা হলেও ঢাবি প্রশাসন তাদের বক্তব্যে তা এড়িয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেছে ছাত্রদল। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ডাকসু ও হল সংসদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন দিনের মধ্যেই আবেদন করার পরে বারবার মনোযোগ আকর্ষণের আন্তরিক প্রচেষ্টা করার পর সংবাদ সম্মেলন করে সুনির্দিষ্ট ১১টি অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেগুলোকে সারবত্তাহীন ও অনির্দিষ্ট কেন বলা হলো, তা অত্যন্ত অস্পষ্ট।
ভোটার তালিকা প্রার্থীদের সরবরাহ না করা এবং পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতি যাচাইয়ের সুযোগ না দেওয়াকেও একটি বড় ধরনের অনিয়ম হিসেবে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে আইনি জটিলতা থাকলেও আবেদনকারীদের কাছে আংশিক তালিকা (ছবি ও সই বাদ দিয়ে) সরবরাহ করার সুযোগ ছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্বচ্ছতা বজায় না রেখে এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
প্রশাসনের বিবৃতিতে নীলক্ষেতে ব্যালট পেপার ছাপানো সম্ভব নয় বলে যে দাবি করা হয়েছে, তাতেও আপত্তি তুলেছে ছাত্রদল। তারা বলছে, নিউজ টুয়েন্টিফোরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রমাণিত হয়েছে যে নীলক্ষেতেই ব্যালট ছাপানো হয়েছে। তাই প্রশাসনের বিবৃতিকে ‘মিথ্যাচার’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে তারা।
অভিযোগগুলো যথাসময়ে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পরে উপাচার্যের কাছে জমা দেওয়া হলেও প্রশাসন সেগুলোকে দেরিতে উত্থাপিত বলে আখ্যা দিচ্ছে—এটিকেও ‘এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল’ বলে অভিহিত করেছে ছাত্রদল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উল্লেখ করা তথাকথিত ‘যথাযথ প্রক্রিয়া’ কেবল কালক্ষেপণ ও এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল কি না— এটি এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর প্রশ্ন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে ছাত্রদল।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি যে নির্বাচন হবে, সে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বিএনপি এ দেশের নেতৃত্ব দেবে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান দেশের নেতৃত্ব দেবেন এবং দেশ পরিচালনা করবেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
সব অর্থনৈতিক সংস্কার করেছেন বেগম খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমান বলে মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের মানুষের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে। জিয়াউর রহমানের পর বেগম জিয়া গণতন্ত্র ও উন্নয়নের যেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছ
১৫ ঘণ্টা আগে
শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন,“সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মানুষের মন জয় করেছিলেন। তার রাজনৈতিক পথ অনুসরণ মানেই গণতন্ত্রের পথ অনুসরণ করা। দেশকে রক্ষা করতে হলে শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।”
১৬ ঘণ্টা আগে
ড. মঈন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এমন একজন নারী, যিনি একজন গৃহবধূ থেকে দেশের কোটি কোটি মানুষের আহ্বানে সাড়া দিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে। তিনি গণতন্ত্রের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। আজ আমরা এখানে এসেছি তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে। আজকের এই অনুভূতি প্রকাশ করার ম
১৬ ঘণ্টা আগে