
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে অপসারণ করার বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলন ও নাগরিক কমিটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে করলেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি বিএনপি।
দলটি জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের বিষয়ে বিএনপির সিদ্ধান্ত কী হবে তা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে পরবর্তীতে জানানো হবে।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গুলশান বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলন ও নাগরিক কমিটির ৭ নেতার সঙ্গে বৈঠকে করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ৩ সদস্যদের প্রতিনিধিদল।
বৈঠক শেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিএনপির তিন সদস্য আমাদের সব কথা শুনেছেন। তারা জানিয়েছেন আমাদের বার্তা নিয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনা করবে। পরবর্তীতে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবে।
রাষ্ট্রপতি অপসারণ ইস্যুতে জামায়াতে ইসলামী একমত পোষণ করেছেন বলেও জানান হাসনাত।
বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, বৈঠকে বৈষম্যবিরোধী ও নাগরিক কমিটির সাতজন অংশ নেয়। তবে, বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় ৯ জনের পরিচয় দেন জাতীয় নাগরিক কমিটি আহ্বায়ক।
তারা হলেন- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখপাত্র হুমায়রা ফাতেমা, সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, মুখ্য সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসুদ, সমন্বয়ক রিফাত রশীদ, জাতীয় নাগরিক কমিটি আহ্বায়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, মুখপাত্র সামন্তা শারমিন, সদস্য সচিব আকতার হোসেন, সদস্য আরিফুল ইসলাম আদিব।

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে অপসারণ করার বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলন ও নাগরিক কমিটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে করলেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি বিএনপি।
দলটি জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের বিষয়ে বিএনপির সিদ্ধান্ত কী হবে তা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে পরবর্তীতে জানানো হবে।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গুলশান বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলন ও নাগরিক কমিটির ৭ নেতার সঙ্গে বৈঠকে করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ৩ সদস্যদের প্রতিনিধিদল।
বৈঠক শেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিএনপির তিন সদস্য আমাদের সব কথা শুনেছেন। তারা জানিয়েছেন আমাদের বার্তা নিয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনা করবে। পরবর্তীতে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবে।
রাষ্ট্রপতি অপসারণ ইস্যুতে জামায়াতে ইসলামী একমত পোষণ করেছেন বলেও জানান হাসনাত।
বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, বৈঠকে বৈষম্যবিরোধী ও নাগরিক কমিটির সাতজন অংশ নেয়। তবে, বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় ৯ জনের পরিচয় দেন জাতীয় নাগরিক কমিটি আহ্বায়ক।
তারা হলেন- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখপাত্র হুমায়রা ফাতেমা, সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, মুখ্য সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসুদ, সমন্বয়ক রিফাত রশীদ, জাতীয় নাগরিক কমিটি আহ্বায়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, মুখপাত্র সামন্তা শারমিন, সদস্য সচিব আকতার হোসেন, সদস্য আরিফুল ইসলাম আদিব।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
২ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
২ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
২ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
২ দিন আগে