
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্রীয় অর্থলোপাট করে সরকার দলছুটদের নিয়ে নতুন দল বানাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শুক্রবার বিকেলে এক ভার্চুয়াল সংবাদ ব্রিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল কখনো অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের ভাগিয়ে নেয় না। এই কাজটা করে গ্রাম্য মোড়ল, গ্রাম টাউট, বাজে লোক তারা এসব কাজ করে… অন্য মানুষের বাড়ি থেকে লোক ভাগিয়ে নেয়… সেই কাজ শেখ হাসিনা এখন করছেন। দলের মধ্যে নানাভাবেই সুবিধাবাদীরা ঢুকে পড়ে, উচ্ছিষ্টভোগীরা ঢুকে পড়ে.. লোকগুলোকেই তারা পায়। এরশাদের সময়ে আমরা দেখেছি, এসব লোকগুলোকে নিয়ে এরশাদ দল গঠন করেছে, সরকার গঠন করেছে। শেখ হাসিনাও এখন ওই কায়দায় অনুকরণ করছে অনুসরণ করছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, বিএনপি এবং সমমনা দলগুলোর থেকে লোক ভাগানোর জন্য তিনি (শেখ হাসিনা) তার গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং তারা সেই কাজটি করছে। একজন একজনকে নানাভাবে প্রলোভন দেখিয়ে, নতুন দলের একেকটা অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দিয়ে তাদের নিয়ে যাচ্ছে এবং নমিনেশনে তাদের জেতানো হবে বলে অথবা টাকা পয়সার লোক দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। একদিকে চলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে জনগণকে দমন করার জন্য যত ধরনের নিষ্ঠুর পদক্ষেপ আছে সেগুলো তিনি গ্রহণ করছেন অন্যদিকে চলছে রাষ্ট্রীয় টাকা লোপাট করে দলছুটদেরে নিয়ে দল বানানোর কারসাজি।
রিজভী বলেন, সব সময় সর্বকালের এই স্বৈরাচারি জাতির কাঁধের ওপর চেপে বসে তখন এই ধরনের প্রবণতাগুলোই দেখা দেয়… শেখ হাসিনাও সেটাই করছেন। এটা তো এক নির্লজ্জ ঘৃণ্য কাজ… এটা কোনো ভদ্রলোকে এই কাজ করতে পারে না। কারণ তার তো জনগণের কাছে যাওয়ার উপায় নাই, তিনি একটা অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জিতবেন না, এই জিতবেন না‘র কারণে, তিনি যত ধরনের গণবিরোধী কাজ, যত ধরনের দুর্বিনীত কাজ, যত ধরনের দুরাচারমূলক কাজ সেই কাজগুলো তিনি এখন করছেন নির্বাচনকে সামনে রেখে।
তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছি আমরা যে, ৪২৮টি র্যাবের জন্য কেন্দ্র বানানো হচ্ছে সারা দেশে। এদের কাজ কী? সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একটি গণতান্ত্রিক দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এভাবে নিয়োগ করা হয়, তাদের দিয়ে সারা দেশে একেকটি কেন্দ্র বানানো হয়… সেখান থেকে তারা কী করবে? তারা করবে জনগণ যাতে কোনো ভাবে তাদের বিস্ফোরণ না ঘটে।
সামনে একতরফা নির্বাচনের যে মাস্টার প্ল্যান শেখ হাসিনা করেছেন, সেই মাস্টার প্ল্যানকে বাস্তবায়ন করার জন্য তারাভাবে নেতা-কর্মীদের বেপরোয়াভাবে গ্রেপ্তার করছেন, যে গ্রেপ্তারি অভিযান চলছে বৈশাখী ঝড়ের মতো সেই অভিযানটা তারা অব্যাহত রাখবেন। সেই কারণেই আজকে র্যাবের ৪২৮টি কেন্দ্র করা হয়েছে সারা দেশে।
র্যাবের হাতে বিএনপি সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চুর গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, একজন অভিজ্ঞ সিনিয়র চিকিৎসক তিনি। আজকে সকালে পেশাজীবীদের একটি অনুষ্ঠান শেষে ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে গ্রেপ্তার করছে র্যাব। তাকে গ্রেপ্তারের যে দৃশ্য এটাই হচ্ছে… বিষ্ময়কর। বাংলাদেশে এরা যদি আরও কতদিন টিকে কোনো ভদ্রলোক বাংলাদেশে বাস করতে পারবে না।

রাষ্ট্রীয় অর্থলোপাট করে সরকার দলছুটদের নিয়ে নতুন দল বানাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শুক্রবার বিকেলে এক ভার্চুয়াল সংবাদ ব্রিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল কখনো অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের ভাগিয়ে নেয় না। এই কাজটা করে গ্রাম্য মোড়ল, গ্রাম টাউট, বাজে লোক তারা এসব কাজ করে… অন্য মানুষের বাড়ি থেকে লোক ভাগিয়ে নেয়… সেই কাজ শেখ হাসিনা এখন করছেন। দলের মধ্যে নানাভাবেই সুবিধাবাদীরা ঢুকে পড়ে, উচ্ছিষ্টভোগীরা ঢুকে পড়ে.. লোকগুলোকেই তারা পায়। এরশাদের সময়ে আমরা দেখেছি, এসব লোকগুলোকে নিয়ে এরশাদ দল গঠন করেছে, সরকার গঠন করেছে। শেখ হাসিনাও এখন ওই কায়দায় অনুকরণ করছে অনুসরণ করছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, বিএনপি এবং সমমনা দলগুলোর থেকে লোক ভাগানোর জন্য তিনি (শেখ হাসিনা) তার গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং তারা সেই কাজটি করছে। একজন একজনকে নানাভাবে প্রলোভন দেখিয়ে, নতুন দলের একেকটা অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দিয়ে তাদের নিয়ে যাচ্ছে এবং নমিনেশনে তাদের জেতানো হবে বলে অথবা টাকা পয়সার লোক দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। একদিকে চলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে জনগণকে দমন করার জন্য যত ধরনের নিষ্ঠুর পদক্ষেপ আছে সেগুলো তিনি গ্রহণ করছেন অন্যদিকে চলছে রাষ্ট্রীয় টাকা লোপাট করে দলছুটদেরে নিয়ে দল বানানোর কারসাজি।
রিজভী বলেন, সব সময় সর্বকালের এই স্বৈরাচারি জাতির কাঁধের ওপর চেপে বসে তখন এই ধরনের প্রবণতাগুলোই দেখা দেয়… শেখ হাসিনাও সেটাই করছেন। এটা তো এক নির্লজ্জ ঘৃণ্য কাজ… এটা কোনো ভদ্রলোকে এই কাজ করতে পারে না। কারণ তার তো জনগণের কাছে যাওয়ার উপায় নাই, তিনি একটা অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জিতবেন না, এই জিতবেন না‘র কারণে, তিনি যত ধরনের গণবিরোধী কাজ, যত ধরনের দুর্বিনীত কাজ, যত ধরনের দুরাচারমূলক কাজ সেই কাজগুলো তিনি এখন করছেন নির্বাচনকে সামনে রেখে।
তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছি আমরা যে, ৪২৮টি র্যাবের জন্য কেন্দ্র বানানো হচ্ছে সারা দেশে। এদের কাজ কী? সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একটি গণতান্ত্রিক দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এভাবে নিয়োগ করা হয়, তাদের দিয়ে সারা দেশে একেকটি কেন্দ্র বানানো হয়… সেখান থেকে তারা কী করবে? তারা করবে জনগণ যাতে কোনো ভাবে তাদের বিস্ফোরণ না ঘটে।
সামনে একতরফা নির্বাচনের যে মাস্টার প্ল্যান শেখ হাসিনা করেছেন, সেই মাস্টার প্ল্যানকে বাস্তবায়ন করার জন্য তারাভাবে নেতা-কর্মীদের বেপরোয়াভাবে গ্রেপ্তার করছেন, যে গ্রেপ্তারি অভিযান চলছে বৈশাখী ঝড়ের মতো সেই অভিযানটা তারা অব্যাহত রাখবেন। সেই কারণেই আজকে র্যাবের ৪২৮টি কেন্দ্র করা হয়েছে সারা দেশে।
র্যাবের হাতে বিএনপি সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চুর গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, একজন অভিজ্ঞ সিনিয়র চিকিৎসক তিনি। আজকে সকালে পেশাজীবীদের একটি অনুষ্ঠান শেষে ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে গ্রেপ্তার করছে র্যাব। তাকে গ্রেপ্তারের যে দৃশ্য এটাই হচ্ছে… বিষ্ময়কর। বাংলাদেশে এরা যদি আরও কতদিন টিকে কোনো ভদ্রলোক বাংলাদেশে বাস করতে পারবে না।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত জয়ী হলে এই রূপরেখায় সরকার চলবে বলে জানিয়েছেন দলটির নেতারা। এ ছাড়া আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পৃথকভাবে জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে আয়োজিত গণভোটকে সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠি
১৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিন নেতা এ কে ফজলুল হক, খাজা নাজিমুদ্দিন ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মাজার এবং শহীদ ওসমান হাদীর কবর জিয়ারতের মাধ্যমে প্রচারণা শুরু করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
১৪ ঘণ্টা আগে