
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের জনগণের প্রতি ভোট বর্জনের আহ্বান জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, কাকে ভোট দিতে যাবেন? হয় সরকারী দলের প্রার্থী, না হয় ডামি, না হয় তাদের অনুগত প্রার্থী। এ কারণে দেশবাসীকে বলব, আপনারা এই অবৈধ ভোট বর্জন করুন, ভোট কেন্দ্রে যাবেন না। এ অন্যায়ের শরীক হবেন না, ডাকাতি ঠেকাতে না পারলেও, ডাকাতের সঙ্গে তাল মেলাবেন না।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এ কথা বলেন তিনি। ভোট বর্জন ও খালেদা জিয়াসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে ড্যাব এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
মানবন্ধন শেষে প্রেস ক্লাবের সামনে ‘ভোট বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের’ পক্ষে লিফলেট বিতরণ করেন নজরুল ইসলাম খান।
ড্যাবের প্রেসিডেন্ট হারুনুর অর রশিদের সভাপতিত্বে মহাসচিব ড. আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সহ স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. পারভেজ রেজা কাকন, ড্যাব নেতা ডা. রফিকুল ইসলাম লাবু, ডা. মোস্তাক রহিম স্বপন, ডা. শহিদ হাসান, ডা. খালেকুজ্জামান দিপু, ডা. জাফর ইকবাল, ডা. মাহবুবুর রহমান, ডা. মাহমুদ মান্নান, ডা. মশিউর রহমান কাজল, ডা. জহিরুল ইসলাম সাকি, ডা. মঈনুল হক মিতুল, শফিকুল ইসলাম মাসুম, ডা. রুস্তম আলী মধু প্রমুখ।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ৭ জানুয়ারি যা ঘটতে যাচ্ছে, সেটা যদি নির্বাচন হতো, তবে সেখানে অংশ নেয়া, না যাওয়ার প্রশ্ন আসতো। কিন্ত ৭ তারিখ যা ঘটতে যাচ্ছে সেখানে কোনো প্রতিপক্ষ নেই। সবাই আমি ডামি ও আমার লোক, এদের মধ্যে যে নির্বাচনী খেলা এটাকে নির্বাচন বলা যায় না। এ জন্য হাজার কোটি টাকা খরচ করা হবে, লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে রাষ্ট্রের টাকা অপচয় করা হবে। বিরোধী নেতাকর্মীদের নামে মামলা দেয়া হবে, এ কারণেই আমরা এই ভোট বর্জন করেছি।
বাকশালের আমলে এমন নির্বাচনী পরিবেশ ছিল উল্লেখ করে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, দেশে বর্তমানে যে অরাজকতা, এ অবস্থা আর যাই হোক, গণতান্ত্রিক পরিবেশ হতে পারে না।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালে নির্বাচনে অংশ নিয়ে আমদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। জনগণকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। এবারো জনগণকে বঞ্চিত করার পায়তারা করছে।
তিনি বলেন, যেখানে জনগণের জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের সুযোগ নেই এমন একটি নির্বাচনী খেলা জনগণ চায় না। চায় না বলেই জনগন এ নির্বাচন বর্জন করেছে। অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলন আমরা রাজপথে আছি।
আমরা জনগণের জন্য ত্যাগ স্বীকারে রাজি আছি জানিয়ে বিএনপি এই নেতা বলেন, সরকার এতো পরিমাণ অত্যাচার অনাচার, লুটপাট করেছে, তারা ভয় পায় সুষ্ঠু নির্বাচন করতে। সে কারণে তারা যেকোনো ভাবে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, প্রহসনের নির্বাচনী খেলায় সরকার নির্বাচন করেও ফেলতে পারে। এতে কিছু যায় আসে না কারণ এ দেশের মানুষ তাদের সমর্থন দিবে না।

দেশের জনগণের প্রতি ভোট বর্জনের আহ্বান জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, কাকে ভোট দিতে যাবেন? হয় সরকারী দলের প্রার্থী, না হয় ডামি, না হয় তাদের অনুগত প্রার্থী। এ কারণে দেশবাসীকে বলব, আপনারা এই অবৈধ ভোট বর্জন করুন, ভোট কেন্দ্রে যাবেন না। এ অন্যায়ের শরীক হবেন না, ডাকাতি ঠেকাতে না পারলেও, ডাকাতের সঙ্গে তাল মেলাবেন না।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এ কথা বলেন তিনি। ভোট বর্জন ও খালেদা জিয়াসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে ড্যাব এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
মানবন্ধন শেষে প্রেস ক্লাবের সামনে ‘ভোট বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের’ পক্ষে লিফলেট বিতরণ করেন নজরুল ইসলাম খান।
ড্যাবের প্রেসিডেন্ট হারুনুর অর রশিদের সভাপতিত্বে মহাসচিব ড. আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সহ স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. পারভেজ রেজা কাকন, ড্যাব নেতা ডা. রফিকুল ইসলাম লাবু, ডা. মোস্তাক রহিম স্বপন, ডা. শহিদ হাসান, ডা. খালেকুজ্জামান দিপু, ডা. জাফর ইকবাল, ডা. মাহবুবুর রহমান, ডা. মাহমুদ মান্নান, ডা. মশিউর রহমান কাজল, ডা. জহিরুল ইসলাম সাকি, ডা. মঈনুল হক মিতুল, শফিকুল ইসলাম মাসুম, ডা. রুস্তম আলী মধু প্রমুখ।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ৭ জানুয়ারি যা ঘটতে যাচ্ছে, সেটা যদি নির্বাচন হতো, তবে সেখানে অংশ নেয়া, না যাওয়ার প্রশ্ন আসতো। কিন্ত ৭ তারিখ যা ঘটতে যাচ্ছে সেখানে কোনো প্রতিপক্ষ নেই। সবাই আমি ডামি ও আমার লোক, এদের মধ্যে যে নির্বাচনী খেলা এটাকে নির্বাচন বলা যায় না। এ জন্য হাজার কোটি টাকা খরচ করা হবে, লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে রাষ্ট্রের টাকা অপচয় করা হবে। বিরোধী নেতাকর্মীদের নামে মামলা দেয়া হবে, এ কারণেই আমরা এই ভোট বর্জন করেছি।
বাকশালের আমলে এমন নির্বাচনী পরিবেশ ছিল উল্লেখ করে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, দেশে বর্তমানে যে অরাজকতা, এ অবস্থা আর যাই হোক, গণতান্ত্রিক পরিবেশ হতে পারে না।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালে নির্বাচনে অংশ নিয়ে আমদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। জনগণকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। এবারো জনগণকে বঞ্চিত করার পায়তারা করছে।
তিনি বলেন, যেখানে জনগণের জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের সুযোগ নেই এমন একটি নির্বাচনী খেলা জনগণ চায় না। চায় না বলেই জনগন এ নির্বাচন বর্জন করেছে। অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলন আমরা রাজপথে আছি।
আমরা জনগণের জন্য ত্যাগ স্বীকারে রাজি আছি জানিয়ে বিএনপি এই নেতা বলেন, সরকার এতো পরিমাণ অত্যাচার অনাচার, লুটপাট করেছে, তারা ভয় পায় সুষ্ঠু নির্বাচন করতে। সে কারণে তারা যেকোনো ভাবে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, প্রহসনের নির্বাচনী খেলায় সরকার নির্বাচন করেও ফেলতে পারে। এতে কিছু যায় আসে না কারণ এ দেশের মানুষ তাদের সমর্থন দিবে না।

জাতীয় সংসদে মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে বিতর্কের জেরে মুখোমুখি অবস্থানে দেখা গেছে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে।
১ দিন আগে
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান সংসদে বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না। আজ মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমিরকে 'খোঁচা' দিয়ে এমন বক্তব্য দেন তিনি।
১ দিন আগে
বিএনপির প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল নারীদের ঘরে বন্দি রাখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন। তিনি বলেছেন, বিএনপি যেখানে নারীর ক্ষমতায়ন চায়, সেখানে বিএনপির প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল নারীদের ঘরে আবদ্ধ করতে চায়
২ দিন আগে
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র আপিলেও টিকল না। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে দীর্ঘ শুনানির পর নির্বাচন কমিশন তার আপিল খারিজ করে দেয়।
২ দিন আগে