
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকার পতনের এক দফার আন্দোলন জোরদারে নতুন কর্মসূচি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, বার বার আমরা দেখছি যে, সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে, সংকট বৃদ্ধি করা হচ্ছে…. এটা গ্রহনযোগ্য নয়। দেশে যে বিদ্যমান সংকট তৈরি হয়েছে… গণতন্ত্র হীনতার সংকট … দুর্নীতি-অনাচারে দেশ ছেয়ে গেছে এবং পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে যে, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় সরকারের নিযুক্ত ঊধর্বতন ব্যক্তিরা দুর্নীতি করে দেশটাকে ফোকলা করে দিচ্ছে। ব্যাংকগুলো শূন্য হয়ে যাচ্ছে, টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে। দ্রব্যমূ্ল্যের ঊধর্বগতিতে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।
রবিবার বিকেল গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যুগপৎ আন্দোলনের অন্যতম শরিক ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে বৈঠকে পরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ কথা জানান।
তিনি বলেন, দেশের স্বার্থ হানিকর চুক্তি-সমঝোতা করা হচ্ছে। সীমান্ত মানুষ হত্যা হচ্ছে,অরক্ষিত থাকছে…. নানা কারণে আমরা মনে করি যে, এক দফার দাবিতে আমরা লড়াই শুরু করেছি ওই এক দফা বাস্তবায়ন ছাড়া সংকটের সমাধান হবে নাই। আর সেই এক দফার যে লড়াই সেই লড়াইকে এগিয়ে নিতে আমরা আগামী দিনে কর্মসূচি ঘোষণা করব। ওই কর্মসূচি ঘোষণার প্রেক্ষিত হিসেবে আজকে আমাদের মধ্যে এই আলোচনা হয়েছে।
১২ দলীয় জোটের সমন্বয়কারী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের নেতৃত্বে বৈঠকে বিএলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, জাগপার রাশেদ প্রধান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, ইসলামি ঐক্যজোটের একাংশের মাওলানা আবদুল করিম, লেবার পার্টির একাংশের ফারুক রহমান,কল্যাণ পার্টির একাংশের শামসুদ্দিন পারভেজ ও ইসলামিক পার্টির আবুল কাশেম উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বিএনপির নজরুল ইসলাম খান ছাড়া দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান ও ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান উপস্থিত ছিলেন।
গত তিন দিনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক বাম গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, জাতীয়বাদী সমমনা জোট, এনডিএ, গণফোরাম, বাংলাদেশ পিপলস পার্টি, এলডিপি, গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সাথে আলাদা আলাদা বৈঠক করেন বিএনপির নেতারা।
‘কোটা সংস্কার প্রসঙ্গে’
এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, আপনারা জানেন যে, ছাত্রদের দাবি ছিল কোটা সংস্কারের, কোটা বাতিল। সেই দাবি প্রতি বিএনপি সমর্থন জানিয়েছে। সেই ছাত্ররা এখন এই দাবিতেই আন্দোলন করছে। আপনারা দেখেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন, তখন তাদের বলতে হয় যে, কখনো অনুরাগ বা বিরাগে মুখোমুখি হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। কিন্তু আমরা দেখলাম যে, প্রকাশ্যে ঘোষণা করেই একটা বিরাগে বশবর্তী হয়ে ছাত্রদের কোটা সংস্কারের আন্দোলন করছিলেন আর প্রধানমন্ত্রী বলে দিলেন আরকি কোটাই বাতিল হয়ে করে দিলাম… এটা কেউই যুক্তি সঙ্গত মনে করে না, মনে করে এটা বিরাগের বশবর্তী হয়ে এটা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইভেন সরকারির দলের অনেক লোকও বলে আরকি ওইভাবে সিদ্ধান্ত সঠিক হয় নাই এবং ওইভাবে করার কারণেই হাইকোর্ট সেটা আংশিকভাবে বাতিল করেছিলো। যার বিরুদ্ধে আবার আন্দোলন শুরু হলো… এখন সবটাই বাতিল হয়ে গেছে।তার মানে আগে আগে যে কোটা ছিলো সেটা বহাল হয়ে গেলো। তো এভাবে এসব সমস্যার সমাধান হয় না।কয়েকটা বছর ধরে এই আন্দোলনকে জিইয়ে রেখে এটা অর্থহীন হয়েছে। উচিত ছিলো যেটা সেটা হলো যে, সংস্কারের ব্যবস্থা করা এবং যুক্তিসঙ্গত সংস্কার। আমার দলের পক্ষ থেকে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে তার বাইরে আমাদের কোনো বক্তব্য নাই।

সরকার পতনের এক দফার আন্দোলন জোরদারে নতুন কর্মসূচি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, বার বার আমরা দেখছি যে, সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে, সংকট বৃদ্ধি করা হচ্ছে…. এটা গ্রহনযোগ্য নয়। দেশে যে বিদ্যমান সংকট তৈরি হয়েছে… গণতন্ত্র হীনতার সংকট … দুর্নীতি-অনাচারে দেশ ছেয়ে গেছে এবং পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে যে, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় সরকারের নিযুক্ত ঊধর্বতন ব্যক্তিরা দুর্নীতি করে দেশটাকে ফোকলা করে দিচ্ছে। ব্যাংকগুলো শূন্য হয়ে যাচ্ছে, টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে। দ্রব্যমূ্ল্যের ঊধর্বগতিতে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।
রবিবার বিকেল গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যুগপৎ আন্দোলনের অন্যতম শরিক ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে বৈঠকে পরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ কথা জানান।
তিনি বলেন, দেশের স্বার্থ হানিকর চুক্তি-সমঝোতা করা হচ্ছে। সীমান্ত মানুষ হত্যা হচ্ছে,অরক্ষিত থাকছে…. নানা কারণে আমরা মনে করি যে, এক দফার দাবিতে আমরা লড়াই শুরু করেছি ওই এক দফা বাস্তবায়ন ছাড়া সংকটের সমাধান হবে নাই। আর সেই এক দফার যে লড়াই সেই লড়াইকে এগিয়ে নিতে আমরা আগামী দিনে কর্মসূচি ঘোষণা করব। ওই কর্মসূচি ঘোষণার প্রেক্ষিত হিসেবে আজকে আমাদের মধ্যে এই আলোচনা হয়েছে।
১২ দলীয় জোটের সমন্বয়কারী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের নেতৃত্বে বৈঠকে বিএলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, জাগপার রাশেদ প্রধান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, ইসলামি ঐক্যজোটের একাংশের মাওলানা আবদুল করিম, লেবার পার্টির একাংশের ফারুক রহমান,কল্যাণ পার্টির একাংশের শামসুদ্দিন পারভেজ ও ইসলামিক পার্টির আবুল কাশেম উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বিএনপির নজরুল ইসলাম খান ছাড়া দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান ও ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান উপস্থিত ছিলেন।
গত তিন দিনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক বাম গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, জাতীয়বাদী সমমনা জোট, এনডিএ, গণফোরাম, বাংলাদেশ পিপলস পার্টি, এলডিপি, গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সাথে আলাদা আলাদা বৈঠক করেন বিএনপির নেতারা।
‘কোটা সংস্কার প্রসঙ্গে’
এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, আপনারা জানেন যে, ছাত্রদের দাবি ছিল কোটা সংস্কারের, কোটা বাতিল। সেই দাবি প্রতি বিএনপি সমর্থন জানিয়েছে। সেই ছাত্ররা এখন এই দাবিতেই আন্দোলন করছে। আপনারা দেখেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন, তখন তাদের বলতে হয় যে, কখনো অনুরাগ বা বিরাগে মুখোমুখি হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। কিন্তু আমরা দেখলাম যে, প্রকাশ্যে ঘোষণা করেই একটা বিরাগে বশবর্তী হয়ে ছাত্রদের কোটা সংস্কারের আন্দোলন করছিলেন আর প্রধানমন্ত্রী বলে দিলেন আরকি কোটাই বাতিল হয়ে করে দিলাম… এটা কেউই যুক্তি সঙ্গত মনে করে না, মনে করে এটা বিরাগের বশবর্তী হয়ে এটা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইভেন সরকারির দলের অনেক লোকও বলে আরকি ওইভাবে সিদ্ধান্ত সঠিক হয় নাই এবং ওইভাবে করার কারণেই হাইকোর্ট সেটা আংশিকভাবে বাতিল করেছিলো। যার বিরুদ্ধে আবার আন্দোলন শুরু হলো… এখন সবটাই বাতিল হয়ে গেছে।তার মানে আগে আগে যে কোটা ছিলো সেটা বহাল হয়ে গেলো। তো এভাবে এসব সমস্যার সমাধান হয় না।কয়েকটা বছর ধরে এই আন্দোলনকে জিইয়ে রেখে এটা অর্থহীন হয়েছে। উচিত ছিলো যেটা সেটা হলো যে, সংস্কারের ব্যবস্থা করা এবং যুক্তিসঙ্গত সংস্কার। আমার দলের পক্ষ থেকে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে তার বাইরে আমাদের কোনো বক্তব্য নাই।

জনগণের ম্যান্ডেট পেয়ে সরকার গঠন করলে শুধু দল থেকে নয়, বাংলাদেশের মানুষ থেকে মন্ত্রী বানানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
৫ ঘণ্টা আগে
গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদ দেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্নীতি বিরোধী অবস্থান ও সংস্কারের পক্ষে একমত হলে যেকোনো রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে পথ চলবে জামায়াত।
৮ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে তিনি জানান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি যে দুই আসনে প্রার্থী হয়েছেন সেই দুই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী দেবে না। এই দুই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী প্রত্যাহার করা হবে। দুই আসনেই ইসলামী আন্দোলনের সমর্থন মাওলানা মামুনুল হকের
২০ ঘণ্টা আগে
সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন অধ্যাপক আবুল হাশেম। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
১ দিন আগে