
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত থেমে নেই। সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। রাষ্ট্র মেরামতে সংস্কার প্রয়োজন তবে তা হতে হবে সংসদে। জনগণের আকাঙ্খা বাস্তবায়নে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন।’
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের মেহেদীবাগে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আবু সুফিয়ানের দলীয় স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের পর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আমীর খসরু মাহমুদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
আমীর খসরু বলেন, ‘সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা স্বৈরাচার সরকারকে পরাজিত করেছি। বাংলাদেশ কে নিয়ে জনগণের যে প্রত্যাশা ও আকাঙ্খা সৃষ্টি হয়েছে তা বাস্তবায়নে প্রয়োজন একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। বিএনপি সরকার গঠন করলে জনগণের প্রত্যাশাগুলো আমরা পূরণ করতে পারবো।’
তিনি বলেন,‘রাষ্ট্র মেরামতে সংস্কার প্রয়োজন তবে তা হতে হবে সংসদে। জনগণের আস্থা, সমর্থন ও মেন্ডেট নিয়ে। জনগণের নির্বাচিত সংসদ সে সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করবে। রাষ্ট্র মেরামতে অনেক আগেই আমরা ৩১দফা প্রস্তাবনা দিয়েছি। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। জনগণের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে আমরা ৩১দফা বাস্তবায়ন করবো এবং জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিজ্ঞা পূরণ করবো।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইসকান্দর মির্জা, আনোয়ার হোসেন লিপু, সাবেক সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, মঞ্জুর আলম মঞ্জু প্রমুখ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত থেমে নেই। সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। রাষ্ট্র মেরামতে সংস্কার প্রয়োজন তবে তা হতে হবে সংসদে। জনগণের আকাঙ্খা বাস্তবায়নে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন।’
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের মেহেদীবাগে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আবু সুফিয়ানের দলীয় স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের পর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আমীর খসরু মাহমুদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
আমীর খসরু বলেন, ‘সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা স্বৈরাচার সরকারকে পরাজিত করেছি। বাংলাদেশ কে নিয়ে জনগণের যে প্রত্যাশা ও আকাঙ্খা সৃষ্টি হয়েছে তা বাস্তবায়নে প্রয়োজন একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। বিএনপি সরকার গঠন করলে জনগণের প্রত্যাশাগুলো আমরা পূরণ করতে পারবো।’
তিনি বলেন,‘রাষ্ট্র মেরামতে সংস্কার প্রয়োজন তবে তা হতে হবে সংসদে। জনগণের আস্থা, সমর্থন ও মেন্ডেট নিয়ে। জনগণের নির্বাচিত সংসদ সে সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করবে। রাষ্ট্র মেরামতে অনেক আগেই আমরা ৩১দফা প্রস্তাবনা দিয়েছি। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। জনগণের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে আমরা ৩১দফা বাস্তবায়ন করবো এবং জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিজ্ঞা পূরণ করবো।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইসকান্দর মির্জা, আনোয়ার হোসেন লিপু, সাবেক সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, মঞ্জুর আলম মঞ্জু প্রমুখ।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৫ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৬ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৬ দিন আগে