
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসুন ভালো নির্বাচনের জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। আমরা জানি ভালো নির্বাচন হলে এই দেশে যে সরকার আসবে, সেই সরকার হবে শহীদ জিয়ার সরকার। যে সরকার আসবে, সেটি হবে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার। আর সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের উদ্যোগে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবিতে এক বিক্ষোভ সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই পারে দেশকে সংকট থেকে উদ্ধার করতে। ভালো নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে।
তিনি বলেন, এই সরকার আর খুব বেশিদিন নেই। এক মাসেরও কম সময় আছে জাতীয় সংসদের নির্বাচনের। জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পরপরই দেশে একটি সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার যদি দেশপ্রেমিক হয়, যদি মানুষের অনুভূতি ধরতে পারে, তাহলে দেশ সমৃদ্ধিশালী হবে, শত্রুর হাত থেকে রক্ষা পাবে। স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষা পাবে। এই কারণে আগামী ১২ তারিখে ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনে যদি আমরা ভুল করি, তাহলে সরকার ভুলের খেসারত দেবে, দেশবাসী ভুলের খেসারত দেবে, দেশের স্বাধীনতা সর্বসম্মতভাবে হুমকির মুখে পড়বে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আসুন— নির্বাচনকে ভালো করার জন্য যে কাজগুলো করা দরকার, তার মধ্যে অন্যতম হলো মানুষ যেন নির্বিঘ্নে, নির্ভয়ে ও নিরাপত্তার সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে। গত ১৫-১৬ বছর ধরে আমরা দেখেছি মানুষ ভোটকেন্দ্রে যায়নি, ভোট হয়ে গেছে আগেই। শেখ হাসিনা দাবি করতেন তিনি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত। আমরা বলি, সেই তিনটি নির্বাচন ছিল তামাশার নির্বাচন। দেশবাসীসহ সারা বিশ্ব দেখেছে, ওগুলো কোনো নির্বাচনই ছিল না।
তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য জরুরি হলো তড়িৎভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা। আইনশৃঙ্খলা যেন ভালো থাকে— এটা দেশের কথা, দেশের মানুষের কথা। সেই কারণে সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার জানে বিষয়টি, তারপরেও এখনো পর্যন্ত উপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়নি।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়ক খন্দকার লুৎফর রহমান, মুখপাত্র এস এম শাহাদাত প্রমুখ।

আসুন ভালো নির্বাচনের জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। আমরা জানি ভালো নির্বাচন হলে এই দেশে যে সরকার আসবে, সেই সরকার হবে শহীদ জিয়ার সরকার। যে সরকার আসবে, সেটি হবে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার। আর সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের উদ্যোগে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবিতে এক বিক্ষোভ সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই পারে দেশকে সংকট থেকে উদ্ধার করতে। ভালো নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে।
তিনি বলেন, এই সরকার আর খুব বেশিদিন নেই। এক মাসেরও কম সময় আছে জাতীয় সংসদের নির্বাচনের। জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পরপরই দেশে একটি সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার যদি দেশপ্রেমিক হয়, যদি মানুষের অনুভূতি ধরতে পারে, তাহলে দেশ সমৃদ্ধিশালী হবে, শত্রুর হাত থেকে রক্ষা পাবে। স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষা পাবে। এই কারণে আগামী ১২ তারিখে ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনে যদি আমরা ভুল করি, তাহলে সরকার ভুলের খেসারত দেবে, দেশবাসী ভুলের খেসারত দেবে, দেশের স্বাধীনতা সর্বসম্মতভাবে হুমকির মুখে পড়বে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আসুন— নির্বাচনকে ভালো করার জন্য যে কাজগুলো করা দরকার, তার মধ্যে অন্যতম হলো মানুষ যেন নির্বিঘ্নে, নির্ভয়ে ও নিরাপত্তার সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে। গত ১৫-১৬ বছর ধরে আমরা দেখেছি মানুষ ভোটকেন্দ্রে যায়নি, ভোট হয়ে গেছে আগেই। শেখ হাসিনা দাবি করতেন তিনি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত। আমরা বলি, সেই তিনটি নির্বাচন ছিল তামাশার নির্বাচন। দেশবাসীসহ সারা বিশ্ব দেখেছে, ওগুলো কোনো নির্বাচনই ছিল না।
তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য জরুরি হলো তড়িৎভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা। আইনশৃঙ্খলা যেন ভালো থাকে— এটা দেশের কথা, দেশের মানুষের কথা। সেই কারণে সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার জানে বিষয়টি, তারপরেও এখনো পর্যন্ত উপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়নি।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়ক খন্দকার লুৎফর রহমান, মুখপাত্র এস এম শাহাদাত প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২০ ঘণ্টা আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও ‘অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের’ প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।
২১ ঘণ্টা আগে
শপথ নেওয়ার আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
১ দিন আগে