
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে যারা আন্দোলনকারীসহ শিশুদের হত্যা করেছে তাদেরকে কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না? এমন প্রশ্ন রেখেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, পুলিশ সদস্যরা মিডিয়ার সামনে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে শিশু, তরুণ, যুবকদের। অথচ তাদেরকে কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না? তাদের কি বিচার হবে না? মানুষের রক্তপিপাসু শেখ হাসিনা আবার ফিরে আসবেন তার কোন বিচার হবে না?’
বুধবার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে গেন্ডারিয়া আদর্শ স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী শহিদ শাহরিয়ার খান আনাসের পরিবারের কাছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছে দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
আনাসের চিঠি পড়ে রিজভী বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে, এই বাচ্চারা দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য, একটা মহান কিছু আবিষ্কারের জন্য, আদায়ের জন্য এত উদ্দীপ্ত। এ বয়সে যে তারা (ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহিদরা) এমন সংকল্প হতে পারে, এই চিঠিতে আমি তা পেয়েছি।
তিনি আনাসের চিঠিটি পড়ে শোনান এবং বলেন, ‘এই চিঠিটি পড়ার পর আমাদের জীবনকে মনে হয়েছে তুচ্ছ। এই আত্মদানকারী বীর শহিদরা যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, আমার মনে হয়েছে, তাদের কাছে আমরা তুচ্ছ, আমরা ম্লান হয়ে গেছি।’
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘এই নিষ্পাপ ছেলেগুলোকে কেন শেখ হাসিনার পুলিশ হত্যা করেছে? শুধু শেখ হাসিনার ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখার জন্যই করেছে। আর তার পরিবার ও কাছের মানুষদের আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ করার জন্য। এজন্যই ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা এই বাচ্চাদেরকেও হত্যা করতে দ্বিধা করেননি।’
ছাত্র- জনতা রক্তের ওপর দিয়ে অন্তরবর্তী সরকার গঠিত হয়েছে জানিয়ে রিজভী বলেন, ‘এটাই ইউনূস সরকারকে বুঝতে হবে। কেন আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থার প্রেসক্রিপশনে সাবান, গুড়া দুধের ও ওষুধের দাম বাড়বে? কেন সেগুলোর ওপর ভ্যাট বাড়ানো হবে? জনগণ যদি তার জিনিসপত্র স্বাভাবিক মূল্যে কিনতে না পারেন তাহলে জুনায়েদ-আনাস-ইয়াসিনদের রক্ত বৃথা যাবে। অনেক প্রতিষ্ঠান স্বৈরাচারী দোসরদের নামে করা হয়েছে, এগুলোর নাম পরিবর্তন করে জুলাই-অগাস্টের শহিদদের নাম করার আহ্বান জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘এই সরকারের জুলাই-অগাস্টের হত্যাকারীদের সবার আগে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা উচিত।’
‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন ও সদস্য সচিব মোকছেদুল মোমিন মিথুনের সঞ্চালনায় আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আমরা বিএনপি পরিবারের উপদেষ্টা প্রকৌশলী আশরাফ বকুল, বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ডা. জাহিদুল কবির, বিএনপি নেতা জাকির হোসেন, ছাত্রদলের সহসভাপতি ডা. আউয়াল প্রমুখ।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে যারা আন্দোলনকারীসহ শিশুদের হত্যা করেছে তাদেরকে কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না? এমন প্রশ্ন রেখেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, পুলিশ সদস্যরা মিডিয়ার সামনে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে শিশু, তরুণ, যুবকদের। অথচ তাদেরকে কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না? তাদের কি বিচার হবে না? মানুষের রক্তপিপাসু শেখ হাসিনা আবার ফিরে আসবেন তার কোন বিচার হবে না?’
বুধবার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে গেন্ডারিয়া আদর্শ স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী শহিদ শাহরিয়ার খান আনাসের পরিবারের কাছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছে দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
আনাসের চিঠি পড়ে রিজভী বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে, এই বাচ্চারা দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য, একটা মহান কিছু আবিষ্কারের জন্য, আদায়ের জন্য এত উদ্দীপ্ত। এ বয়সে যে তারা (ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহিদরা) এমন সংকল্প হতে পারে, এই চিঠিতে আমি তা পেয়েছি।
তিনি আনাসের চিঠিটি পড়ে শোনান এবং বলেন, ‘এই চিঠিটি পড়ার পর আমাদের জীবনকে মনে হয়েছে তুচ্ছ। এই আত্মদানকারী বীর শহিদরা যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, আমার মনে হয়েছে, তাদের কাছে আমরা তুচ্ছ, আমরা ম্লান হয়ে গেছি।’
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘এই নিষ্পাপ ছেলেগুলোকে কেন শেখ হাসিনার পুলিশ হত্যা করেছে? শুধু শেখ হাসিনার ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখার জন্যই করেছে। আর তার পরিবার ও কাছের মানুষদের আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ করার জন্য। এজন্যই ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা এই বাচ্চাদেরকেও হত্যা করতে দ্বিধা করেননি।’
ছাত্র- জনতা রক্তের ওপর দিয়ে অন্তরবর্তী সরকার গঠিত হয়েছে জানিয়ে রিজভী বলেন, ‘এটাই ইউনূস সরকারকে বুঝতে হবে। কেন আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থার প্রেসক্রিপশনে সাবান, গুড়া দুধের ও ওষুধের দাম বাড়বে? কেন সেগুলোর ওপর ভ্যাট বাড়ানো হবে? জনগণ যদি তার জিনিসপত্র স্বাভাবিক মূল্যে কিনতে না পারেন তাহলে জুনায়েদ-আনাস-ইয়াসিনদের রক্ত বৃথা যাবে। অনেক প্রতিষ্ঠান স্বৈরাচারী দোসরদের নামে করা হয়েছে, এগুলোর নাম পরিবর্তন করে জুলাই-অগাস্টের শহিদদের নাম করার আহ্বান জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘এই সরকারের জুলাই-অগাস্টের হত্যাকারীদের সবার আগে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা উচিত।’
‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন ও সদস্য সচিব মোকছেদুল মোমিন মিথুনের সঞ্চালনায় আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আমরা বিএনপি পরিবারের উপদেষ্টা প্রকৌশলী আশরাফ বকুল, বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ডা. জাহিদুল কবির, বিএনপি নেতা জাকির হোসেন, ছাত্রদলের সহসভাপতি ডা. আউয়াল প্রমুখ।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে