
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অবশেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ মঙ্গলবার রাতে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার সফরসঙ্গী হচ্ছেন মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য, দলীয় নেতা, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, স্টাফসহ ১৫ জনের অধিক ব্যক্তি।
খালেদা জিয়ার গাড়িবহর এরই মধ্যে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। রাত ১০টায় কাতারের একটি বিশেষায়িত এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে ঢাকা ছেড়ে যাবেন তিনি। লন্ডন পৌঁছে ‘লন্ডন ক্লিনিকে’ ভর্তি হবেন তিনি।
খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হয়েছেন গৃহকর্মী ফাতেমা বেগমও। এটি নিয়ে আলোচনাও শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় দুই যুগ ধরে ভোলার বাসিন্দা ফাতেমা খালেদা জিয়ার গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজ করছেন।
৪২ বছর বয়সী ফাতেমা বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত কাজগুলো করেন। বিএনপির চেয়ারপারসন তার দৈনন্দিন কাজের জন্য অনেক ক্ষেত্রেই ফাতেমার ওপর নির্ভরশীল। দেশের ভেতর তো বটেই, দেশের বাইরেও খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকেন তিনি। এমনকি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার গৃহপরিচারিকা ফাতেমা আদালতের অনুমতি নিয়ে কারাগারেও ছিলেন।
বিএনপির চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা বলছেন, দলীয় চেয়ারপারসনের প্রতি ফাতেমার মমত্ববোধ প্রবল। সব সময় পাশে থাকা, চেয়ারপারসনকে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো মনে করিয়ে দেওয়াসহ সব কাজই ফাতেমা করে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় চেয়ারপারসনের এই কাজগুলো সঠিকভাবে করার কারণে খালেদা জিয়া এখন তার কাজগুলোর ব্যাপারে ফাতেমার ওপর নির্ভর করেন।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার সাজা হয়। এর পর থেকেই তার সঙ্গে স্বেচ্ছায় কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রায় ২৫ মাস ছিলেন ফাতেমা বেগম।
পরে সব মিলিয়ে দীর্ঘ ৭৭৪ দিন খালেদা জিয়াকে সঙ্গ দিয়েছেন ফাতেমা।
২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর যখন গুলশানের কার্যালয়ে থেকে খালেদা জিয়াকে বের হতে দেওয়া হচ্ছিল না ওই সময় বিএনপির চেয়ারপারসনের পেছনে পতাকা হাতে দাঁড়ানো ফাতেমাকে নিয়ে অনেকেই কৌতূহল দেখান। খালেদা জিয়া অবরুদ্ধ থাকার সময় গুলশান কার্যালয়ে ফাতেমার সঙ্গে কোনো কোনো সাংবাদিকের কথাও হয়েছে।
ফাতেমা মা-বাবার সঙ্গে ঢাকার শাহজাহানপুরে থাকতেন। এখন তার মা-বাবা ও এক ছেলে শাহজাহানপুর এলাকাতেই থাকেন। খুবই স্বল্পভাষী ফাতেমা সর্বশেষ সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসনের সঙ্গে তিনি অনেক দেশে গেছেন।’

অবশেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ মঙ্গলবার রাতে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার সফরসঙ্গী হচ্ছেন মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য, দলীয় নেতা, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, স্টাফসহ ১৫ জনের অধিক ব্যক্তি।
খালেদা জিয়ার গাড়িবহর এরই মধ্যে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। রাত ১০টায় কাতারের একটি বিশেষায়িত এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে ঢাকা ছেড়ে যাবেন তিনি। লন্ডন পৌঁছে ‘লন্ডন ক্লিনিকে’ ভর্তি হবেন তিনি।
খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হয়েছেন গৃহকর্মী ফাতেমা বেগমও। এটি নিয়ে আলোচনাও শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় দুই যুগ ধরে ভোলার বাসিন্দা ফাতেমা খালেদা জিয়ার গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজ করছেন।
৪২ বছর বয়সী ফাতেমা বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত কাজগুলো করেন। বিএনপির চেয়ারপারসন তার দৈনন্দিন কাজের জন্য অনেক ক্ষেত্রেই ফাতেমার ওপর নির্ভরশীল। দেশের ভেতর তো বটেই, দেশের বাইরেও খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকেন তিনি। এমনকি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার গৃহপরিচারিকা ফাতেমা আদালতের অনুমতি নিয়ে কারাগারেও ছিলেন।
বিএনপির চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা বলছেন, দলীয় চেয়ারপারসনের প্রতি ফাতেমার মমত্ববোধ প্রবল। সব সময় পাশে থাকা, চেয়ারপারসনকে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো মনে করিয়ে দেওয়াসহ সব কাজই ফাতেমা করে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় চেয়ারপারসনের এই কাজগুলো সঠিকভাবে করার কারণে খালেদা জিয়া এখন তার কাজগুলোর ব্যাপারে ফাতেমার ওপর নির্ভর করেন।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার সাজা হয়। এর পর থেকেই তার সঙ্গে স্বেচ্ছায় কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রায় ২৫ মাস ছিলেন ফাতেমা বেগম।
পরে সব মিলিয়ে দীর্ঘ ৭৭৪ দিন খালেদা জিয়াকে সঙ্গ দিয়েছেন ফাতেমা।
২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর যখন গুলশানের কার্যালয়ে থেকে খালেদা জিয়াকে বের হতে দেওয়া হচ্ছিল না ওই সময় বিএনপির চেয়ারপারসনের পেছনে পতাকা হাতে দাঁড়ানো ফাতেমাকে নিয়ে অনেকেই কৌতূহল দেখান। খালেদা জিয়া অবরুদ্ধ থাকার সময় গুলশান কার্যালয়ে ফাতেমার সঙ্গে কোনো কোনো সাংবাদিকের কথাও হয়েছে।
ফাতেমা মা-বাবার সঙ্গে ঢাকার শাহজাহানপুরে থাকতেন। এখন তার মা-বাবা ও এক ছেলে শাহজাহানপুর এলাকাতেই থাকেন। খুবই স্বল্পভাষী ফাতেমা সর্বশেষ সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসনের সঙ্গে তিনি অনেক দেশে গেছেন।’

ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১৫ ঘণ্টা আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১৬ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
১৯ ঘণ্টা আগে