
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীতে সব পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করতে নেতাকর্মীদের কড়া নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি।
শনিবার (৯ নভেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো আলাদা আলাদা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পলায়নের পর থেকে অদ্যাবধি ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতাধীন সব থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিটগুলোতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অফিস, ফেস্টুন, ব্যানার, পোস্টারসহ সব ধরনের বিলবোর্ড অপসারণ করার জন্য ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক এবং সদস্য সচিব মোস্তফা জামান নির্দেশনা দিয়েছেন।
আগামী তিন দিনের মধ্যে এসব পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করতেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এদিকে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বিভিন্ন স্থানে লাগানো সব ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারসহ সব ধরনের বিলবোর্ড আগামী ৪৮ ঘণ্টার (১১ নভেম্বর সোমবার সন্ধ্যা) মধ্যে অপসারণ করার জন্য ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সকল থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিটগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের জরুরি নির্দেশনা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু ও সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন।
নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

রাজধানীতে সব পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করতে নেতাকর্মীদের কড়া নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি।
শনিবার (৯ নভেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো আলাদা আলাদা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পলায়নের পর থেকে অদ্যাবধি ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতাধীন সব থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিটগুলোতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অফিস, ফেস্টুন, ব্যানার, পোস্টারসহ সব ধরনের বিলবোর্ড অপসারণ করার জন্য ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক এবং সদস্য সচিব মোস্তফা জামান নির্দেশনা দিয়েছেন।
আগামী তিন দিনের মধ্যে এসব পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করতেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এদিকে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বিভিন্ন স্থানে লাগানো সব ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারসহ সব ধরনের বিলবোর্ড আগামী ৪৮ ঘণ্টার (১১ নভেম্বর সোমবার সন্ধ্যা) মধ্যে অপসারণ করার জন্য ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সকল থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিটগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের জরুরি নির্দেশনা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু ও সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন।
নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

নাম উল্লেখ না করে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচনে জিততে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাজধানীতে বিপুল পরিমাণ ভোটার স্থানান্তরের ‘কূটকৌশল’ গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ ধরনের স্থানান্তরিত ভোটারের তালিকা সরবরাহে
১৬ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
এর আগে বেলা ১১টায় নির্বাচন কার্যালয়ের সামনে পূর্ব নির্ধারিত ‘নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি’ পালন করতে এসে বসে পড়েন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে সন্ধ্যায় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে দিনের কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
প্রতিনিধি দলে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তাদের বৈঠক শুরু হওয়া
১৭ ঘণ্টা আগে