
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্য চেয়েছে বিএনপি। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত শেষ করে নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রকাশের পক্ষে মত দিয়েছে দলটি। নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রকাশ হলে কেউ আর ষড়যন্ত্র করার সাহস পাবে না, বৈঠক শেষে এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় করা হয়েছে। তাদের ষড়যন্ত্রও এদেশের ছাত্র-জনতা মিলে মোকাবিলা করবো।
বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকে অংশ নেয় বিএনপির প্রতিনিধিদল। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন খন্দকার মোশাররফ।
বিএনপির এ জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক, সামাজিক এবং বিভিন্ন বিষয়ে পার্শ্ববর্তী দেশের ইস্যু তৈরির প্রেক্ষাপটে দেশের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য আমাদের সহযোগিতা চাইতে প্রধান উপদেষ্টা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেন।
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ডিসেম্বর মাসে লাখো মানুষের রক্তের বিনিময়ে গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং শান্তিশৃঙ্খলার জন্য স্বাধীনতা পেয়েছে। আজকের এই বিজয়ের মাসে আমাদের সবার প্রত্যয় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত অন্তর্বর্তী সরকারকে সহায়তা করা।
তিনি বলেন, তাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) দায়িত্ব এদেশে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। দেশের বিরুদ্ধে পতিত সরকার বিদেশ থেকে যে ষড়যন্ত্র করছে তার বিরুদ্ধে সবাই ঐকমত্য পোষণ করেন।
ষড়যন্ত্র করে দেশের জনগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা হচ্ছে দাবি করে বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, আমরা সরকারের সঙ্গে ঐকমত্য পোষণ করেছি, ফ্যাসিস্ট সরকারকে যারা সহযোগিতা করছে তাদের ষড়যন্ত্র আমরা সবাই মিলে মোকাবিলা করবো।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে এ সরকার ওয়াদাবদ্ধ। আমরা বলেছি, দ্রুত সংস্কারকাজ শেষ করে নির্বাচনের জন্য একটা রোডম্যাপ দিতে। জনগণ রোডম্যাপ পেয়ে নির্বাচনমুখী হলে যেসব ষড়যন্ত্র এখন আপনারা দেখছেন কেউ আর সেটি করার সাহস পাবে না।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্য চেয়েছে বিএনপি। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত শেষ করে নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রকাশের পক্ষে মত দিয়েছে দলটি। নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রকাশ হলে কেউ আর ষড়যন্ত্র করার সাহস পাবে না, বৈঠক শেষে এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় করা হয়েছে। তাদের ষড়যন্ত্রও এদেশের ছাত্র-জনতা মিলে মোকাবিলা করবো।
বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকে অংশ নেয় বিএনপির প্রতিনিধিদল। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন খন্দকার মোশাররফ।
বিএনপির এ জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক, সামাজিক এবং বিভিন্ন বিষয়ে পার্শ্ববর্তী দেশের ইস্যু তৈরির প্রেক্ষাপটে দেশের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য আমাদের সহযোগিতা চাইতে প্রধান উপদেষ্টা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেন।
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ডিসেম্বর মাসে লাখো মানুষের রক্তের বিনিময়ে গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং শান্তিশৃঙ্খলার জন্য স্বাধীনতা পেয়েছে। আজকের এই বিজয়ের মাসে আমাদের সবার প্রত্যয় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত অন্তর্বর্তী সরকারকে সহায়তা করা।
তিনি বলেন, তাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) দায়িত্ব এদেশে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। দেশের বিরুদ্ধে পতিত সরকার বিদেশ থেকে যে ষড়যন্ত্র করছে তার বিরুদ্ধে সবাই ঐকমত্য পোষণ করেন।
ষড়যন্ত্র করে দেশের জনগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা হচ্ছে দাবি করে বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, আমরা সরকারের সঙ্গে ঐকমত্য পোষণ করেছি, ফ্যাসিস্ট সরকারকে যারা সহযোগিতা করছে তাদের ষড়যন্ত্র আমরা সবাই মিলে মোকাবিলা করবো।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে এ সরকার ওয়াদাবদ্ধ। আমরা বলেছি, দ্রুত সংস্কারকাজ শেষ করে নির্বাচনের জন্য একটা রোডম্যাপ দিতে। জনগণ রোডম্যাপ পেয়ে নির্বাচনমুখী হলে যেসব ষড়যন্ত্র এখন আপনারা দেখছেন কেউ আর সেটি করার সাহস পাবে না।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে