
সিলেট প্রতিনিধি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে ১৪ মিলিয়ন ডলার লুটের প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট নগরের একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ দাবি করেন।
গণহত্যার জন্য শেখ হাসিনার বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবে মন্তব্য করে এম এ মালিক বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তবে সেই ফায়দা নিয়ে ভারত যাতে আমাদের না ঠকায়।
তিনি আরও বলেন, ভারতকে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশে ঘন ঘন বন্যার জন্য ভারত দায়ী।
এম এ মালিক বলেন, হাসিনার ছেলে জয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নানা অপকর্মের কারণে জেলে গেছেন। বাংলাদেশে তার মা ক্ষমতায় থাকাকালে টাকা পাচার করে বিদেশে বাড়ি-ঘর তৈরি করেছেন।
এম এ মালিক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে সজীব ওয়াজেদ জয় একাধিকবার জেলে গেছেন। তার বিরুদ্ধে ১৪ মিলিয়ন ডলার লুটের প্রমাণ আছে। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারের আমলে এসব খবর সংবাদপত্রে প্রকাশ করতে পারেনি কেউ। এছাড়া শেখ রেহানাকে খুশি করতে দেশ-বিদেশে তাকে বিলাসবহুল বাসা-গাড়ি উপহার দিয়েছেন নেতারা। তাদের এসব অপকর্মের প্রমাণ রয়েছে আমাদের কাছে।
তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারকে আমরা সময় দিতে চাই। তার নেতৃত্ব দেশে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই আমরা। তারেক রহমান অচিরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করবে।
এম এ মালিক বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমান বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে নানা কর্মসূচি নিয়েছেন। দেশের সচেতন ও দেশপ্রেমিক মানুষের কাছে তারেক রহমানের এসব কর্মসূচি আলোচিত ও সমাদৃত হচ্ছে। তারেক রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ সংস্কারের কার্যক্রম সফলতা পাবে। তারেক রহমান আমাদের আশ্বস্ত করেছেন আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে সিলেটের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সাপ্তাহিক জয়যাত্রা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মিন্টুর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসন উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী, যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাংবাদিক নজরুল ইসলাম বাসন, সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও দক্ষিণ সুরমা বিএনপির সভাপতি মো. সাহাবুদ্দিন, সিলেট জেলা জজকোর্টের পিপি এ টি এম ফয়েজ উদ্দিন, সাবেক ছাত্রনেতা আলমগীর কুমকুম, আমেরিকা বিএনপি নেতা জাকারিয়া মাহমুদ, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আফিকুর চৌধুরী, যুক্তরাজ্য কার্ডিফ বিএনপি নেতা আশরাফ হোসেন, বিএনপি নেতা মাসশেকুর রহমান, আব্দুল বাসেত, মো জিল্লু মিয়া প্রমুখ।
এ ছাড়া মতবিনিময় সভায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, সুশীল সমাজ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে ১৪ মিলিয়ন ডলার লুটের প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট নগরের একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ দাবি করেন।
গণহত্যার জন্য শেখ হাসিনার বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবে মন্তব্য করে এম এ মালিক বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তবে সেই ফায়দা নিয়ে ভারত যাতে আমাদের না ঠকায়।
তিনি আরও বলেন, ভারতকে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশে ঘন ঘন বন্যার জন্য ভারত দায়ী।
এম এ মালিক বলেন, হাসিনার ছেলে জয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নানা অপকর্মের কারণে জেলে গেছেন। বাংলাদেশে তার মা ক্ষমতায় থাকাকালে টাকা পাচার করে বিদেশে বাড়ি-ঘর তৈরি করেছেন।
এম এ মালিক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে সজীব ওয়াজেদ জয় একাধিকবার জেলে গেছেন। তার বিরুদ্ধে ১৪ মিলিয়ন ডলার লুটের প্রমাণ আছে। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারের আমলে এসব খবর সংবাদপত্রে প্রকাশ করতে পারেনি কেউ। এছাড়া শেখ রেহানাকে খুশি করতে দেশ-বিদেশে তাকে বিলাসবহুল বাসা-গাড়ি উপহার দিয়েছেন নেতারা। তাদের এসব অপকর্মের প্রমাণ রয়েছে আমাদের কাছে।
তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারকে আমরা সময় দিতে চাই। তার নেতৃত্ব দেশে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই আমরা। তারেক রহমান অচিরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করবে।
এম এ মালিক বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমান বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে নানা কর্মসূচি নিয়েছেন। দেশের সচেতন ও দেশপ্রেমিক মানুষের কাছে তারেক রহমানের এসব কর্মসূচি আলোচিত ও সমাদৃত হচ্ছে। তারেক রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ সংস্কারের কার্যক্রম সফলতা পাবে। তারেক রহমান আমাদের আশ্বস্ত করেছেন আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে সিলেটের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সাপ্তাহিক জয়যাত্রা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মিন্টুর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসন উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী, যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাংবাদিক নজরুল ইসলাম বাসন, সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও দক্ষিণ সুরমা বিএনপির সভাপতি মো. সাহাবুদ্দিন, সিলেট জেলা জজকোর্টের পিপি এ টি এম ফয়েজ উদ্দিন, সাবেক ছাত্রনেতা আলমগীর কুমকুম, আমেরিকা বিএনপি নেতা জাকারিয়া মাহমুদ, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আফিকুর চৌধুরী, যুক্তরাজ্য কার্ডিফ বিএনপি নেতা আশরাফ হোসেন, বিএনপি নেতা মাসশেকুর রহমান, আব্দুল বাসেত, মো জিল্লু মিয়া প্রমুখ।
এ ছাড়া মতবিনিময় সভায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, সুশীল সমাজ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
২ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
২ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
২ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
২ দিন আগে