
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শেখ হাসিনার কোনো ক্ষমা নেই। তিনি এ জাতিকে ধ্বংস করেছেন। সুতরাং জবাব তাকে দিতেই হবে। তিনি যে অপরাধ করেছেন তাকে বলা হয় মানবতাবিরোধী অপরাধ। মানবতাবিরোধী অপরাধে তার বিচার হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলা বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা ১৬ বছর ধরে মার খেয়ে, জেলে গিয়ে অনেক অন্যায় জুলুমের শিকার হয়েছি। অনেক ত্যাগ স্বীকার করছি শুধু এ ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য। আমরা সবাই অনেক আশাবাদী, অন্তর্বর্তী সরকার জঞ্জাল দূর করে দেশের এমন একটি পরিবেশ তৈরি করবে, যে পরিবেশে সুস্থ উপায়ে ও সবার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেবে। সে নির্বাচনে জনগণের একটি পার্লামেন্ট তৈরি হবে।
বিএনপিও সংস্কার চায় বলে তিনি আরও বলেন, আমরা ৩১ দফা দিয়েছি দুই বছর আগে। বারবার বিষয়গুলো নিয়ে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এটা আমরা সরকারে না গেলে মেন্টেইন করতে পারবো না।
সব দিক চিন্তা করে সামনে যেন সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার ও পার্লামেন্ট হয়। আর যেন মানুষের প্রতি অন্যায় অত্যাচার না হয়। ছোট ছোট শিশুদের গুলি করে হত্যা করা না হয় শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য। বিষয়গুলো নিশ্চিত করার জন্য যার যার সঙ্গে কথা বলা ও যা ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন তাই করার জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে শেখ হাসিনার বিচার চেয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘৭১ সালে যুদ্ধ করেছিলাম পাকিস্তানের সঙ্গে। ২০২৪ সালে যুদ্ধ করতে হলো দেশের একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে। ছাত্র আন্দোলনে ঠাকুরগাঁওয়ের চারচন শহীদ ও হাজারো মানুষ আহত হয়েছেন। স্বৈরাচার হাসিনা ২০১২ সাল থেকে আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে। ৭০০’র বেশি মানুষকে গুম করা হয়েছে। হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ সাধারণ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে নিঃস্ব করা হয়েছে। তাদের আমলে ঠাকুরগাঁওয়ে ৯ জনকে হত্যা করা হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহতদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার জন্য বর্তমান সরকারের কাছে দাবি জানান তিনি।
এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল আমিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলি, সহ-সভাপতি সুলতানুল ফেরদৌস প্রমুখ।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শেখ হাসিনার কোনো ক্ষমা নেই। তিনি এ জাতিকে ধ্বংস করেছেন। সুতরাং জবাব তাকে দিতেই হবে। তিনি যে অপরাধ করেছেন তাকে বলা হয় মানবতাবিরোধী অপরাধ। মানবতাবিরোধী অপরাধে তার বিচার হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলা বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা ১৬ বছর ধরে মার খেয়ে, জেলে গিয়ে অনেক অন্যায় জুলুমের শিকার হয়েছি। অনেক ত্যাগ স্বীকার করছি শুধু এ ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য। আমরা সবাই অনেক আশাবাদী, অন্তর্বর্তী সরকার জঞ্জাল দূর করে দেশের এমন একটি পরিবেশ তৈরি করবে, যে পরিবেশে সুস্থ উপায়ে ও সবার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেবে। সে নির্বাচনে জনগণের একটি পার্লামেন্ট তৈরি হবে।
বিএনপিও সংস্কার চায় বলে তিনি আরও বলেন, আমরা ৩১ দফা দিয়েছি দুই বছর আগে। বারবার বিষয়গুলো নিয়ে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এটা আমরা সরকারে না গেলে মেন্টেইন করতে পারবো না।
সব দিক চিন্তা করে সামনে যেন সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার ও পার্লামেন্ট হয়। আর যেন মানুষের প্রতি অন্যায় অত্যাচার না হয়। ছোট ছোট শিশুদের গুলি করে হত্যা করা না হয় শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য। বিষয়গুলো নিশ্চিত করার জন্য যার যার সঙ্গে কথা বলা ও যা ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন তাই করার জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে শেখ হাসিনার বিচার চেয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘৭১ সালে যুদ্ধ করেছিলাম পাকিস্তানের সঙ্গে। ২০২৪ সালে যুদ্ধ করতে হলো দেশের একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে। ছাত্র আন্দোলনে ঠাকুরগাঁওয়ের চারচন শহীদ ও হাজারো মানুষ আহত হয়েছেন। স্বৈরাচার হাসিনা ২০১২ সাল থেকে আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে। ৭০০’র বেশি মানুষকে গুম করা হয়েছে। হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ সাধারণ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে নিঃস্ব করা হয়েছে। তাদের আমলে ঠাকুরগাঁওয়ে ৯ জনকে হত্যা করা হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহতদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার জন্য বর্তমান সরকারের কাছে দাবি জানান তিনি।
এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল আমিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলি, সহ-সভাপতি সুলতানুল ফেরদৌস প্রমুখ।

বার্তায় তিনি বলেন, “নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন আপনার হাতে। ‘হ্যাঁ’-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে। ‘হ্যাঁ’-তে আপনি নিজে সিল দিন। আপনার পরিচিত সবাইকে সিল দিতে উদ্বুদ্ধ করুন এবং তাদেরকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে আসুন। দেশ পাল্টে দিন। ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার এই সুযোগ নেবো।”
৯ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তায় যেন কোনো ধরনের ফাঁক না থাকে।
১০ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।
১০ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, আফিয়ার মতো দেশে এমন অসংখ্য অসহায় পরিবার আছে। বিএনপি প্রচলিত রাজনীতির বাইরে এমন আফিয়াদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা সব সময় করে আসছে। তবে, শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে এই বিশাল দায়িত্ব বহন করা বিএনপির জন্য অত্যন্ত কঠিন। সেজন্য আমরা বলেছি, বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন পেলে আগামীতে সরকার গ
১০ ঘণ্টা আগে