
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীবলেন, ‘গত দেড় দশকে শেখ হাসিনা নিজে ও পরিবারের লোকজনের সমন্বয়ে দেশে গোষ্ঠীতন্ত্র কায়েম করেছিলেন। এখন শেখ হাসিনা পাশের দেশ থেকে কর্মসূচির ঘোষণা দিচ্ছেন। আর যে কয়জন ধরা পড়ে জেলখানায় আছেন তাদের মধ্যে একজন দরবেশ (সালমান এফ রহমান) আছেন, তিনি কারাগার থেকে ঝাড়ফুক দিচ্ছেন।’।
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর রমনাস্থ ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) এর সেমিনার হলে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এই আলোচনাসভার আয়োজন করে প্রকৌশলীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (এ্যাব)।
তিনি বলেন, আমাদেরকে কারাগারে নিয়ে মাদকসেবী ও ফাঁসির আসামিদের সঙ্গে রাখা হত। আমাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে নির্যাতন নিপীড়ন করা হয়েছে। শেখ হাসিনার নির্দেশে গুম-খুন করা হয়েছে। যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকার সংস্কারের কথা বলছে, যেটা ভালো। কিন্তু সংস্কারের নামে আপনারা সময়ক্ষেপন করবেন না। এমন সংস্কার আনুন যাতে ফ্যাসিবাদ পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে, যাতে মানুষ ন্যায় বিচার পায়। এমন সংস্কার আনুন যাতে ফ্যাসিবাদের কবর রচনা হয়। আর যেন কোনো ফ্যাসিবাদের জন্ম না হয়। তা না হলে মানুষ আপনাদেগর ভালোভাবে নেবে না।’
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সম্পর্কে রিজভী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বহুমুখী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। স্বল্প পরিসরে তাকে নিয়ে আলোচনা করা কঠিন। তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বিরাট বিস্তৃত। তিনি একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক। যথাসময়ে দেশের মানুষের প্রয়োজন বুঝতে পেরেছিলেন। তার গুণাবলী ছিল অপরিসীম।’
মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের অবদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তৎকালীন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন দ্বিধান্বিত। সেসময় তিনি কি করবেন, কি করবেন না, এমন সময় শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা শুনে দেশের মানুষ উদ্বেলিত হয়ে ওঠে। পলাতক প্রধানমন্ত্রীর স্বামী ড. ওয়াজেদ তার বইয়ে লিখে গেছেন যে, জিয়াউর রহমান ও তার অবদান মুছে ফেলতে সব চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র করেছিলেন পলাতক প্রধানমন্ত্রী।’
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে জনগণের প্রতি আওয়ামী লীগের আচরণ মানুষ দেখেছে। আওয়ামী লীগের কোন্দল ও পাল্টা কোন্দলে ১৫ আগস্ট ঘটেছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ঘোষণার মাধ্যমে দেশের সব শ্রেণির মানুষকে একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসেন। যার বিশালতা অনেক। কি পররাষ্ট্রনীতি, কি শিক্ষানীতি কিংবা আত্মনির্ভরশীল হওয়ার ক্ষেত্রে সব খাতে জিয়াউর রহমানের অবদান রয়েছে।’
রিজভী বলেন, ‘ছাত্রিশিবির তাদের একটি লেখার মধ্যে মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করেছে। এটি কেনো ? মুক্তিযুদ্ধকে কটাক্ষ করে রাজনীতি কখনোই সফল হবে না। আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধ। সেটাকে ছোট করে, কটাক্ষ করে রাজনীতি কখনোই সফল হবে না। আমরা সব চেতনাকে ঐক্যবদ্ধ করে সব শান্তিতে থাকতে চাই।’
এ্যাবের সভাপতি ও আইইবির প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজুর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম মহাসচিব প্রকৌশলী একেএম আসাদুজ্জামান চুন্নুর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন এ্যাবের মহাসচিব প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদ, প্রকৌশলী আব্দুল হালিম মিয়া, সহসভাপতি প্রকৌশলী মো. মোস্তাফা-ই জামান সেলিম (সিআইপি), ও আইইবি ঢাকা সেন্টারের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন তালুকদার প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু বলেন, ‘দেশের এমন কোনো খাত নেই যেখানে জিয়াউর রহমানের হাতের স্পর্শ লাগে নাই ? তিনি দেশের কৃষি, গার্মেন্টস শিল্প, জনশক্তি রপ্তানি থেকে শুরু করে বহুমুখী উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করে দেশকে আত্মনির্ভরশীল ও উন্নতির দিকে নিয়ে যান। জিয়াউর রহমানের মন্ত্রীসভা কিন্তু প্রকৌশলীদের সম্পৃক্ততা ছিল। আজকে দুর্ভাগ্যজনক যে, রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রকৌশলীদের অংশগ্রহণ খুব বেশি নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করছি বিএনপি ক্ষমতায় আসলে বঞ্চিত প্রকৌশলীদের মূল্যায়ন করা হবে। আমরা সবাই শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে দেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।’
আলমগীর হাছিন আহমেদ বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলীদের ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়েছে। চরম মাত্রায় দুর্নীতি হয়েছে। প্রকৌশলীদের বলব ভুল এবং লুটপাটের প্রকল্পের দিকে যেন আমরা সম্পৃক্ত না হই সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তা না হলে দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি কিছুই হবে না।’
প্রকৌশলী মো. মোস্তাফা-ই জামান সেলিম বলেন, ‘একাত্তরে দেশের মানুষ যখন দিশেহারা তখন কিন্তু আওয়ামী লীগের কোনো ভুমিকা ছিলো না। একজন সাধারণ মেজর মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধে লড়াই করেছেন। এরপর বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিলেন। পরবর্তীতে শেখ মুজিবুর রহমান দেশে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিলেন। কিন্তু জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দেন।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীবলেন, ‘গত দেড় দশকে শেখ হাসিনা নিজে ও পরিবারের লোকজনের সমন্বয়ে দেশে গোষ্ঠীতন্ত্র কায়েম করেছিলেন। এখন শেখ হাসিনা পাশের দেশ থেকে কর্মসূচির ঘোষণা দিচ্ছেন। আর যে কয়জন ধরা পড়ে জেলখানায় আছেন তাদের মধ্যে একজন দরবেশ (সালমান এফ রহমান) আছেন, তিনি কারাগার থেকে ঝাড়ফুক দিচ্ছেন।’।
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর রমনাস্থ ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) এর সেমিনার হলে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এই আলোচনাসভার আয়োজন করে প্রকৌশলীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (এ্যাব)।
তিনি বলেন, আমাদেরকে কারাগারে নিয়ে মাদকসেবী ও ফাঁসির আসামিদের সঙ্গে রাখা হত। আমাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে নির্যাতন নিপীড়ন করা হয়েছে। শেখ হাসিনার নির্দেশে গুম-খুন করা হয়েছে। যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকার সংস্কারের কথা বলছে, যেটা ভালো। কিন্তু সংস্কারের নামে আপনারা সময়ক্ষেপন করবেন না। এমন সংস্কার আনুন যাতে ফ্যাসিবাদ পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে, যাতে মানুষ ন্যায় বিচার পায়। এমন সংস্কার আনুন যাতে ফ্যাসিবাদের কবর রচনা হয়। আর যেন কোনো ফ্যাসিবাদের জন্ম না হয়। তা না হলে মানুষ আপনাদেগর ভালোভাবে নেবে না।’
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সম্পর্কে রিজভী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বহুমুখী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। স্বল্প পরিসরে তাকে নিয়ে আলোচনা করা কঠিন। তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বিরাট বিস্তৃত। তিনি একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক। যথাসময়ে দেশের মানুষের প্রয়োজন বুঝতে পেরেছিলেন। তার গুণাবলী ছিল অপরিসীম।’
মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের অবদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তৎকালীন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন দ্বিধান্বিত। সেসময় তিনি কি করবেন, কি করবেন না, এমন সময় শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা শুনে দেশের মানুষ উদ্বেলিত হয়ে ওঠে। পলাতক প্রধানমন্ত্রীর স্বামী ড. ওয়াজেদ তার বইয়ে লিখে গেছেন যে, জিয়াউর রহমান ও তার অবদান মুছে ফেলতে সব চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র করেছিলেন পলাতক প্রধানমন্ত্রী।’
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে জনগণের প্রতি আওয়ামী লীগের আচরণ মানুষ দেখেছে। আওয়ামী লীগের কোন্দল ও পাল্টা কোন্দলে ১৫ আগস্ট ঘটেছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ঘোষণার মাধ্যমে দেশের সব শ্রেণির মানুষকে একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসেন। যার বিশালতা অনেক। কি পররাষ্ট্রনীতি, কি শিক্ষানীতি কিংবা আত্মনির্ভরশীল হওয়ার ক্ষেত্রে সব খাতে জিয়াউর রহমানের অবদান রয়েছে।’
রিজভী বলেন, ‘ছাত্রিশিবির তাদের একটি লেখার মধ্যে মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করেছে। এটি কেনো ? মুক্তিযুদ্ধকে কটাক্ষ করে রাজনীতি কখনোই সফল হবে না। আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধ। সেটাকে ছোট করে, কটাক্ষ করে রাজনীতি কখনোই সফল হবে না। আমরা সব চেতনাকে ঐক্যবদ্ধ করে সব শান্তিতে থাকতে চাই।’
এ্যাবের সভাপতি ও আইইবির প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজুর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম মহাসচিব প্রকৌশলী একেএম আসাদুজ্জামান চুন্নুর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন এ্যাবের মহাসচিব প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদ, প্রকৌশলী আব্দুল হালিম মিয়া, সহসভাপতি প্রকৌশলী মো. মোস্তাফা-ই জামান সেলিম (সিআইপি), ও আইইবি ঢাকা সেন্টারের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন তালুকদার প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু বলেন, ‘দেশের এমন কোনো খাত নেই যেখানে জিয়াউর রহমানের হাতের স্পর্শ লাগে নাই ? তিনি দেশের কৃষি, গার্মেন্টস শিল্প, জনশক্তি রপ্তানি থেকে শুরু করে বহুমুখী উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করে দেশকে আত্মনির্ভরশীল ও উন্নতির দিকে নিয়ে যান। জিয়াউর রহমানের মন্ত্রীসভা কিন্তু প্রকৌশলীদের সম্পৃক্ততা ছিল। আজকে দুর্ভাগ্যজনক যে, রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রকৌশলীদের অংশগ্রহণ খুব বেশি নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করছি বিএনপি ক্ষমতায় আসলে বঞ্চিত প্রকৌশলীদের মূল্যায়ন করা হবে। আমরা সবাই শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে দেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।’
আলমগীর হাছিন আহমেদ বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলীদের ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়েছে। চরম মাত্রায় দুর্নীতি হয়েছে। প্রকৌশলীদের বলব ভুল এবং লুটপাটের প্রকল্পের দিকে যেন আমরা সম্পৃক্ত না হই সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তা না হলে দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি কিছুই হবে না।’
প্রকৌশলী মো. মোস্তাফা-ই জামান সেলিম বলেন, ‘একাত্তরে দেশের মানুষ যখন দিশেহারা তখন কিন্তু আওয়ামী লীগের কোনো ভুমিকা ছিলো না। একজন সাধারণ মেজর মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধে লড়াই করেছেন। এরপর বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিলেন। পরবর্তীতে শেখ মুজিবুর রহমান দেশে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিলেন। কিন্তু জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দেন।’

রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদে অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমদকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
অন্যদিকে জোটের তিন দলের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো আসন চূড়ান্ত করা হয়নি, যার মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এখনো এ জোটে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তাই কাটেনি। দলটি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতও ছিল না।
২০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা নিয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিল না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এই ইস্যুতে কাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল তিনটার দিকে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন এই দলটি।
২০ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা।
২১ ঘণ্টা আগে