
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে ছাত্র আন্দোলন এবং সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যাহারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের আন্দোলনে বিএনপি নৈতিক সমর্থন জানিয়েছে।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই সমর্থনের কথা জানান।
তিনি বলেন, এ দুটি আন্দোলন ‘ন্যায্য’ ও ‘যৌক্তিক’ মনে করে বিএনপি।
গত বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির জরুরি সভা হয়। সেখানে ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পৃথক যৌক্তিক আন্দোলনে দলের নৈতিক সমর্থনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয় বলে জানান তিনি।
বিএনপি নেতা বলেন, ‘সাধারণ ছাত্রসমাজের কোটা সংস্কার আন্দোলনের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবির সঙ্গে আমরা একমত। আইন ও বিচার বিভাগের দোহাই দিয়ে ছাত্রসমাজের যৌক্তিক দাবিগুলো দমানোর সব অপচেষ্টাই ব্যর্থ হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। কারণ, ইতিহাসের শিক্ষা হচ্ছে জনগণের ন্যায়সংগত আন্দোলন কখনোই দমানো যায় না।’
বিএনপি কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ভর করছে কি না-এমন এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি তো একটি রাজনৈতিক দল। দেশের ভেতরে যা হচ্ছে, তার প্রতিক্রিয়া তো বিএনপিকে দিতেই হবে। এটা ছাত্রদের আন্দোলন। এখানে বিএনপির সম্পৃক্ত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তাই বলে ন্যায্য আন্দোলনে নৈতিক সমর্থন করব না?’
তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা, নারী, শারীরিক প্রতিবন্ধীসহ কিছু ক্ষেত্রে কোটা থাকতে পারে। সেটা কিছুতেই ৫৬ শতাংশ নয়, বড় জোর ৫ থেকে ১০ শতাংশ হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ আছে। এমনিতেই মুক্তিযোদ্ধা নেই, প্রায় শেষ হয়ে গেছে। আমাদের বয়সের যাঁরা আছেন, তাঁদের সন্তানেরা আছেন, তাঁরা পাবেন, সেটাতে আপত্তি নেই আমাদের। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার নাম করে যে কাউকে মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিয়ে, হাজার হাজার সার্টিফিকেট দিয়ে...সেটা অযৌক্তিক।’
কোটাবিরোধী আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মির্জা ফখরুল মন্তব্য করেন, ৫৬ শতাংশ কোটাব্যবস্থা বহাল রেখে প্রযুক্তি ও মেধানির্ভর বিশ্বব্যবস্থায় জাতি হিসেবে টিকে থাকা প্রায়অসম্ভব।
ফখরুল বলেন, প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি—কোনো শ্রেণিতেই কোটাপদ্ধতি মেধা বিকাশে সহায়ক হতে পারে না।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের
আন্দোলনে সমর্থন
বিএনপির মহাসচিব পেনশন স্কিম প্রত্যাহারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলন সমর্থনেরও ব্যাখ্যা দেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগে আমি (শিক্ষক-কর্মকর্তা) যেসব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতাম, সেগুলো থেকে আমাকে সরিয়ে নিচে নিয়ে যাবেন, সেটা তো হয় না। শিক্ষকদের বিষয়টি সংবেদনশীল এই কারণে যে তাঁদের তো অন্য কোনো আয়ের উৎস নেই। অন্যান্যদের চুরিচামারি, দুর্নীতি ইত্যাদি ইত্যাদি থাকতে পারে, তাঁদের তো সেটা নেই।তাঁদের বেতনের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব অবিলম্বে পেনশন স্কিম প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে ছাত্র আন্দোলন এবং সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যাহারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের আন্দোলনে বিএনপি নৈতিক সমর্থন জানিয়েছে।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই সমর্থনের কথা জানান।
তিনি বলেন, এ দুটি আন্দোলন ‘ন্যায্য’ ও ‘যৌক্তিক’ মনে করে বিএনপি।
গত বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির জরুরি সভা হয়। সেখানে ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পৃথক যৌক্তিক আন্দোলনে দলের নৈতিক সমর্থনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয় বলে জানান তিনি।
বিএনপি নেতা বলেন, ‘সাধারণ ছাত্রসমাজের কোটা সংস্কার আন্দোলনের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবির সঙ্গে আমরা একমত। আইন ও বিচার বিভাগের দোহাই দিয়ে ছাত্রসমাজের যৌক্তিক দাবিগুলো দমানোর সব অপচেষ্টাই ব্যর্থ হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। কারণ, ইতিহাসের শিক্ষা হচ্ছে জনগণের ন্যায়সংগত আন্দোলন কখনোই দমানো যায় না।’
বিএনপি কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ভর করছে কি না-এমন এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি তো একটি রাজনৈতিক দল। দেশের ভেতরে যা হচ্ছে, তার প্রতিক্রিয়া তো বিএনপিকে দিতেই হবে। এটা ছাত্রদের আন্দোলন। এখানে বিএনপির সম্পৃক্ত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তাই বলে ন্যায্য আন্দোলনে নৈতিক সমর্থন করব না?’
তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা, নারী, শারীরিক প্রতিবন্ধীসহ কিছু ক্ষেত্রে কোটা থাকতে পারে। সেটা কিছুতেই ৫৬ শতাংশ নয়, বড় জোর ৫ থেকে ১০ শতাংশ হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ আছে। এমনিতেই মুক্তিযোদ্ধা নেই, প্রায় শেষ হয়ে গেছে। আমাদের বয়সের যাঁরা আছেন, তাঁদের সন্তানেরা আছেন, তাঁরা পাবেন, সেটাতে আপত্তি নেই আমাদের। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার নাম করে যে কাউকে মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিয়ে, হাজার হাজার সার্টিফিকেট দিয়ে...সেটা অযৌক্তিক।’
কোটাবিরোধী আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মির্জা ফখরুল মন্তব্য করেন, ৫৬ শতাংশ কোটাব্যবস্থা বহাল রেখে প্রযুক্তি ও মেধানির্ভর বিশ্বব্যবস্থায় জাতি হিসেবে টিকে থাকা প্রায়অসম্ভব।
ফখরুল বলেন, প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি—কোনো শ্রেণিতেই কোটাপদ্ধতি মেধা বিকাশে সহায়ক হতে পারে না।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের
আন্দোলনে সমর্থন
বিএনপির মহাসচিব পেনশন স্কিম প্রত্যাহারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলন সমর্থনেরও ব্যাখ্যা দেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগে আমি (শিক্ষক-কর্মকর্তা) যেসব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতাম, সেগুলো থেকে আমাকে সরিয়ে নিচে নিয়ে যাবেন, সেটা তো হয় না। শিক্ষকদের বিষয়টি সংবেদনশীল এই কারণে যে তাঁদের তো অন্য কোনো আয়ের উৎস নেই। অন্যান্যদের চুরিচামারি, দুর্নীতি ইত্যাদি ইত্যাদি থাকতে পারে, তাঁদের তো সেটা নেই।তাঁদের বেতনের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব অবিলম্বে পেনশন স্কিম প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

শনিবার (২২ আগস্ট) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-২-এর সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
১ দিন আগে
শুক্রবার মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হওয়া মন্ত্রীদের সঙ্গে শপথ নিয়েছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও। তিনি মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ছয় মাসের যাত্রায় ‘পদোন্নতি’ পেলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে ছিলেন তিনি, একই মন্ত্রণালয়ে তাকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দে
২ দিন আগে
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে