খেলাধুলায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে: আমীর খসরু

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

খেলাধুলায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গ্রামের নারীদের খেলোয়াড় বানানোর জন্য বিএনপি পরিকল্পনা করেছে। নারীদের সম্ভাবনাকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেখানে বিনিয়োগ করবে বিএনপি। নারীরা যেন সব কিছুতে অংশ নিতে পারে, এসব জায়গায় কাজ করবে বিএনপি।

রবিবার রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ঢাকা ফোরাম আয়োজিত ‘জাতি গঠনে নারী: নীতি, সম্ভাবনা ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

আমীর খসরু বলেন, দেশে চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা সম্ভব হয়েছে কি না তা প্রথমে দেখা উচিত।

তিনি বলেন, নারীদের জীবনমান উন্নয়নে যে পরিকল্পনা করা হয়েছে, তার বাজেট কোথা থেকে আসবে তা নিয়েও বাস্তববাদী চিন্তা করেছে বিএনপি।

আমীর খসরু বলেন, শুধু রাজনীতিতে নয়, দেশের অর্থনীতিতেও নারীদের অংশগ্রহণ চিন্তা করতে হবে, যাতে দেশের অর্থনীতিতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কর্মসংস্থানে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হলে দক্ষতা বাড়াতে হবে। প্রত্যন্ত এলাকায় নারীদের আর্থিক সহায়তা বাড়াতে হবে। নারীদের কাজকে মার্কেটিং, ব্র্যান্ডিং ও ডিজাইন সাপোর্ট দিলে তাদের জীবনযাপনের চিত্র পালটে যাবে।

বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে তা নিয়ে দীর্ঘ বছর গবেষণা করা হয়েছে, যা আগামীতে সুযোগ পেলে বাস্তবায়ন করা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন বিএনপির সাবেক এই মন্ত্রী।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, সিপিডি পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, সমাজকর্মী ও উদ্যোক্তা তামারা আবেদ, বার্জার পেইন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী চৌধুরীসহ আরও অনেকে।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

‘বিএনপি জুলাই সনদের দাবি অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পথ চলব। দেশের স্বার্থের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।’

২ দিন আগে

ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করব— রয়টার্সকে শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’

২ দিন আগে

কোনোভাবেই আমি প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’

৩ দিন আগে

প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে: রাশেদ

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

৩ দিন আগে