
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বিএনপির তৃতীয় দফা বৈঠক আজ অনুষ্ঠিত হবে। বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের এলডি হলের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক হবে। এতে অংশ নেবেন দলটির স্থায়ী কমিটি সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, সাবেক সংস্থাপন সচিব আবু মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
এর আগে, গত ১৭ এপ্রিল প্রথম দফা এবং ২০ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা বৈঠক হয়। এসব বৈঠকে সংবিধান সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, পুলিশ সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন, দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের দেওয়া প্রস্তাবের ওপর বিস্তারিত আলোচনা হয়।
রোববারের বৈঠক শেষে সালাহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছেন, আমরা বলেছি যে রাষ্ট্রপতির বিদ্যমান ক্ষমতার বাইরে আর কী কী বিষয়ে ক্ষমতায়িত করা যায়, আইন প্রণয়ন করা যায় সেসব কিছু বিষয়ে এবং নিয়োগের কিছু বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। সেগুলো নতুন আইন প্রণয়ন করে সংসদে প্রণীত করা যাবে। সেক্ষেত্রে চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স এবং রাষ্ট্রপতিকে মোর এমপাওয়ার করা সেটা নিশ্চিত করা হবে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বিএনপির তৃতীয় দফা বৈঠক আজ অনুষ্ঠিত হবে। বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের এলডি হলের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক হবে। এতে অংশ নেবেন দলটির স্থায়ী কমিটি সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, সাবেক সংস্থাপন সচিব আবু মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
এর আগে, গত ১৭ এপ্রিল প্রথম দফা এবং ২০ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা বৈঠক হয়। এসব বৈঠকে সংবিধান সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, পুলিশ সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন, দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের দেওয়া প্রস্তাবের ওপর বিস্তারিত আলোচনা হয়।
রোববারের বৈঠক শেষে সালাহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছেন, আমরা বলেছি যে রাষ্ট্রপতির বিদ্যমান ক্ষমতার বাইরে আর কী কী বিষয়ে ক্ষমতায়িত করা যায়, আইন প্রণয়ন করা যায় সেসব কিছু বিষয়ে এবং নিয়োগের কিছু বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। সেগুলো নতুন আইন প্রণয়ন করে সংসদে প্রণীত করা যাবে। সেক্ষেত্রে চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স এবং রাষ্ট্রপতিকে মোর এমপাওয়ার করা সেটা নিশ্চিত করা হবে।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে