
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছে বিএনপি।
শুক্রবার (০৮ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ শুরু হয়। পরে ৩টা ৩৫ মিনিটে এই শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শোভাযাত্রাটি মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি, জাতীয়তাবাদী যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, মহিলা দল, মৎস্যজীবী দল, ওলামা দল, জাসাসসহ বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা আলাদা আলাদা ব্যানারে শোভাযাত্রায় যোগ দিয়েছেন।
শোভাযাত্রায় নেতাকর্মীদের হাতে বিভিন্ন ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড ছিল। দেশাত্মবোধক গান, বাউল গান, ঢোলের তালে তালে ও মাইকে স্লোগানে স্লোগানে শোভাযাত্রাটি এগিয়ে যেতে থাকে। স্বাধীনতার অপর নাম জিয়াউর রহমান, গণতন্ত্রের অপর নাম জিয়াউর রহমান, তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে- ইত্যাদি স্লোগান ভেসে আসতে থাকে শোভাযাত্রা থেকে।
এর আগে সকাল থেকেই ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও আশপাশের জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা ছোট ছোট মিছিল আকারে নয়াপল্টনে জড়ো হন। নয়াপল্টন, কাকরাইল, ফকিরাপুল, শান্তিনগর, মতিঝিলসহ আশপাশের এলাকার অলিগলিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ভিড় দেখা যায়।
শোভাযাত্রা শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করা হয়। এতে কোরআন পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত করেন ওলামা দলের আহ্বায়ক কাজী মো সেলিম রেজা।
নয়াপল্টন থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে কাকরাইল মোড়, কাকরাইল মসজিদ, মৎস্য ভবন মোড়, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে দিয়ে শাহবাগ মোড় যাবে। এরপর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শোভাযাত্রা শেষ হবে।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছে বিএনপি।
শুক্রবার (০৮ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ শুরু হয়। পরে ৩টা ৩৫ মিনিটে এই শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শোভাযাত্রাটি মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি, জাতীয়তাবাদী যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, মহিলা দল, মৎস্যজীবী দল, ওলামা দল, জাসাসসহ বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা আলাদা আলাদা ব্যানারে শোভাযাত্রায় যোগ দিয়েছেন।
শোভাযাত্রায় নেতাকর্মীদের হাতে বিভিন্ন ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড ছিল। দেশাত্মবোধক গান, বাউল গান, ঢোলের তালে তালে ও মাইকে স্লোগানে স্লোগানে শোভাযাত্রাটি এগিয়ে যেতে থাকে। স্বাধীনতার অপর নাম জিয়াউর রহমান, গণতন্ত্রের অপর নাম জিয়াউর রহমান, তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে- ইত্যাদি স্লোগান ভেসে আসতে থাকে শোভাযাত্রা থেকে।
এর আগে সকাল থেকেই ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও আশপাশের জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা ছোট ছোট মিছিল আকারে নয়াপল্টনে জড়ো হন। নয়াপল্টন, কাকরাইল, ফকিরাপুল, শান্তিনগর, মতিঝিলসহ আশপাশের এলাকার অলিগলিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ভিড় দেখা যায়।
শোভাযাত্রা শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করা হয়। এতে কোরআন পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত করেন ওলামা দলের আহ্বায়ক কাজী মো সেলিম রেজা।
নয়াপল্টন থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে কাকরাইল মোড়, কাকরাইল মসজিদ, মৎস্য ভবন মোড়, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে দিয়ে শাহবাগ মোড় যাবে। এরপর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শোভাযাত্রা শেষ হবে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
২ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
২ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
২ দিন আগে