
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কারের সঙ্গে নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রয়োজন। তাহলেই দেশের জনগণ বুঝতে পারবে দেশে চলমান সংস্কার কার্যক্রম একটি গণতান্ত্রিক পন্থায় যাচ্ছে। তাহলেই জনগণ গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাবে।’
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে আওয়ামী দুর্বৃত্ত কর্তৃক পুড়িয়ে দেওয়া কক্সবাজার জেলা বিএনপির কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘ছাত্র-জনতার নজিরবিহীন রক্তস্নাত বিপ্লবের মাধ্যমে পাওয়া বিজয়কে অর্থবহ করতে হবে। দেশকে প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে উপহার দিতে হবে। অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র থেকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। দেশে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। দল-মত নির্বিশেষে গণতন্ত্রের সুফল দেশের মানুষকে ভোগ করতে হবে। এ সরকার ব্যর্থ হলে জনগণ ব্যর্থ হবে। তাই এ সরকারকে কোনোভাবেই ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ যে একটি আইনের শাসনের রাষ্ট্র তা বিশ্ববাসীকে দেখাতে হবে। স্বাধীন রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে যেন সবাই মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারে, এজন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এছাড়া, যারা আয়না ঘর বানিয়ে গুম, খুন নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, তাদের এদেশের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। স্বৈরাচারের হাতে নির্মমভাবে গুমের স্বীকার হওয়া এই নেতা ছাত্র-আন্দোলনে নিহতদের কথা স্মরণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমেদ, কেন্দ্রীয় বিএনপির মৎস্যজীবী সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল, জেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক হুইপ শাহজাহান চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক শামীম আরা স্বপ্না প্রমুখ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কারের সঙ্গে নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রয়োজন। তাহলেই দেশের জনগণ বুঝতে পারবে দেশে চলমান সংস্কার কার্যক্রম একটি গণতান্ত্রিক পন্থায় যাচ্ছে। তাহলেই জনগণ গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাবে।’
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে আওয়ামী দুর্বৃত্ত কর্তৃক পুড়িয়ে দেওয়া কক্সবাজার জেলা বিএনপির কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘ছাত্র-জনতার নজিরবিহীন রক্তস্নাত বিপ্লবের মাধ্যমে পাওয়া বিজয়কে অর্থবহ করতে হবে। দেশকে প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে উপহার দিতে হবে। অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র থেকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। দেশে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। দল-মত নির্বিশেষে গণতন্ত্রের সুফল দেশের মানুষকে ভোগ করতে হবে। এ সরকার ব্যর্থ হলে জনগণ ব্যর্থ হবে। তাই এ সরকারকে কোনোভাবেই ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ যে একটি আইনের শাসনের রাষ্ট্র তা বিশ্ববাসীকে দেখাতে হবে। স্বাধীন রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে যেন সবাই মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারে, এজন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এছাড়া, যারা আয়না ঘর বানিয়ে গুম, খুন নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, তাদের এদেশের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। স্বৈরাচারের হাতে নির্মমভাবে গুমের স্বীকার হওয়া এই নেতা ছাত্র-আন্দোলনে নিহতদের কথা স্মরণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমেদ, কেন্দ্রীয় বিএনপির মৎস্যজীবী সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল, জেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক হুইপ শাহজাহান চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক শামীম আরা স্বপ্না প্রমুখ।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে