
কুমিল্লা প্রতিনিধি

বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক আমিন-উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, শেখ হাসিনা স্বৈরাচার ছিলেন। বাংলাদেশের মানুষ তাকে খেদিয়ে দিয়েছে।
ভারতের এত জ্বলে তার কারণ একটাই, শেখ হাসিনা থাকাকালে যা ইচ্ছা তা চুক্তি করে বাংলাদেশকে তাদের অঙ্গরাজ্য করার স্বপ্ন দেখছিল ভারত। শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার পর তাদের সে স্বপ্ন ভেঙে গেছে।
ভারতে আমাদের পতাকা অসম্মান করা হয়েছে। এছাড়া আমাদের সহকারী হাইকমিশনে যে তিরস্কারজনক হামলা হয়েছে, আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি, যোগ করেন তিনি।
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) কুমিল্লা মহানগর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে কুমিল্লার কান্দিরপাড়ের দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এ মিছিল বের হয়।
এসময় বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, তারা এখন চেষ্টা করছেন, বিভিন্নভাবে আমাদের উসকানি দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আমাদের দুর্বল করতে। যারা এ চিন্তা করছেন, তাদের প্রতি আমার অনুরোধ, কোনো লাভ হবে না। আপনারাও স্বপ্ন দেখেছিলেন কেয়ামত পর্যন্ত শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখবেন। আল্লাহর রহমতে জনগণের প্রতিবাদের মুখে নোটিশ না দিয়েই ফ্লাই করতে হয়েছে- যে দাদা আমি নামতেছি, আমারে জায়গা দাও। একটা কথা জেনে রাখুন, বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের নামে কোনো রকম কোনো কম্প্রোমাইজ করবে না।
মিছিলটি নগরের কেন্দ্রস্থল কান্দিরপাড় থেকে শুরু করে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। কুমিল্লা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক উৎবাতুল বারী আবু, সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু এবং যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ বিএনপি ও এর অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক আমিন-উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, শেখ হাসিনা স্বৈরাচার ছিলেন। বাংলাদেশের মানুষ তাকে খেদিয়ে দিয়েছে।
ভারতের এত জ্বলে তার কারণ একটাই, শেখ হাসিনা থাকাকালে যা ইচ্ছা তা চুক্তি করে বাংলাদেশকে তাদের অঙ্গরাজ্য করার স্বপ্ন দেখছিল ভারত। শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার পর তাদের সে স্বপ্ন ভেঙে গেছে।
ভারতে আমাদের পতাকা অসম্মান করা হয়েছে। এছাড়া আমাদের সহকারী হাইকমিশনে যে তিরস্কারজনক হামলা হয়েছে, আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি, যোগ করেন তিনি।
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) কুমিল্লা মহানগর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে কুমিল্লার কান্দিরপাড়ের দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এ মিছিল বের হয়।
এসময় বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, তারা এখন চেষ্টা করছেন, বিভিন্নভাবে আমাদের উসকানি দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আমাদের দুর্বল করতে। যারা এ চিন্তা করছেন, তাদের প্রতি আমার অনুরোধ, কোনো লাভ হবে না। আপনারাও স্বপ্ন দেখেছিলেন কেয়ামত পর্যন্ত শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখবেন। আল্লাহর রহমতে জনগণের প্রতিবাদের মুখে নোটিশ না দিয়েই ফ্লাই করতে হয়েছে- যে দাদা আমি নামতেছি, আমারে জায়গা দাও। একটা কথা জেনে রাখুন, বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের নামে কোনো রকম কোনো কম্প্রোমাইজ করবে না।
মিছিলটি নগরের কেন্দ্রস্থল কান্দিরপাড় থেকে শুরু করে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। কুমিল্লা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক উৎবাতুল বারী আবু, সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু এবং যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ বিএনপি ও এর অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে