
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

‘আজিজ-বেনজীর-মতিউরের মতোই আরও দুর্নীতিবাজ সরকারের আশ্রয়েই আছে’ বলে দাবি করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। আজ শুক্রবার সকালে এক বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্যকালে এই দাবি করেন তিনি।
ফারুক বলেন, ‘আজকে কোথায় বেনজীর (সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদ), কোথায় আজিজ (সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ), কোথায় মতিউর (রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান)? আবার নতুন করে ফয়সলেরা আবিস্কার হয়েছে।”
‘‘ বাংলাদেশে এভাবে বহুলোক সরকারের আশ্রয়ে আছে যারা কোটি কোটি-হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে বিদেশের মাটিতে বাড়ি করে সুইমিং পুল তৈরি করে রাত্রে সাঁতার কাটে। এসব লোকদেরকেও আপনাকে বের করতে হবে। নইলে বাংলাদেশের মানুষ আপনাকে কোনো দিনও ক্ষমা করবে না।”
বিরোধী দলের সাবেক প্রধান হুইপ বলেন, ‘‘ ওবায়দুল কাদের সাহেব (আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক) যেভাবেই কথা বলছেন, কথা বলেন। বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত সচেতন। ক্ষমতায় টিকে আছেন আমলাতন্ত্র দিয়ে, কিছু সংখ্যক আমলা দিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে আপনাদের পক্ষে এক দিনের জন্য এখনো নিতে পারেন নাই।”
‘‘ তাই ভাইয়ে ভাইয়ে নির্বাচন, ডামি নির্বাচন। এমপি হবেন, এমপির ছেলে উপজেলা চেয়ারম্যান হবে, এমপির বউ পৌরসভার চেয়ারম্যান হবেন, এমপির ভাগিনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হবে এটা বাংলাদেশের জনগণ কখনো চায় না। বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে, তারেক রহমানকে দেশের বাইরে রেখে, চৌধুরী আলম, ইলিয়াস আলীকে গুম করে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল, মির্জা আব্বাসদের জেলে রেখে আপনারা মনে করেছেন এদেশে বিএনপির রাজপথের আন্দোলনকে ঠেকাবেন। আমরা বলে দিতে চাই, এটা জনগণ, বিএনপি কখনো মেনে নেবে না।”
‘ভারতের সাথে অসম চুক্তি জনগণ মানে না’
ফারুক বলেন, ‘‘ বক্তব্য স্পষ্ট…আমার বুকের ওপর দিয়ে আপনি রেললাইন নির্মাণ করবেন, আমার স্বাধীন ভূমির ওপর দিয়ে আপনি রেললাইন নির্মাণ করে আপনি ত্রিশ ঘণ্রটা পথ সাত ঘণ্টা করবেন। আমাদের আপত্তি একটাই যে, আমার সার্বভৌম দেশ যে দেশের জন্য হাফ পেন্ট পরে খালি পায়ে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি…. নির্মম সত্য হলেও বলতে হয় সেই কথা আপনাদের মনে নাই। আপনাদের তখন কি মনের ভেতরে ছিলো জনগণ তা বলা শুরু করেছে, ‘দেশ স্বাধীন করে দেবো কিন্তু বাংলাদেশের মাটি আমি ব্যবহার করবো’।”
‘‘ আমি বলে দিতে চাই, ভারতের সাথে এসব অসম চুক্তি বলেন, সমঝোতা বলেন এসব জনগণ মানে না, আমরা মানি না, মানতে পারি না। এসব অসম চুক্তি বাতিল করুন। বিএনপিকে বলব, এমন কর্মসূচি দেন যেই কর্মসূচির মাধ্যমে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জনগণ সোচ্চার হতে পারে।”
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রজন্ম বাংলাদেশের উদ্যোগে ভারতের সাথে ‘অবৈধ সরকারের অবৈধ চুক্তি-সমঝোতা’র প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ সমাবেশ হয়।
প্রজন্ম বাংলাদেশের সভানেত্রী বিএনপির প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়ন বিষয়ক সহ-সম্পাদক অপর্ণা রায় দাসের সভানেত্রীত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, বিএনপির আবদুল সালাম আজাদ, আবদুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া, কাদের গণি চৌধুরী, মাওলানা শাহ নেছারুল হক, বিভিন্ন সংগঠনের মাওলানা আলমগীর হোসেন, ইসমাইল হোসেন তালুকদার খোকন, ইসমাইল সিরাজী, আমির হোসেন আমু প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

‘আজিজ-বেনজীর-মতিউরের মতোই আরও দুর্নীতিবাজ সরকারের আশ্রয়েই আছে’ বলে দাবি করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। আজ শুক্রবার সকালে এক বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্যকালে এই দাবি করেন তিনি।
ফারুক বলেন, ‘আজকে কোথায় বেনজীর (সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদ), কোথায় আজিজ (সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ), কোথায় মতিউর (রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান)? আবার নতুন করে ফয়সলেরা আবিস্কার হয়েছে।”
‘‘ বাংলাদেশে এভাবে বহুলোক সরকারের আশ্রয়ে আছে যারা কোটি কোটি-হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে বিদেশের মাটিতে বাড়ি করে সুইমিং পুল তৈরি করে রাত্রে সাঁতার কাটে। এসব লোকদেরকেও আপনাকে বের করতে হবে। নইলে বাংলাদেশের মানুষ আপনাকে কোনো দিনও ক্ষমা করবে না।”
বিরোধী দলের সাবেক প্রধান হুইপ বলেন, ‘‘ ওবায়দুল কাদের সাহেব (আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক) যেভাবেই কথা বলছেন, কথা বলেন। বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত সচেতন। ক্ষমতায় টিকে আছেন আমলাতন্ত্র দিয়ে, কিছু সংখ্যক আমলা দিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে আপনাদের পক্ষে এক দিনের জন্য এখনো নিতে পারেন নাই।”
‘‘ তাই ভাইয়ে ভাইয়ে নির্বাচন, ডামি নির্বাচন। এমপি হবেন, এমপির ছেলে উপজেলা চেয়ারম্যান হবে, এমপির বউ পৌরসভার চেয়ারম্যান হবেন, এমপির ভাগিনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হবে এটা বাংলাদেশের জনগণ কখনো চায় না। বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে, তারেক রহমানকে দেশের বাইরে রেখে, চৌধুরী আলম, ইলিয়াস আলীকে গুম করে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল, মির্জা আব্বাসদের জেলে রেখে আপনারা মনে করেছেন এদেশে বিএনপির রাজপথের আন্দোলনকে ঠেকাবেন। আমরা বলে দিতে চাই, এটা জনগণ, বিএনপি কখনো মেনে নেবে না।”
‘ভারতের সাথে অসম চুক্তি জনগণ মানে না’
ফারুক বলেন, ‘‘ বক্তব্য স্পষ্ট…আমার বুকের ওপর দিয়ে আপনি রেললাইন নির্মাণ করবেন, আমার স্বাধীন ভূমির ওপর দিয়ে আপনি রেললাইন নির্মাণ করে আপনি ত্রিশ ঘণ্রটা পথ সাত ঘণ্টা করবেন। আমাদের আপত্তি একটাই যে, আমার সার্বভৌম দেশ যে দেশের জন্য হাফ পেন্ট পরে খালি পায়ে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি…. নির্মম সত্য হলেও বলতে হয় সেই কথা আপনাদের মনে নাই। আপনাদের তখন কি মনের ভেতরে ছিলো জনগণ তা বলা শুরু করেছে, ‘দেশ স্বাধীন করে দেবো কিন্তু বাংলাদেশের মাটি আমি ব্যবহার করবো’।”
‘‘ আমি বলে দিতে চাই, ভারতের সাথে এসব অসম চুক্তি বলেন, সমঝোতা বলেন এসব জনগণ মানে না, আমরা মানি না, মানতে পারি না। এসব অসম চুক্তি বাতিল করুন। বিএনপিকে বলব, এমন কর্মসূচি দেন যেই কর্মসূচির মাধ্যমে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জনগণ সোচ্চার হতে পারে।”
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রজন্ম বাংলাদেশের উদ্যোগে ভারতের সাথে ‘অবৈধ সরকারের অবৈধ চুক্তি-সমঝোতা’র প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ সমাবেশ হয়।
প্রজন্ম বাংলাদেশের সভানেত্রী বিএনপির প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়ন বিষয়ক সহ-সম্পাদক অপর্ণা রায় দাসের সভানেত্রীত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, বিএনপির আবদুল সালাম আজাদ, আবদুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া, কাদের গণি চৌধুরী, মাওলানা শাহ নেছারুল হক, বিভিন্ন সংগঠনের মাওলানা আলমগীর হোসেন, ইসমাইল হোসেন তালুকদার খোকন, ইসমাইল সিরাজী, আমির হোসেন আমু প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-২-এর সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
১ দিন আগে
শুক্রবার মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হওয়া মন্ত্রীদের সঙ্গে শপথ নিয়েছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও। তিনি মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ছয় মাসের যাত্রায় ‘পদোন্নতি’ পেলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে ছিলেন তিনি, একই মন্ত্রণালয়ে তাকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দে
২ দিন আগে
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে