
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিরোধী দল নিধনে সরকার বেপরোয়া কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ জোর করে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় ছত্রছায়ায় এখনও বিরোধী দল নিধনে নানান বেপরোয়া কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিরোধী নেতাকর্মীদের ভয় পাইয়ে দিতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান খন্দকার অনিককে গোয়েন্দা পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। তুলে নিয়ে যাওয়র পর সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজ নেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত তার কোনো হদিস দিচ্ছে না। আমি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক এই ধরনের নির্দয় ও অমানবিক কর্মকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।
রোববার এক বিবৃতিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান খন্দকার অনিককে তুলে নিয়ে যাওয়া এবং এখনও পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান না পাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
দেশকে বিরোধী দলশূন্য না করলে নব্য বাকশালী শাসন ব্যবস্থা কায়েম করা যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেজন্য বিরোধী দলের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সম্পূর্ণভাবে হরণ করতেই বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের অদৃশ্য করা হচ্ছে। অনিককে তুলে নিয়ে যাওয়া অশুভ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিপজ্জনক কোনো কিছু ঘটারই ইঙ্গিতবাহী। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের মানুষ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত, জনগণ অশান্তি ও গভীর শঙ্কার মধ্যে দিন যাপন করছে। অনিক নিখোঁজ থাকার ঘটনায় তার পরিবার ও বিএনপি নেতাকর্মীরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘আমি অবিলম্বে আনিসুর রহমান খন্দকার অনিককে জনসমক্ষে হাজির করার আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ তাকে সরকারের এজেন্সিগুলোই তুলে নিয়ে গেছে। সুতরাং তাদেরকেই আনিসুর রহমান খন্দকার অনিককে ফেরত দিতে হবে।

বিরোধী দল নিধনে সরকার বেপরোয়া কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ জোর করে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় ছত্রছায়ায় এখনও বিরোধী দল নিধনে নানান বেপরোয়া কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিরোধী নেতাকর্মীদের ভয় পাইয়ে দিতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান খন্দকার অনিককে গোয়েন্দা পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। তুলে নিয়ে যাওয়র পর সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজ নেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত তার কোনো হদিস দিচ্ছে না। আমি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক এই ধরনের নির্দয় ও অমানবিক কর্মকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।
রোববার এক বিবৃতিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান খন্দকার অনিককে তুলে নিয়ে যাওয়া এবং এখনও পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান না পাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
দেশকে বিরোধী দলশূন্য না করলে নব্য বাকশালী শাসন ব্যবস্থা কায়েম করা যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেজন্য বিরোধী দলের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সম্পূর্ণভাবে হরণ করতেই বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের অদৃশ্য করা হচ্ছে। অনিককে তুলে নিয়ে যাওয়া অশুভ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিপজ্জনক কোনো কিছু ঘটারই ইঙ্গিতবাহী। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের মানুষ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত, জনগণ অশান্তি ও গভীর শঙ্কার মধ্যে দিন যাপন করছে। অনিক নিখোঁজ থাকার ঘটনায় তার পরিবার ও বিএনপি নেতাকর্মীরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘আমি অবিলম্বে আনিসুর রহমান খন্দকার অনিককে জনসমক্ষে হাজির করার আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ তাকে সরকারের এজেন্সিগুলোই তুলে নিয়ে গেছে। সুতরাং তাদেরকেই আনিসুর রহমান খন্দকার অনিককে ফেরত দিতে হবে।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৭ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৭ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৮ দিন আগে