
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এভারকেয়ার হাসপাতালে দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সর্বোচ্চ চিকিৎসা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খালেদা জিয়াকে নিয়ে নানা ধরনের গুজবে কান না দেয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেছেন, দেশ ও বিদেশি চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার স্বাস্থের অবস্থার কিছুটা উন্নতির দিকে আছে, মেডিকেল সাইন্সের ভাষায় বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসা নিতে পারছেন।
বুধবার (১০ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে গণমাধ্যমকে তিনি এসব কথা বলেন।
এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিশ্চিতে কাজ করছেন মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা। তারেক রহমান সার্বক্ষণিক খোঁজ নিচ্ছেন।
সকল রাজনৈতিক দলের নেতারা তার স্বাস্থের খোঁজ রাখছেন। স্বাস্থ বিবেচনায় খালেদা জিয়াকে দেশের বাইরে নেয়া হতে পারে। তবে এই মুহুর্তে নির্দিষ্ট তারিখ বলা যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, স্যোশাল মিডিয়ায় নানা রকম কথা বলা হয়, তবে চিকিৎসকদের ছাড়া কারও কথায় তথ্য প্রচার না করার অনুরোধ থাকবে। এভারকেয়ারে সর্বোচ্চ চিকিৎসা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া
এর আগে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) একটি সূত্র জানায়, বেগম খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে জার্মানভিত্তিক একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকার আসার কথা ছিল কিন্তু সেটি আসছে না। অর্থাৎ বেগম জিয়া আপাতত লন্ডন যাচ্ছেন না।
গত ১৪ দিন ধরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন। এদিকে বেগম জিয়ার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান গত শুক্রবার দেশে এসেছেন। নিয়ম করে তিনি খোঁজ নিচ্ছেন শাশুড়ির। অন্যদিকে লন্ডন থেকেও চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
নভেম্বরের ২৩ তারিখে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের গুরুতর সংক্রমণ নিয়ে ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। সবশেষ কিডনি, হৃদরোগ এবং নতুন করে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে তার চিকিৎসায় দেশি, বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে মেডিকেল বোর্ড। অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত এই বোর্ডের অন্যতম সদস্য ডা. জুবাইদা রহমান।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, অনেকে সোশ্যাল মিডিয়াতে এ বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের কথা বলেন। কিন্তু আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করতে চাই যেন, খালেদা জিয়ার মতো এমন একজন নেত্রীর বিষয়ে আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে যেন বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করি। আমরা বলতে চাই তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন এবং সংকটাপন্ন মানুষের জন্য যেটি প্রয়োজন তেমন সর্বোচ্চ পর্যায়ের চিকিৎসা তিনি পাচ্ছেন।
এর আগে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) একটি সূত্র জানায়, বেগম খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে জার্মানভিত্তিক একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকার আসার কথা ছিল কিন্তু সেটি আসছে না। অর্থাৎ বেগম জিয়া আপাতত লন্ডন যাচ্ছেন না।
গত ১৪ দিন ধরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন। এদিকে বেগম জিয়ার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান গত শুক্রবার দেশে এসেছেন। নিয়ম করে তিনি খোঁজ নিচ্ছেন শাশুড়ির। অন্যদিকে লন্ডন থেকেও চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
নভেম্বরের ২৩ তারিখে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের গুরুতর সংক্রমণ নিয়ে ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। সবশেষ কিডনি, হৃদরোগ এবং নতুন করে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে তার চিকিৎসায় দেশি, বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে মেডিকেল বোর্ড। অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত এই বোর্ডের অন্যতম সদস্য ডা. জুবাইদা রহমান।

এভারকেয়ার হাসপাতালে দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সর্বোচ্চ চিকিৎসা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খালেদা জিয়াকে নিয়ে নানা ধরনের গুজবে কান না দেয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেছেন, দেশ ও বিদেশি চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার স্বাস্থের অবস্থার কিছুটা উন্নতির দিকে আছে, মেডিকেল সাইন্সের ভাষায় বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসা নিতে পারছেন।
বুধবার (১০ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে গণমাধ্যমকে তিনি এসব কথা বলেন।
এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিশ্চিতে কাজ করছেন মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা। তারেক রহমান সার্বক্ষণিক খোঁজ নিচ্ছেন।
সকল রাজনৈতিক দলের নেতারা তার স্বাস্থের খোঁজ রাখছেন। স্বাস্থ বিবেচনায় খালেদা জিয়াকে দেশের বাইরে নেয়া হতে পারে। তবে এই মুহুর্তে নির্দিষ্ট তারিখ বলা যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, স্যোশাল মিডিয়ায় নানা রকম কথা বলা হয়, তবে চিকিৎসকদের ছাড়া কারও কথায় তথ্য প্রচার না করার অনুরোধ থাকবে। এভারকেয়ারে সর্বোচ্চ চিকিৎসা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া
এর আগে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) একটি সূত্র জানায়, বেগম খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে জার্মানভিত্তিক একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকার আসার কথা ছিল কিন্তু সেটি আসছে না। অর্থাৎ বেগম জিয়া আপাতত লন্ডন যাচ্ছেন না।
গত ১৪ দিন ধরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন। এদিকে বেগম জিয়ার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান গত শুক্রবার দেশে এসেছেন। নিয়ম করে তিনি খোঁজ নিচ্ছেন শাশুড়ির। অন্যদিকে লন্ডন থেকেও চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
নভেম্বরের ২৩ তারিখে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের গুরুতর সংক্রমণ নিয়ে ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। সবশেষ কিডনি, হৃদরোগ এবং নতুন করে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে তার চিকিৎসায় দেশি, বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে মেডিকেল বোর্ড। অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত এই বোর্ডের অন্যতম সদস্য ডা. জুবাইদা রহমান।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, অনেকে সোশ্যাল মিডিয়াতে এ বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের কথা বলেন। কিন্তু আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করতে চাই যেন, খালেদা জিয়ার মতো এমন একজন নেত্রীর বিষয়ে আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে যেন বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করি। আমরা বলতে চাই তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন এবং সংকটাপন্ন মানুষের জন্য যেটি প্রয়োজন তেমন সর্বোচ্চ পর্যায়ের চিকিৎসা তিনি পাচ্ছেন।
এর আগে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) একটি সূত্র জানায়, বেগম খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে জার্মানভিত্তিক একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকার আসার কথা ছিল কিন্তু সেটি আসছে না। অর্থাৎ বেগম জিয়া আপাতত লন্ডন যাচ্ছেন না।
গত ১৪ দিন ধরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন। এদিকে বেগম জিয়ার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান গত শুক্রবার দেশে এসেছেন। নিয়ম করে তিনি খোঁজ নিচ্ছেন শাশুড়ির। অন্যদিকে লন্ডন থেকেও চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
নভেম্বরের ২৩ তারিখে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের গুরুতর সংক্রমণ নিয়ে ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। সবশেষ কিডনি, হৃদরোগ এবং নতুন করে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে তার চিকিৎসায় দেশি, বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে মেডিকেল বোর্ড। অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত এই বোর্ডের অন্যতম সদস্য ডা. জুবাইদা রহমান।

মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সবার দোয়ায় মির্জা আব্বাসের দুটি অপারেশনই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’
২ দিন আগে
এদিন ডেঙ্গুসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের জন্য বারনই নদীর শাখা বারনই নদীর খাল পরিষ্কার কর্মসূচি উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। পবা উপজেলার বায়া ব্রিজের নিচে কর্মসূচিটির উদ্বোধন করা হয়।
২ দিন আগে
চিকিৎসকরা জানান, মির্জা আব্বাসের অপারেশন সফল হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত। মস্তিষ্কে ইনফেকশনজনিত কারণে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে স্ট্রোক করেছিলেন তিনি। এখন আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে।
২ দিন আগে
ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২ দিন আগে