
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের ওপরে যুক্তরাষ্ট্রের স্যাংশন ‘সরকারের কারণেই’ বলে মন্তব্য করেছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ বুধবার বিকালে নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘দেখুন কতবড় লজ্জার কথা… সাবেক সেনাপ্রধানকে আমেরিকা থেকে স্যাংশন দেয়া হয়েছে। এটা জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক, শেইম।”
‘‘ এরজন্য দায়ী কে? এরজন্য (স্যাংশন) দায়ী তো এই সরকারই, এই শাসকগোষ্ঠী… তারা সেনাবাহিনীকে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করার জন্য এই ঘটনাটা ঘটেছে। আমরা আগেই বলেছি, এর জন্য দায়ী এই শাসকগোষ্ঠী, এই সরকার। তারাই তাদেরকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করেছে। সেজন্য এদেরকে (সরকার) সরিয়ে দেয়া ছাড়া, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া, কোনো বিকল্প নাই…. এটাই একমাত্র পথ।’ বলেন বিএনপি মহাসচিব।
তিনি বলেন, ‘‘ আজকে অনেকবার বলা হয়েছে বিভিন্ন জায়গা থেকে, মিডিয়াগুলো থেকে বিশেষ করে বাইরের মিডিয়া থেকে এই আজিজের (আজিজ আহমেদ) কথা। কিন্তু সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। শুধু তাই নয়, এখনো বলছে যে, এটা নাকি রাজনৈতিক কথা-বার্তা। এভাবে দেশকে একটা জাতিকে তার মর্যাদা থেকে ধবংস করে দেয়া, তার অনারকে কেড়ে নেয়া... এটা্র অধিকার কারো নেই।”
‘‘ সেনাবাহিনী হচ্ছে আমাদের একটা সবচেয়ে ভরসাস্থল, একটা প্রতিষ্ঠান। সেই সেনাবাহিনীকে সরকারের কারণে হেয় প্রতিপন্ন করা হয় সেটা কখনই এদেশের মানুষ মেনে নেবে না।”
র্যাবের ওপর অতীতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ আমরা দেখলাম র্যাবের যেসব কর্মকর্তার উপরে নিষেধাজ্ঞা আসলো তা থেকে তো তারা (সরকার) কোনো শিক্ষা নিলেন না। তাদের থেকে একজন পুলিশ বাহিনীর আইজি হয়ে গেলেন… এখন বোধহয় আইজি আছেন। এটার কতটুকু ইমপ্যাক্ট পড়ে এ ব্যাপারে আমার ধারণা নাই।”
‘‘এজন্য নাই যে, এই ধরণের সরকারগুলো যারা গায়ের জোরে দখল করে রাষ্ট্রকে ব্যবহার করে, এই বাহিনীগুলোকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে থাকে, যারা তাদের ক্ষমতাটাকে চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে তারা এই বাহিনীগুলোকে ব্যবহার করে। এটা বাংলাদেশের জন্য একটা চরম দুর্ভাগ্য, আনফুরচুনেট শুধু নয়, এটা লজ্জার কথা শেইম।”
অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘‘ আজকে এ্ই সরকার দেশকে পরিকল্পিতভাবে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করছে। আজকে আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশের যে গণতন্ত্রের সূচকে যে অবস্থানে গিয়ে পৌঁছেছে… দুর্নীতির ব্যাপারে যে অবস্থানে পৌঁছেছে সেটা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক, দুঃখজনক… দেশের মাথা নিচু হয়ে আসে।”
‘উপজেলা ভোট : জনগণের কোনো আগ্রহ নাই’ :
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ এই ইলেকশন (উপজেলা) নিয়ে আমি তো জনগণের মধ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখি না। কেউ লক্ষ্যও করছে না কোথায় ইলেকশন হচ্ছে… এটা কোথাও দেখছি না।”
‘‘মিডিয়ায় কিছু কিছু দেখছি, আপনারা প্রতিদিন এটাকে (উপজেলা নির্বাচন) বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন… ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতেও, প্রিন্টিং মিডিয়াতেও। এছাড়া জনগণের কোথাও এটা নিয়ে কথা-বার্তা নেই, কোনো আলোচনা নেই। কারণ নির্বাচনী ব্যবস্থাটার ওপরই মানুষের আস্থা চলে গেছে… এই সরকার সেটা করেছে… সাকসেসফুলি করেছে…. এই জায়গাগুলো আমাদের রিকভার করতে হবে।”
তিনি বলেন, ‘‘ আমাদের খুব কষ্ট হয় যখন দেখি, আমাদের কিছু কিছু মিডিয়া আছে যারা সরকারের সমালোচনা করেন না… হয়ত ভয়ে করেন না অথবা বিভিন্ন কারণে করেন না। কিন্তু বিএনপির সমালোচনা করতে একেবারে সিদ্ধহস্ত। খুঁজে খুঁজে বের করছেন কোথায় কি আছে না আছে।”
‘‘ জাতির সামনে সেটা কোনো সমস্যা না, জাতির সামনে সমস্যা এই সরকার, এই শাসকগোষ্ঠী। আমাদের গোটা জাতি আজকে ধবংস হয়ে যাচ্ছে, গোটা জাতির আত্মা তারা ধবংস করে দিয়েছে, এটাকে বিক্রি করে দিয়েছে… পরনির্ভরশীল দেশে নতজানু রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে। আজকে গোটা জাতিকে কিভাবে ঋণের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। তথাকথিত উন্নয়নের নামে গোটা জাতির ওপর যে ঋণের বোঝা চাপানো হচ্ছে, জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে তাদের ব্যর্থতার কারণে মানুষ যাবে কোথায়?”
‘নিখোঁজ সাংসদের মরদেহ : সরকারের সক্ষমতা কোথায়’ :
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘আপনারা কি এখনো এই সরকারের সক্ষমতা দেখেন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে, নাগরিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে। বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক নয়, তাদের তথাকথিত একজন সংসদ সদস্য বিদেশে যেয়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন… তার কোনো খবর দিতে তারা পারলেন না। না পারলেন বাংলাদেশ সরকার, না পারলেন তাদের বন্ধু রাষ্ট্র ভারত। তাহলে আমরা কি মনে করব?”
‘‘ এটা একমাত্র করছে দুর্নীতি করা, টাকার পাহাড় তৈরি করা বিদেশের মাটিতে… এটাই কোনো ঘটনা কিনা আমরা জানি না।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়কে সাবেক সাংসদ গোলাম মাওলা রনির জীবননাশের উদ্দেশ্যে তার গাড়িতে হামলা এবং সেগুনবাগিচায় ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনুকুল ইসলাম শ্রাবণের ওপরে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার নিন্দা জানান বিএনপি মহাসচিব।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির আবদুস সালাম, ফরহাদ হালিম ডোনার, রুহুল কবির রিজভী, মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, আবদুস সালাম আজাদ, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মীর সরাফত আলী সপুসহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের ওপরে যুক্তরাষ্ট্রের স্যাংশন ‘সরকারের কারণেই’ বলে মন্তব্য করেছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ বুধবার বিকালে নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘দেখুন কতবড় লজ্জার কথা… সাবেক সেনাপ্রধানকে আমেরিকা থেকে স্যাংশন দেয়া হয়েছে। এটা জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক, শেইম।”
‘‘ এরজন্য দায়ী কে? এরজন্য (স্যাংশন) দায়ী তো এই সরকারই, এই শাসকগোষ্ঠী… তারা সেনাবাহিনীকে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করার জন্য এই ঘটনাটা ঘটেছে। আমরা আগেই বলেছি, এর জন্য দায়ী এই শাসকগোষ্ঠী, এই সরকার। তারাই তাদেরকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করেছে। সেজন্য এদেরকে (সরকার) সরিয়ে দেয়া ছাড়া, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া, কোনো বিকল্প নাই…. এটাই একমাত্র পথ।’ বলেন বিএনপি মহাসচিব।
তিনি বলেন, ‘‘ আজকে অনেকবার বলা হয়েছে বিভিন্ন জায়গা থেকে, মিডিয়াগুলো থেকে বিশেষ করে বাইরের মিডিয়া থেকে এই আজিজের (আজিজ আহমেদ) কথা। কিন্তু সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। শুধু তাই নয়, এখনো বলছে যে, এটা নাকি রাজনৈতিক কথা-বার্তা। এভাবে দেশকে একটা জাতিকে তার মর্যাদা থেকে ধবংস করে দেয়া, তার অনারকে কেড়ে নেয়া... এটা্র অধিকার কারো নেই।”
‘‘ সেনাবাহিনী হচ্ছে আমাদের একটা সবচেয়ে ভরসাস্থল, একটা প্রতিষ্ঠান। সেই সেনাবাহিনীকে সরকারের কারণে হেয় প্রতিপন্ন করা হয় সেটা কখনই এদেশের মানুষ মেনে নেবে না।”
র্যাবের ওপর অতীতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ আমরা দেখলাম র্যাবের যেসব কর্মকর্তার উপরে নিষেধাজ্ঞা আসলো তা থেকে তো তারা (সরকার) কোনো শিক্ষা নিলেন না। তাদের থেকে একজন পুলিশ বাহিনীর আইজি হয়ে গেলেন… এখন বোধহয় আইজি আছেন। এটার কতটুকু ইমপ্যাক্ট পড়ে এ ব্যাপারে আমার ধারণা নাই।”
‘‘এজন্য নাই যে, এই ধরণের সরকারগুলো যারা গায়ের জোরে দখল করে রাষ্ট্রকে ব্যবহার করে, এই বাহিনীগুলোকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে থাকে, যারা তাদের ক্ষমতাটাকে চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে তারা এই বাহিনীগুলোকে ব্যবহার করে। এটা বাংলাদেশের জন্য একটা চরম দুর্ভাগ্য, আনফুরচুনেট শুধু নয়, এটা লজ্জার কথা শেইম।”
অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘‘ আজকে এ্ই সরকার দেশকে পরিকল্পিতভাবে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করছে। আজকে আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশের যে গণতন্ত্রের সূচকে যে অবস্থানে গিয়ে পৌঁছেছে… দুর্নীতির ব্যাপারে যে অবস্থানে পৌঁছেছে সেটা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক, দুঃখজনক… দেশের মাথা নিচু হয়ে আসে।”
‘উপজেলা ভোট : জনগণের কোনো আগ্রহ নাই’ :
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ এই ইলেকশন (উপজেলা) নিয়ে আমি তো জনগণের মধ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখি না। কেউ লক্ষ্যও করছে না কোথায় ইলেকশন হচ্ছে… এটা কোথাও দেখছি না।”
‘‘মিডিয়ায় কিছু কিছু দেখছি, আপনারা প্রতিদিন এটাকে (উপজেলা নির্বাচন) বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন… ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতেও, প্রিন্টিং মিডিয়াতেও। এছাড়া জনগণের কোথাও এটা নিয়ে কথা-বার্তা নেই, কোনো আলোচনা নেই। কারণ নির্বাচনী ব্যবস্থাটার ওপরই মানুষের আস্থা চলে গেছে… এই সরকার সেটা করেছে… সাকসেসফুলি করেছে…. এই জায়গাগুলো আমাদের রিকভার করতে হবে।”
তিনি বলেন, ‘‘ আমাদের খুব কষ্ট হয় যখন দেখি, আমাদের কিছু কিছু মিডিয়া আছে যারা সরকারের সমালোচনা করেন না… হয়ত ভয়ে করেন না অথবা বিভিন্ন কারণে করেন না। কিন্তু বিএনপির সমালোচনা করতে একেবারে সিদ্ধহস্ত। খুঁজে খুঁজে বের করছেন কোথায় কি আছে না আছে।”
‘‘ জাতির সামনে সেটা কোনো সমস্যা না, জাতির সামনে সমস্যা এই সরকার, এই শাসকগোষ্ঠী। আমাদের গোটা জাতি আজকে ধবংস হয়ে যাচ্ছে, গোটা জাতির আত্মা তারা ধবংস করে দিয়েছে, এটাকে বিক্রি করে দিয়েছে… পরনির্ভরশীল দেশে নতজানু রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে। আজকে গোটা জাতিকে কিভাবে ঋণের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। তথাকথিত উন্নয়নের নামে গোটা জাতির ওপর যে ঋণের বোঝা চাপানো হচ্ছে, জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে তাদের ব্যর্থতার কারণে মানুষ যাবে কোথায়?”
‘নিখোঁজ সাংসদের মরদেহ : সরকারের সক্ষমতা কোথায়’ :
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘আপনারা কি এখনো এই সরকারের সক্ষমতা দেখেন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে, নাগরিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে। বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক নয়, তাদের তথাকথিত একজন সংসদ সদস্য বিদেশে যেয়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন… তার কোনো খবর দিতে তারা পারলেন না। না পারলেন বাংলাদেশ সরকার, না পারলেন তাদের বন্ধু রাষ্ট্র ভারত। তাহলে আমরা কি মনে করব?”
‘‘ এটা একমাত্র করছে দুর্নীতি করা, টাকার পাহাড় তৈরি করা বিদেশের মাটিতে… এটাই কোনো ঘটনা কিনা আমরা জানি না।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়কে সাবেক সাংসদ গোলাম মাওলা রনির জীবননাশের উদ্দেশ্যে তার গাড়িতে হামলা এবং সেগুনবাগিচায় ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনুকুল ইসলাম শ্রাবণের ওপরে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার নিন্দা জানান বিএনপি মহাসচিব।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির আবদুস সালাম, ফরহাদ হালিম ডোনার, রুহুল কবির রিজভী, মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, আবদুস সালাম আজাদ, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মীর সরাফত আলী সপুসহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ইসির এমনভাবে কাজ করা উচিত, যাতে নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের সন্দেহ বা প্রশ্নের অবকাশ না থাকে। কিন্তু কমিশনের বিভিন্ন আচরণে সেই নিরপেক্ষতা নিয়েই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই নির্বাচনে নির্ধারিত হবে দেশ লিবারেল ডেমোক্রেসির (উদার গণতন্ত্র) হাতে থাকবে, নাকি উগ্রপন্থি-রাষ্ট্রবিরোধীদের দখলে যাবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষাবিদ, শিল্পোদ্যোক্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে চলছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পলিসি সামিট-২০২৬।
১৩ ঘণ্টা আগে
জনগণের ম্যান্ডেট পেয়ে সরকার গঠন করলে শুধু দল থেকে নয়, বাংলাদেশের মানুষ থেকে মন্ত্রী বানানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
১৪ ঘণ্টা আগে