
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় গুরুতর অসুস্থ খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেয়া হচ্ছে না বলে সরাসরি অভিযোগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার সকালে নয়া পল্টনে এভারকেয়ার হাসপাতলে গুরুতর অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আশু আরোগ্য কামনায় দোয়া মাহফিলে দলের মহাসচিব এই অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ‘‘এভারকেয়ার হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ড বার বার বলেছেন- ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) যে অসুখ, সেই অসুখের চিকিৎসা এখানে (বাংলাদেশে) করা সম্ভব নয়। তার যে মাল্টি ভ্যারিয়াস ডিজিজেস আছে তার চিকিৎসা করতে হলে উন্নত দেশের মাল্টি ডিসিপ্ল্যানারি হসপিটাল প্রয়োজন….বার বার এ কথাগুলো বিভিন্নভাবে বলার পরেও দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সুশীল সমাজ বলেছে এমনকি বিদেশি মিশনগুলো এখানে (বাংলাদেশে) আছে তারাও বার বার বলেছে, বাইরে থেকে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ সবাই বলেছে।”
‘‘কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে, তাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে তাকে কোনোভাবে চিকিৎসার সুযোগ দেয়া হচ্ছে না।”-বলেন ফখরুল।
হঠাৎ অসুস্থতার কারণে শুক্রবার গভীর রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিসাধীন আছেন তিনি।
৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া ডায়াবেটিস, আর্থারাইটিস ছাড়াও হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।
‘কারাগারে চিকিৎসা পাননি’ :
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিনি আজকে এই ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট সরকার তাদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তিনি দীর্ঘকাল ধরে কারারুদ্ধ রয়েছেন…. আপনারা সবাই জানেন। শুধু এই টুকু বলতে চাই, সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় তাকে সাজা দি্য়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য তাকে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। তাকে বাসায় থাকার সুযোগ দেয়া হলেও প্রকৃতপক্ষে তিনি পুরোপুরি অবরুদ্ধ হয়ে আছেন, বন্দি আছেন।”
‘‘ আমরা এও জানি যে, তিনি অবরুদ্ধ অবস্থায় কারাগার থেকেই অসুস্থ হয়েছেন। তার সেখানে কোনো চিকিৎসা হয়নি। তিনি বার বার কমপ্লেইন করেছেন কিন্তু সরকার তা শুনেনি, তার চিকিৎসাও দেয়নি। পরবর্তিকালে তাকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে সেখানেও তার কোনো সুচিকিৎসা হয়নি। বাসায় (গুলশানের ফিরোজা) আসার পরে তাকে শর্ত দেয়া হয়েছে তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না, দেশেই চিকিৎসা নিতে হবে।”
‘খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর এতো্ই সন্ধিক্ষণে’:
বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক’ উল্লেখ করে দলের মহাসচিব বলেন, ‘‘বেগম খালেদা জিয়া তার জীবন মৃত্যু এতোই সন্ধিক্ষণে আমি আপনাদের বলছি, আপনারা প্রাণখুলে তার জন্য দোয়া করুন। শুধু দোয়াই নয়, আমাদের পক্ষে যা কিছু করা সম্ভব তার সুচিকিৎসা করার জন্য, সেই চেষ্টাও করতে হবে। তার জন্য যা করার দরকার সেটাই আমাদেরকে করতে হবে।”
‘‘যিনি এই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে আরো শক্তিশালী করার জন্য সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছিলেন, যিনি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে সংবিধানে সংযোজন করে এদেশের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করেছিলেন, যিনি এদেশকে মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য কাজ করেছিলেন যে কারণে তখন বিদেশের পত্রিকাগুলোতে লেখা হতো ‘বাংলাদেশ ইজ এ ইমার্জিং টাইগার’ … কি দুর্ভাগ্য আমাদের সেই নেত্রী আজকে বিনা চিকিৎসায় আজকে বন্দি অবস্থায় তিনি আজকে মৃত্যু শয্যায়।”
আবেগ আপ্লুত কন্ঠে মির্জা ফখরুল নেতা-কর্মীদের দোয়া করার অনুরোধ ধরে বলেন, ‘‘আসুন আমরা আজকে কায়মনো বাক্যে দোয়া করি… আল্লাহতালা যেন আমাদের দোয়া শুনেন… আল্লাহতালা যেন তাকে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন। আমরা যেন তার নেতৃত্বে আবার যেন আমরা জেগে উঠতে পারি।”
বিএনপি চেয়ারপারসনের আশু আরোগ্য কামনায় বিএনপি রোববার ঢাকাসহ সকল মহানগর ও জেলায় দোয়া মাহফিল করছে।
দোয়া মাহফিলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, শামসুজ্জামান দুদু, আসাদুজ্জামান রিপন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, আবদুস সালাম আজাদ, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কেন্দ্র্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ কয়েক‘শ কর্মী-সমর্থক অংশ নেন।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় গুরুতর অসুস্থ খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেয়া হচ্ছে না বলে সরাসরি অভিযোগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার সকালে নয়া পল্টনে এভারকেয়ার হাসপাতলে গুরুতর অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আশু আরোগ্য কামনায় দোয়া মাহফিলে দলের মহাসচিব এই অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ‘‘এভারকেয়ার হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ড বার বার বলেছেন- ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) যে অসুখ, সেই অসুখের চিকিৎসা এখানে (বাংলাদেশে) করা সম্ভব নয়। তার যে মাল্টি ভ্যারিয়াস ডিজিজেস আছে তার চিকিৎসা করতে হলে উন্নত দেশের মাল্টি ডিসিপ্ল্যানারি হসপিটাল প্রয়োজন….বার বার এ কথাগুলো বিভিন্নভাবে বলার পরেও দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সুশীল সমাজ বলেছে এমনকি বিদেশি মিশনগুলো এখানে (বাংলাদেশে) আছে তারাও বার বার বলেছে, বাইরে থেকে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ সবাই বলেছে।”
‘‘কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে, তাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে তাকে কোনোভাবে চিকিৎসার সুযোগ দেয়া হচ্ছে না।”-বলেন ফখরুল।
হঠাৎ অসুস্থতার কারণে শুক্রবার গভীর রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিসাধীন আছেন তিনি।
৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া ডায়াবেটিস, আর্থারাইটিস ছাড়াও হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।
‘কারাগারে চিকিৎসা পাননি’ :
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিনি আজকে এই ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট সরকার তাদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তিনি দীর্ঘকাল ধরে কারারুদ্ধ রয়েছেন…. আপনারা সবাই জানেন। শুধু এই টুকু বলতে চাই, সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় তাকে সাজা দি্য়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য তাকে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। তাকে বাসায় থাকার সুযোগ দেয়া হলেও প্রকৃতপক্ষে তিনি পুরোপুরি অবরুদ্ধ হয়ে আছেন, বন্দি আছেন।”
‘‘ আমরা এও জানি যে, তিনি অবরুদ্ধ অবস্থায় কারাগার থেকেই অসুস্থ হয়েছেন। তার সেখানে কোনো চিকিৎসা হয়নি। তিনি বার বার কমপ্লেইন করেছেন কিন্তু সরকার তা শুনেনি, তার চিকিৎসাও দেয়নি। পরবর্তিকালে তাকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে সেখানেও তার কোনো সুচিকিৎসা হয়নি। বাসায় (গুলশানের ফিরোজা) আসার পরে তাকে শর্ত দেয়া হয়েছে তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না, দেশেই চিকিৎসা নিতে হবে।”
‘খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর এতো্ই সন্ধিক্ষণে’:
বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক’ উল্লেখ করে দলের মহাসচিব বলেন, ‘‘বেগম খালেদা জিয়া তার জীবন মৃত্যু এতোই সন্ধিক্ষণে আমি আপনাদের বলছি, আপনারা প্রাণখুলে তার জন্য দোয়া করুন। শুধু দোয়াই নয়, আমাদের পক্ষে যা কিছু করা সম্ভব তার সুচিকিৎসা করার জন্য, সেই চেষ্টাও করতে হবে। তার জন্য যা করার দরকার সেটাই আমাদেরকে করতে হবে।”
‘‘যিনি এই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে আরো শক্তিশালী করার জন্য সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছিলেন, যিনি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে সংবিধানে সংযোজন করে এদেশের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করেছিলেন, যিনি এদেশকে মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য কাজ করেছিলেন যে কারণে তখন বিদেশের পত্রিকাগুলোতে লেখা হতো ‘বাংলাদেশ ইজ এ ইমার্জিং টাইগার’ … কি দুর্ভাগ্য আমাদের সেই নেত্রী আজকে বিনা চিকিৎসায় আজকে বন্দি অবস্থায় তিনি আজকে মৃত্যু শয্যায়।”
আবেগ আপ্লুত কন্ঠে মির্জা ফখরুল নেতা-কর্মীদের দোয়া করার অনুরোধ ধরে বলেন, ‘‘আসুন আমরা আজকে কায়মনো বাক্যে দোয়া করি… আল্লাহতালা যেন আমাদের দোয়া শুনেন… আল্লাহতালা যেন তাকে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন। আমরা যেন তার নেতৃত্বে আবার যেন আমরা জেগে উঠতে পারি।”
বিএনপি চেয়ারপারসনের আশু আরোগ্য কামনায় বিএনপি রোববার ঢাকাসহ সকল মহানগর ও জেলায় দোয়া মাহফিল করছে।
দোয়া মাহফিলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, শামসুজ্জামান দুদু, আসাদুজ্জামান রিপন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, আবদুস সালাম আজাদ, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কেন্দ্র্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ কয়েক‘শ কর্মী-সমর্থক অংশ নেন।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি নিন্দা জানিয়ে বলেন, বিএনপি মহাসচিব বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে পুরোপুরি রাজনৈতিভাবে নির্মূল করার হুমকি দিয়ে যে অসাংবিধানিক, অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অশোভন বক্তব্য দিয়েছেন। এই বক্তব্য গণতন্ত্রের ভাষা নয়। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত বক্তব্য দিয়ে তিনি পতিত আওয়ামী ফ্
৩ দিন আগে
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তারিকুল ইসলামকে সভাপতি ও প্রকৌশলী ফরহাদ সোহেলকে সাধারণ সম্পাদক করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির ৭ সদস্যের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
৩ দিন আগে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
৩ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
৩ দিন আগে