
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। দেশের সংস্কারের জন্য তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী উপদেষ্টা নিয়োগ দিতেই পারে এবং এ বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমন্বয় করার দরকার নেই। কাকে উপদেষ্টা বানাবেন, কীভাবে ও কতজনকে নেবেন এটির সম্পূর্ণ দায়িত্ব হলো প্রধান উপদেষ্টার।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) ঠাকুরগাঁওয়ের কালীবাড়ি এলাকার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, আমাদের চিন্তা আগামী নির্বাচন নিয়ে, সেটাই আমরা এখনো নিশ্চিত নই। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার আছে। তারা এখনো নির্বাচনের কোনো রোডম্যাপ দেয়নি। তারা নির্বাচন ব্যবস্থাকে সংস্কার করার জন্য একটি কমিটি করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে মতামত জানানোর জন্য।
এর আগে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে বর্তমান প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে জরুরি বিষয়টি হচ্ছে অবাধ নিরপেক্ষ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন। তবে নিরপেক্ষ নির্বাচনের আগে নির্বাচন ব্যবস্থাকে উপযোগী করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত করা প্রয়োজন। নির্বাচিত সরকার, নির্বাচিত পার্লামেন্ট অত্যন্ত জরুরি। আমরা এ কথাটি বারবার বলে আসছি।
ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ও জাতীয় ঐক্য নিয়ে ফখরুল বলেন, জাতিকে রক্ষা করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে জাতির ঐক্য। ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকার যে কাজটি সফলভাবে করতে পেরেছে, সেটি হলো জাতিকে বিভক্ত করা। আমরা এ বিভক্তিটি দূর করে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি চাই। সমাজে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের আলাদা দল থাকতে পারে, মতামত থাকতে পারে, কিন্তু আমাদের মৌলিক বিষয়গুলোতে ঐক্য থাকাটা জরুরি। অন্যদিকে জাতি হিসেবে আমাদের সহনশীল হতে হবে, কেননা ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের যে অবস্থা করেছে, সেটি সংস্কার করা ১৭ দিনে বা ১৭ মাসে সম্ভব না।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। দেশের সংস্কারের জন্য তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী উপদেষ্টা নিয়োগ দিতেই পারে এবং এ বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমন্বয় করার দরকার নেই। কাকে উপদেষ্টা বানাবেন, কীভাবে ও কতজনকে নেবেন এটির সম্পূর্ণ দায়িত্ব হলো প্রধান উপদেষ্টার।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) ঠাকুরগাঁওয়ের কালীবাড়ি এলাকার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, আমাদের চিন্তা আগামী নির্বাচন নিয়ে, সেটাই আমরা এখনো নিশ্চিত নই। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার আছে। তারা এখনো নির্বাচনের কোনো রোডম্যাপ দেয়নি। তারা নির্বাচন ব্যবস্থাকে সংস্কার করার জন্য একটি কমিটি করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে মতামত জানানোর জন্য।
এর আগে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে বর্তমান প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে জরুরি বিষয়টি হচ্ছে অবাধ নিরপেক্ষ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন। তবে নিরপেক্ষ নির্বাচনের আগে নির্বাচন ব্যবস্থাকে উপযোগী করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত করা প্রয়োজন। নির্বাচিত সরকার, নির্বাচিত পার্লামেন্ট অত্যন্ত জরুরি। আমরা এ কথাটি বারবার বলে আসছি।
ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ও জাতীয় ঐক্য নিয়ে ফখরুল বলেন, জাতিকে রক্ষা করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে জাতির ঐক্য। ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকার যে কাজটি সফলভাবে করতে পেরেছে, সেটি হলো জাতিকে বিভক্ত করা। আমরা এ বিভক্তিটি দূর করে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি চাই। সমাজে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের আলাদা দল থাকতে পারে, মতামত থাকতে পারে, কিন্তু আমাদের মৌলিক বিষয়গুলোতে ঐক্য থাকাটা জরুরি। অন্যদিকে জাতি হিসেবে আমাদের সহনশীল হতে হবে, কেননা ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের যে অবস্থা করেছে, সেটি সংস্কার করা ১৭ দিনে বা ১৭ মাসে সম্ভব না।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
২ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
২ দিন আগে