
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

‘যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেছেন, গত জুলাই-আগস্টের রক্তে রাঙানো পিচ্ছিল রাস্তাকে কলঙ্কিত করার জন্য আওয়ামী লীগ ছড়িয়ে পড়েছে।
তাদের লোকজন আমার দলের মধ্যেও ঢুকে পড়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র করছেন। আমাদের সজাগ থাকতে হবে।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নিমগাছী অনার্স কলেজ মাঠ চত্বরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা থানা বিএনপির আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে টুকু বলেন, আমরা কিন্তু ক্ষমতায় আসিনি। এখন ক্ষমতায় আছে অন্তর্বর্তী সরকার।
তিনি বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহু দলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমরা তারই ভাবশিষ্য হিসেবে মনে করি। বিএনপি ক্ষমতায় তখনই আসতে পারবে, যখন এদেশের মানুষ তাদের ভোট দেবে।
তিনি আরও বলেন, ১৬ বছর আমরা কোনো সভা করতে পারিনি, চায়ের দোকানে আড্ডা দিতেও পারিনি। সবাই দেখেছে, কীভাবে আমাদের কর্মীদের নির্যাতন করা হয়েছে। সারা দেশকে কয়েদখানায় পরিণত করা হয়েছিল। ১৬ বছর লড়াই করে আজকে মুক্ত আকাশ দেখেছি। অথচ আওয়ামী লীগকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর খুঁজে পাওয়া যায়নি। ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের টিকিটাও দেখা যাচ্ছে না। আমরা ১৬ বছর নির্যাতন সয়েছি, একজন কর্মীও পালিয়ে যাননি; হাজারও নির্যাতন-অত্যাচার সহ্য করে তারা দাঁড়িয়ে ছিলেন। আজও দাঁড়িয়ে আছেন। আমাদের যত বেশি নির্যাতন করেছে, তত কর্মী বেড়েছে।
সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, আমি যখন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিচ্ছিলাম। আমার কাছে খবর এলো, খুনি হাসিনার বাকশালী কোর্ট আমাকে নয় বছরের সাজার রায় দিয়েছেন। হাসপাতালে বসে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, হাসিনা সরকারের কোনো সাজার কাছে মাথা নত করব না। হাসিনার জেলে আমি যাব না।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, যতগুলো আন্দোলন হয়েছে, আমি বিদেশ থেকে যোগাযোগ করে আন্দোলন পরিচালনা করেছি।
অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে টুকু বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক সরকার নয়, জনগণের নির্বাচিত সরকারও নয়। তাই একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন।
সংখ্যালঘুদের বিষয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বিএনপি সংখ্যালঘুদের জন্য সবচেয়ে বেশি সুব্যবস্থা করেছে। হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান যারা আছে, সবাই আমাদের আমানত, কেউ তাদের নির্যাতন করতে পারবে না।
রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামছুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি আব্দুল মান্নান তালুকদার, জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, সলঙ্গা থানা বিএনপির সভাপতি মতিয়ার রহমান সরকার, তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি স ম আফসার আলী, রায়গঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি মো. হাতেম আলী সুজন, তাড়াশ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক তপন কুমার গোস্বামী প্রমুখ।

‘যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেছেন, গত জুলাই-আগস্টের রক্তে রাঙানো পিচ্ছিল রাস্তাকে কলঙ্কিত করার জন্য আওয়ামী লীগ ছড়িয়ে পড়েছে।
তাদের লোকজন আমার দলের মধ্যেও ঢুকে পড়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র করছেন। আমাদের সজাগ থাকতে হবে।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নিমগাছী অনার্স কলেজ মাঠ চত্বরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা থানা বিএনপির আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে টুকু বলেন, আমরা কিন্তু ক্ষমতায় আসিনি। এখন ক্ষমতায় আছে অন্তর্বর্তী সরকার।
তিনি বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহু দলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমরা তারই ভাবশিষ্য হিসেবে মনে করি। বিএনপি ক্ষমতায় তখনই আসতে পারবে, যখন এদেশের মানুষ তাদের ভোট দেবে।
তিনি আরও বলেন, ১৬ বছর আমরা কোনো সভা করতে পারিনি, চায়ের দোকানে আড্ডা দিতেও পারিনি। সবাই দেখেছে, কীভাবে আমাদের কর্মীদের নির্যাতন করা হয়েছে। সারা দেশকে কয়েদখানায় পরিণত করা হয়েছিল। ১৬ বছর লড়াই করে আজকে মুক্ত আকাশ দেখেছি। অথচ আওয়ামী লীগকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর খুঁজে পাওয়া যায়নি। ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের টিকিটাও দেখা যাচ্ছে না। আমরা ১৬ বছর নির্যাতন সয়েছি, একজন কর্মীও পালিয়ে যাননি; হাজারও নির্যাতন-অত্যাচার সহ্য করে তারা দাঁড়িয়ে ছিলেন। আজও দাঁড়িয়ে আছেন। আমাদের যত বেশি নির্যাতন করেছে, তত কর্মী বেড়েছে।
সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, আমি যখন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিচ্ছিলাম। আমার কাছে খবর এলো, খুনি হাসিনার বাকশালী কোর্ট আমাকে নয় বছরের সাজার রায় দিয়েছেন। হাসপাতালে বসে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, হাসিনা সরকারের কোনো সাজার কাছে মাথা নত করব না। হাসিনার জেলে আমি যাব না।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, যতগুলো আন্দোলন হয়েছে, আমি বিদেশ থেকে যোগাযোগ করে আন্দোলন পরিচালনা করেছি।
অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে টুকু বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক সরকার নয়, জনগণের নির্বাচিত সরকারও নয়। তাই একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন।
সংখ্যালঘুদের বিষয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বিএনপি সংখ্যালঘুদের জন্য সবচেয়ে বেশি সুব্যবস্থা করেছে। হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান যারা আছে, সবাই আমাদের আমানত, কেউ তাদের নির্যাতন করতে পারবে না।
রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামছুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি আব্দুল মান্নান তালুকদার, জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, সলঙ্গা থানা বিএনপির সভাপতি মতিয়ার রহমান সরকার, তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি স ম আফসার আলী, রায়গঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি মো. হাতেম আলী সুজন, তাড়াশ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক তপন কুমার গোস্বামী প্রমুখ।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে