
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জনগণের নির্বাচিত সরকার না হলে কোনো খাতে সংস্কার সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে কৃষকদের সমস্যা সমাধানে কাজ করবে বিএনপি। কৃষকবান্ধব সরকার গঠন করা হবে।’
শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে কৃষক দলের আলোচনাসভায় ভার্চুয়ালি অংশ নেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘কৃষকের পানির সুবিধা, সংরক্ষণ ও মাটির নিচে পানির ব্যবহার কমাতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি আবার শুরু করা হবে। কৃষি খাতে দৃষ্টি দেওয়ার পাশাপাশি কৃষিপণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র থেমে নেই দাবি করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘টেলিফোন আলাপেও ষড়যন্ত্রের কথা শোনা যাচ্ছে। ষড়যন্ত্র থেমে নেই সেটা প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে সতর্ক করতে হবে।’
জনগণের প্রতিনিধিত্বের সরকার প্রতিষ্ঠা হলে বাজার পরিস্থিতি আস্তে আস্তে নিয়ন্ত্রণে আসবে জানিয়ে তারেক বলেন, ‘এখন বাজার সিন্ডিকেট বন্ধ করা যাবে না। যেকোনো সংস্কারের জন্য জনগণের নির্বাচিত সরকার না হলে তা সম্ভব নয়।’
ভোট দেওয়া ভোটারের স্বাধীনতা উল্লেখ করে বিএনপির শীর্ষ নেতা বলেন, ‘ভোট হতে হবে, যাকে খুশি তাকে ভোট দেবে জনগণ। জনগণকে বোঝাতে হবে, যাকে খুশি তাকে ভোট দেবে। কিন্তু ভোট হওয়ার বিষয়ে কোনো কম্প্রোমাইজ নেই। নির্বাচন হতে হবে নিরাপদ, ভোট দেওয়ার নিশ্চয়তা। জনগণ আমাকে ভোট না দিলেও সমস্যা নেই, কিন্তু জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ষড়যন্ত্র রুখতে হলে ভোটের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।’

জনগণের নির্বাচিত সরকার না হলে কোনো খাতে সংস্কার সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে কৃষকদের সমস্যা সমাধানে কাজ করবে বিএনপি। কৃষকবান্ধব সরকার গঠন করা হবে।’
শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে কৃষক দলের আলোচনাসভায় ভার্চুয়ালি অংশ নেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘কৃষকের পানির সুবিধা, সংরক্ষণ ও মাটির নিচে পানির ব্যবহার কমাতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি আবার শুরু করা হবে। কৃষি খাতে দৃষ্টি দেওয়ার পাশাপাশি কৃষিপণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র থেমে নেই দাবি করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘টেলিফোন আলাপেও ষড়যন্ত্রের কথা শোনা যাচ্ছে। ষড়যন্ত্র থেমে নেই সেটা প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে সতর্ক করতে হবে।’
জনগণের প্রতিনিধিত্বের সরকার প্রতিষ্ঠা হলে বাজার পরিস্থিতি আস্তে আস্তে নিয়ন্ত্রণে আসবে জানিয়ে তারেক বলেন, ‘এখন বাজার সিন্ডিকেট বন্ধ করা যাবে না। যেকোনো সংস্কারের জন্য জনগণের নির্বাচিত সরকার না হলে তা সম্ভব নয়।’
ভোট দেওয়া ভোটারের স্বাধীনতা উল্লেখ করে বিএনপির শীর্ষ নেতা বলেন, ‘ভোট হতে হবে, যাকে খুশি তাকে ভোট দেবে জনগণ। জনগণকে বোঝাতে হবে, যাকে খুশি তাকে ভোট দেবে। কিন্তু ভোট হওয়ার বিষয়ে কোনো কম্প্রোমাইজ নেই। নির্বাচন হতে হবে নিরাপদ, ভোট দেওয়ার নিশ্চয়তা। জনগণ আমাকে ভোট না দিলেও সমস্যা নেই, কিন্তু জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ষড়যন্ত্র রুখতে হলে ভোটের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।’

চরমোনাইর পিরসাহেব, ইসলামী আন্দোলনের আমির, উনি নির্বাচন করছেন না। সেই জায়গায় উনাদের যে নায়েবে আমির আছেন, ফয়জুল করীম সাহেব, আমরা তার জন্য আমাদের ক্যান্ডিডেটকে উইথড্র করবে। কারণ আমরা তো জোটে ছিলাম। সেই কন্ট্রিবিউশনের একটা সৌজন্যতার জন্য এ সিদ্ধান্ত।
১৭ ঘণ্টা আগে
নাম উল্লেখ না করে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচনে জিততে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাজধানীতে বিপুল পরিমাণ ভোটার স্থানান্তরের ‘কূটকৌশল’ গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ ধরনের স্থানান্তরিত ভোটারের তালিকা সরবরাহে
১৭ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
এর আগে বেলা ১১টায় নির্বাচন কার্যালয়ের সামনে পূর্ব নির্ধারিত ‘নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি’ পালন করতে এসে বসে পড়েন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে সন্ধ্যায় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে দিনের কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে