
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ছাত্র-জনতার দাবি মেনে ক্ষমতা থেকে অবিলম্বে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার বিবৃতিতে বিএনপির মহাসচিব বলেন, গণহত্যাকারী সরকারের পদত্যাগের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা অসহযোগ আন্দোলনের প্রথম দিনে আজ রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন জেলা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ক্ষমতা জবরদখল করে রাখা আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি চালিয়ে এখন পর্যন্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী শতাধিক ছাত্র জনতাকে হত্যা করেছে। গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন আরো সহস্রাধিক মানুষ। গতকাল আওয়ামী লীগ ঘোষনা দিয়ে আজ সমগ্র দেশে তারা পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগের সশস্ত্র নেতাকর্মী জমায়েত করে গণতন্ত্রকামী ছাত্র-জনতার উপর লেলিয়ে দেয়।
ঢাকার ধানমন্ডি, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, মিরপুর, উত্তরা, তোপখানা রোড সহ বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী সন্ত্রাসী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মারাত্মক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গুলিবর্ষণ করে। সমগ্র দেশকেই আজ রণক্ষেত্রে পরিণত করে হত্য, নির্যাতন ও বল প্রয়োগ করে আন্দোলন দমানোর ব্যর্থ চেষ্টা চালায়।
আজও গণ-আন্দোলনে সরকারের পেটুয়া বাহিনীর গুলি হত্যা দমন নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান বিএনপির মহাসচিব।
ফখরুল বলেন, আজ দুপুর থেকে মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির জন্য ইন্টারনেট, ফেইসবুক, ম্যাসেন্জার, হোয়াটসঅ্যাপসহ সামাজিক গণমাধ্যম বন্ধ করে দেয়া হয়।
আন্দোলন দমন ও ভায়ভীতি প্রদর্শন করতে আজ সন্ধ্যা থেকে আবারো সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য সান্ধ্য আইন জারি করা হয়েছে।
বিবৃতিতে তিনি জাবি করেন, বরাবরের মতো আজও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা বিএসএমএমইউসহ বিভিন্ন স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এর দায় আন্দোলনকারীদের ওপর চাপানোর ষড়যন্ত্র করছে ।
ফ্যাসিবাদী সরকারের এই নির্মম হামলা, দমন নিপীড়নের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, দেশব্যাপী গণজাগরণের মধ্য দিয়ে জনগণ গণঅভ্যুত্থানের পথে যে যাত্রা শুরু করেছেন, হত্যা, দমন, নিপীড়ন চালিয়ে তা আর ব্যর্থ করা যাবে না। সরকার পরিকল্পিতভাবে সংঘাত, সংঘর্ষ উস্কিয়ে দিয়ে আন্দোলনের বিজয় নস্যাত করতে চায়। অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে আন্দোলনরত জনগণ সরকারের ষড়যন্ত্র চক্রান্ত ব্যর্থ করে বিজয় ছিনিয়ে আনবে ইনশাআল্লাহ ।
তিনি বলেন, আজ অসহযোগ আন্দোলনসহ চলমান আন্দোলনে ছাত্র জনতাকে হত্যাকারীদের বিচার অবশ্যই বাংলাদেশের মাটিতে হবে।
নিহত সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে ফখরুল বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
আহত সকলের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি।
দেশবাসী বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন তথা ছাত্র জনতার এক দফা আন্দোলনের ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি সফল করার এবং একই সাথে নিজ নিজ এলাকায়ও আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত রাখারও আহ্বান জানান ফখরুল।
সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি ছাত্র-জনতার চলমান গণআন্দোলনে তাদের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ছাত্র-জনতার দাবি মেনে ক্ষমতা থেকে অবিলম্বে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার বিবৃতিতে বিএনপির মহাসচিব বলেন, গণহত্যাকারী সরকারের পদত্যাগের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা অসহযোগ আন্দোলনের প্রথম দিনে আজ রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন জেলা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ক্ষমতা জবরদখল করে রাখা আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি চালিয়ে এখন পর্যন্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী শতাধিক ছাত্র জনতাকে হত্যা করেছে। গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন আরো সহস্রাধিক মানুষ। গতকাল আওয়ামী লীগ ঘোষনা দিয়ে আজ সমগ্র দেশে তারা পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগের সশস্ত্র নেতাকর্মী জমায়েত করে গণতন্ত্রকামী ছাত্র-জনতার উপর লেলিয়ে দেয়।
ঢাকার ধানমন্ডি, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, মিরপুর, উত্তরা, তোপখানা রোড সহ বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী সন্ত্রাসী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মারাত্মক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গুলিবর্ষণ করে। সমগ্র দেশকেই আজ রণক্ষেত্রে পরিণত করে হত্য, নির্যাতন ও বল প্রয়োগ করে আন্দোলন দমানোর ব্যর্থ চেষ্টা চালায়।
আজও গণ-আন্দোলনে সরকারের পেটুয়া বাহিনীর গুলি হত্যা দমন নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান বিএনপির মহাসচিব।
ফখরুল বলেন, আজ দুপুর থেকে মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির জন্য ইন্টারনেট, ফেইসবুক, ম্যাসেন্জার, হোয়াটসঅ্যাপসহ সামাজিক গণমাধ্যম বন্ধ করে দেয়া হয়।
আন্দোলন দমন ও ভায়ভীতি প্রদর্শন করতে আজ সন্ধ্যা থেকে আবারো সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য সান্ধ্য আইন জারি করা হয়েছে।
বিবৃতিতে তিনি জাবি করেন, বরাবরের মতো আজও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা বিএসএমএমইউসহ বিভিন্ন স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এর দায় আন্দোলনকারীদের ওপর চাপানোর ষড়যন্ত্র করছে ।
ফ্যাসিবাদী সরকারের এই নির্মম হামলা, দমন নিপীড়নের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, দেশব্যাপী গণজাগরণের মধ্য দিয়ে জনগণ গণঅভ্যুত্থানের পথে যে যাত্রা শুরু করেছেন, হত্যা, দমন, নিপীড়ন চালিয়ে তা আর ব্যর্থ করা যাবে না। সরকার পরিকল্পিতভাবে সংঘাত, সংঘর্ষ উস্কিয়ে দিয়ে আন্দোলনের বিজয় নস্যাত করতে চায়। অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে আন্দোলনরত জনগণ সরকারের ষড়যন্ত্র চক্রান্ত ব্যর্থ করে বিজয় ছিনিয়ে আনবে ইনশাআল্লাহ ।
তিনি বলেন, আজ অসহযোগ আন্দোলনসহ চলমান আন্দোলনে ছাত্র জনতাকে হত্যাকারীদের বিচার অবশ্যই বাংলাদেশের মাটিতে হবে।
নিহত সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে ফখরুল বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
আহত সকলের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি।
দেশবাসী বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন তথা ছাত্র জনতার এক দফা আন্দোলনের ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি সফল করার এবং একই সাথে নিজ নিজ এলাকায়ও আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত রাখারও আহ্বান জানান ফখরুল।
সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি ছাত্র-জনতার চলমান গণআন্দোলনে তাদের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বিবৃতিতে তিনি জানান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি যে দুই আসনে প্রার্থী হয়েছেন সেই দুই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী দেবে না। এই দুই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী প্রত্যাহার করা হবে। দুই আসনেই ইসলামী আন্দোলনের সমর্থন মাওলানা মামুনুল হকের
১৮ ঘণ্টা আগে
সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন অধ্যাপক আবুল হাশেম। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
২১ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ ও পরামর্শ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারকে জানাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের ব্যবস্থা নেয়া যায়, সরকার তা নেবে। কেউ যেন আইন অমান্য না করতে পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, আমরা আমাদের অভিযোগ তিনটির বিষয়ে ইসি থেকে আশ্বস্ত হয়েছি। আমরা আরও আশ্বস্ত হতে চাই। তারা আমাদেরকে অনুরোধ জানিয়েছে যেন আমরা আজকের মতো কর্মসূচি এখানে স্থগিত করি। সেজন্য ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, আমরা সাময়িকভাবে এই কর্মসূচি এখানেই সমাপ্ত ঘোষণা করছি।
১ দিন আগে