
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বগুড়াকে বিএনপির অবিচ্ছেদ্য দুর্গ হিসেবে উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বগুড়া বিএনপির শক্ত ঘাঁটি। এই ঘাঁটির দায়িত্ব আপনাদের হাতে তুলে দিলাম। এই ঘাঁটিকে যেমনভাবে আগলে রেখেছেন, তেমনি এখানকার জনগণের পাশেও থাকতে হবে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বগুড়ার চার তারকা হোটেল নাজ গার্ডেনের বলরুমে নিজ নির্বাচনী এলাকা বগুড়া-৬ (সদর) আসনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় শুরুতে স্থানীয় নেতাদের বক্তব্য শোনেন বিএনপির চেয়ারম্যান।
তারেক রহমান বলেন, কেউ কেউ মনে করেন, ভোটারদের কাছে না গেলেও এখানে ধানের শীষ বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে তা মনে করি না। এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বসে থাকলে চলবে না। প্রত্যেককে ভোটারদের কাছে যেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বগুড়ার সাতটি আসনেই বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করতে হবে। সে লক্ষ্যেই সংগঠনের প্রতিটি স্তরের নেতাকর্মীকে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
নিজের প্রার্থী হওয়ার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, অতীতেও নানা সময়ে আপনাদের কাছে এসেছি। এবার প্রার্থী হয়ে এসেছি ঠিকই, কিন্তু আমার নির্বাচনের দায়িত্ব শুধু আপনাদের কাঁধে নয়। কারণ সারা দেশে নির্বাচনী প্রচারণায় আমাকে অংশ নিতে হচ্ছে।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম (বাদশা)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটি সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদ-উন-নবী ও খায়রুল বাশার।
সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র এ কে এম মাহবুবুর রহমান, উপদেষ্টা ও বগুড়া-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন ও আলী আজগর তালুকদার, বগুড়া শহর বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক চৌধুরী এবং বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান।
সভা শেষে নেতাকর্মীরা জানান, তারেক রহমানের বক্তব্যে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা নতুন করে উজ্জীবিত হয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনে বগুড়াকে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে ধরে রাখতে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।

বগুড়াকে বিএনপির অবিচ্ছেদ্য দুর্গ হিসেবে উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বগুড়া বিএনপির শক্ত ঘাঁটি। এই ঘাঁটির দায়িত্ব আপনাদের হাতে তুলে দিলাম। এই ঘাঁটিকে যেমনভাবে আগলে রেখেছেন, তেমনি এখানকার জনগণের পাশেও থাকতে হবে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বগুড়ার চার তারকা হোটেল নাজ গার্ডেনের বলরুমে নিজ নির্বাচনী এলাকা বগুড়া-৬ (সদর) আসনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় শুরুতে স্থানীয় নেতাদের বক্তব্য শোনেন বিএনপির চেয়ারম্যান।
তারেক রহমান বলেন, কেউ কেউ মনে করেন, ভোটারদের কাছে না গেলেও এখানে ধানের শীষ বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে তা মনে করি না। এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বসে থাকলে চলবে না। প্রত্যেককে ভোটারদের কাছে যেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বগুড়ার সাতটি আসনেই বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করতে হবে। সে লক্ষ্যেই সংগঠনের প্রতিটি স্তরের নেতাকর্মীকে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
নিজের প্রার্থী হওয়ার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, অতীতেও নানা সময়ে আপনাদের কাছে এসেছি। এবার প্রার্থী হয়ে এসেছি ঠিকই, কিন্তু আমার নির্বাচনের দায়িত্ব শুধু আপনাদের কাঁধে নয়। কারণ সারা দেশে নির্বাচনী প্রচারণায় আমাকে অংশ নিতে হচ্ছে।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম (বাদশা)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটি সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদ-উন-নবী ও খায়রুল বাশার।
সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র এ কে এম মাহবুবুর রহমান, উপদেষ্টা ও বগুড়া-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন ও আলী আজগর তালুকদার, বগুড়া শহর বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক চৌধুরী এবং বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান।
সভা শেষে নেতাকর্মীরা জানান, তারেক রহমানের বক্তব্যে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা নতুন করে উজ্জীবিত হয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনে বগুড়াকে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে ধরে রাখতে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।

এর আগে সন্ধ্যা ৬টায় পীরগঞ্জ উপজেলার জাফরপাড়ায় শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন তিনি। পরে আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত সব কর্মচারীই অবগত আছেন যে তিনি এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ওই বাসায় থাকছেন না এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী খন্দকার মমিনুর রহমানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বাসাটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
নাহিদ বলেন, আমরা নতুন বন্দোবস্তের লক্ষ্য থেকে সরে আসিনি। সংস্কারের প্রতিশ্রুতি আমরা পেয়েছি যেগুলো গণভোটের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। জোট ক্ষমতায় এলে অংশীদারির ভিত্তিতে এ বিষয়গুলো আমরা বাস্তবায়ন করব। ভিন্ন ভিন্ন দল থাকলেও এই জোট সরকার গঠন করলে কোনো একটি নির্দিষ্ট দলের পরিকল্পনায় কাজ করবে না।
১৯ ঘণ্টা আগে
মাদক ব্যবসায়ী, মাদক সেবক ও এর সঙ্গে জড়িতদের উদ্দেশ্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আপনারা ভুল থেকে ফিরে আসুন। কর্মসংস্থানের প্রয়োজন হলে আমাদের জানান। বৈধ উপায়ে জীবিকা নির্বাহের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।
২০ ঘণ্টা আগে