
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্য কেন্দ্র হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, শুধু চট্টগ্রাম বন্দর নয়, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও ব্যবসা-বাণিজ্যের হাব হিসেবে গড়ে উঠবে। এটিও শুধু বাংলাদেশের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর ব্যবসায়িক কার্যক্রমের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।
সোমবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর ৩৬ নম্বর গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের বন্দর নিমতলা খালপাড় এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বন্দর থেকে শুরু করে আধুনিক ওয়্যারহাউজ, কন্টেইনার ডিপো, শিপিং সার্ভিস এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সকল আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এখানে থাকবে। চট্টগ্রাম বন্দর ও বিমানবন্দরকে ঘিরে পুরো বেল্ট এলাকা হবে একটি আন্তর্জাতিক মানের লজিস্টিক্যাল হাব। এখান থেকে দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের সাথে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও লেনদেন পরিচালিত হবে।
তিনি বলেন, আমাদের আশেপাশে যত দেশ আছে, সবগুলোর সাথে এখান থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালিত হবে। এই অঞ্চল হবে সবার ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু বলেন, এই অঞ্চল সারাদেশের ট্রেডিং পোর্ট এবং ম্যানুফ্যাকচারিং সেন্টার হিসেবে পরিচালিত হবে। শিল্প-কারখানা, রপ্তানি-আমদানি, উৎপাদন ও বিতরণ সব কিছুরই কেন্দ্রবিন্দু হবে চট্টগ্রাম। সুতরাং আলাদা করে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণার কোনো দরকার নেই। স্বাভাবিকভাবেই চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানীতে পরিণত হবে। এর ভৌগোলিক অবস্থান, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দরের সুবিধা এটিকে স্বাভাবিকভাবেই একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত করবে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু একটি আসনের নির্বাচন নয়, এটি গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল থাকতে হবে। অযথা হৈ-হুল্লোড় করা যাবে না। রাজনীতির ধরন এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। এখন আর জোরে চিৎকার করে বা মিছিল করে মানুষকে আকৃষ্ট করার দিন নেই। সবাইকে সরাসরি মানুষের কাছে যেতে হবে, তাদের সাথে কথা বলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মানুষের কাছে বিএনপির দেশ পরিচালনার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, উন্নয়ন কর্মসূচি এবং জনকল্যাণমুখী নীতি-পরিকল্পনা পৌঁছে দিতে হবে। আমাদের কাজ হবে শান্তিপূর্ণভাবে, সুশৃঙ্খলভাবে মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে তাদের সমস্যা শোনা এবং সমাধানের পথ দেখানো।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী বেলাল, বিএনপি নেতা মো. মুছা, মো. সবুর, জাহিদ হাসান, নুরুল আমিন, মো. হারুন, হুমায়ুন কবির সোহেল, আবু সাঈদ হারুন, মো. শাহজাহান, মো. নেজাম উদ্দিন প্রমুখ।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্য কেন্দ্র হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, শুধু চট্টগ্রাম বন্দর নয়, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও ব্যবসা-বাণিজ্যের হাব হিসেবে গড়ে উঠবে। এটিও শুধু বাংলাদেশের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর ব্যবসায়িক কার্যক্রমের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।
সোমবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর ৩৬ নম্বর গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের বন্দর নিমতলা খালপাড় এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বন্দর থেকে শুরু করে আধুনিক ওয়্যারহাউজ, কন্টেইনার ডিপো, শিপিং সার্ভিস এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সকল আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এখানে থাকবে। চট্টগ্রাম বন্দর ও বিমানবন্দরকে ঘিরে পুরো বেল্ট এলাকা হবে একটি আন্তর্জাতিক মানের লজিস্টিক্যাল হাব। এখান থেকে দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের সাথে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও লেনদেন পরিচালিত হবে।
তিনি বলেন, আমাদের আশেপাশে যত দেশ আছে, সবগুলোর সাথে এখান থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালিত হবে। এই অঞ্চল হবে সবার ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু বলেন, এই অঞ্চল সারাদেশের ট্রেডিং পোর্ট এবং ম্যানুফ্যাকচারিং সেন্টার হিসেবে পরিচালিত হবে। শিল্প-কারখানা, রপ্তানি-আমদানি, উৎপাদন ও বিতরণ সব কিছুরই কেন্দ্রবিন্দু হবে চট্টগ্রাম। সুতরাং আলাদা করে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণার কোনো দরকার নেই। স্বাভাবিকভাবেই চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানীতে পরিণত হবে। এর ভৌগোলিক অবস্থান, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দরের সুবিধা এটিকে স্বাভাবিকভাবেই একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত করবে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু একটি আসনের নির্বাচন নয়, এটি গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল থাকতে হবে। অযথা হৈ-হুল্লোড় করা যাবে না। রাজনীতির ধরন এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। এখন আর জোরে চিৎকার করে বা মিছিল করে মানুষকে আকৃষ্ট করার দিন নেই। সবাইকে সরাসরি মানুষের কাছে যেতে হবে, তাদের সাথে কথা বলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মানুষের কাছে বিএনপির দেশ পরিচালনার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, উন্নয়ন কর্মসূচি এবং জনকল্যাণমুখী নীতি-পরিকল্পনা পৌঁছে দিতে হবে। আমাদের কাজ হবে শান্তিপূর্ণভাবে, সুশৃঙ্খলভাবে মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে তাদের সমস্যা শোনা এবং সমাধানের পথ দেখানো।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী বেলাল, বিএনপি নেতা মো. মুছা, মো. সবুর, জাহিদ হাসান, নুরুল আমিন, মো. হারুন, হুমায়ুন কবির সোহেল, আবু সাঈদ হারুন, মো. শাহজাহান, মো. নেজাম উদ্দিন প্রমুখ।

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা আপনাদের দলগুলো রিফরমেশন করুন। যারা মানুষকে ভয় দেখিয়ে ও জিম্মি করে রাজনীতি করে—সেসব চাঁদাবাজ ও মাস্তানদের বাদ দিয়ে শিক্ষিত, ভদ্র ও নীতিবান মানুষদের নেতৃত্বে নিয়ে আসুন। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—এই দেশে আ
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতি আমাদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করলে—আল্লাহর কসম, আল্লাহর কসম, আল্লাহর কসম—জনগণের সম্পদের ওপর আমরা হাত দেব না।
৪ ঘণ্টা আগে
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জামায়াত নেতাদের বিভিন্ন দেশের সাথে বৈঠকের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘জামায়াতের নেতৃবৃন্দ গোপনে আমেরিকা ও ভারতের সাথে বৈঠক করে
৫ ঘণ্টা আগে
আগামীতে জনগণ দেশের মালিকানা ফেরত পাবে এ কথা জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশে যেন আর কোনো দিন ফ্যাসিবাদ ফিরে না আসে এমন সংবিধান প্রণয়ন করা হবে, এমন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। ক্ষমতায় গেলে দরিদ্র পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড, চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে স্বাস্থ্য কার্ড, কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়ার প্রতিশ
৬ ঘণ্টা আগে