
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের মুখাপেক্ষি হয়ে বাংলাদেশ চলবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদিন ফারুক। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তৃণমূল নাগরিক আন্দোলনের উদ্যোগে শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
জয়নুল আবেদিন ফারুক বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। কোনো দেশের মুখাপেক্ষী আমরা নই। ভারতকে বলতে চাই, আমরা গণতান্ত্রিক দেশের মানুষ হিসেবে অনুরোধ জানাব, স্বাধীন দেশের প্রতি সন্মান দেখান। বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের সহযোগিতা চান ফারুক। তিনি বলেন, যেসব সংসদ সদস্য অনির্বাচিত যারা হাজার কোটি টাকা লুট করে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি করেছে, সড়ক-জনপথ বিভাগে দুর্নীতি করেছে, যারা বিচার বিভাগে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ দেয় নাই সেসকল অনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কিছু আনা-গোনা জনগণ দেখতে পারছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আপনার কাছে একজন নির্যাতিত রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে দাবি করবো, আইন নিজের হাতে আমরা তুলে নেবো না আমার নেতা তারেক রহমান বলেছেন। অবিলম্বে তাদেরকে গ্রেপ্তার করুন। ৭ই জানুয়ারির ভোটবিহীন ডামি নির্বাচনে তিনশ এমপির বাসায় হাজার কোটি টাকার ডলার পাবেন। তল্লাশী করেন, তদন্ত শুরু করেন সব বেরিয়ে পড়বে। আপনাকে সহযোগিতা করার জন্য আমরা প্রস্তুত।
আওয়ামী লীগ সরকারের হাতে নির্মমভাবে নিজের নির্যাতিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে ফারুক বলেন, জীবনের বিনিময় হলেও ১৬ বছর অত্যাচারি হয়েছি। আর অত্যাচারি হতে চাই না। একটি গণতান্ত্রিক দেশে, তারেক রহমানের ভাষায় আমার ভোট আমি দেবো- এই অধিকারের ভিত্তিতে একটি নির্বাচন দেশে হোক। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পাবে আর কাউকে রাস্তায় আসতে হবে না।
ঢাকা সেনানিবাসে শহীদ মইনুল সড়কে খালেদা জিয়ার জন্য বরাদ্ধৃকত বাড়িতে ভবন নির্মাণ করে শিক্ষার্থীদের নামে হোস্টেল নির্মাণের দাবি জানিয়ে সাবেক বিরোধী দলের প্রধান হুইপ বলেন, আমরা বলতে চাই, খালেদা জিয়াকে সরকার বাড়ি দিয়েছিলো ক্যান্টনমেন্টে। যেদিন আমাদেরকে ঢুকতে দেয়নি, ম্যাডামকে খালি হাতে সরকার কর্তৃক বরাদ্ধকৃত বাড়ি থেকে শেখ হাসিনা রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বের করে দিয়েছিলেন। আজকে বাংলাদেশে এখন জনগনের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে জনতার দাবি, ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটি ১০ তলা ভবন তৈরি করে ঢাকা কলেজের হোস্টেল তৈরি করে আবু সাঈদের নামে নামকরণ করা হোক।

ভারতের মুখাপেক্ষি হয়ে বাংলাদেশ চলবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদিন ফারুক। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তৃণমূল নাগরিক আন্দোলনের উদ্যোগে শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
জয়নুল আবেদিন ফারুক বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। কোনো দেশের মুখাপেক্ষী আমরা নই। ভারতকে বলতে চাই, আমরা গণতান্ত্রিক দেশের মানুষ হিসেবে অনুরোধ জানাব, স্বাধীন দেশের প্রতি সন্মান দেখান। বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের সহযোগিতা চান ফারুক। তিনি বলেন, যেসব সংসদ সদস্য অনির্বাচিত যারা হাজার কোটি টাকা লুট করে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি করেছে, সড়ক-জনপথ বিভাগে দুর্নীতি করেছে, যারা বিচার বিভাগে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ দেয় নাই সেসকল অনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কিছু আনা-গোনা জনগণ দেখতে পারছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আপনার কাছে একজন নির্যাতিত রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে দাবি করবো, আইন নিজের হাতে আমরা তুলে নেবো না আমার নেতা তারেক রহমান বলেছেন। অবিলম্বে তাদেরকে গ্রেপ্তার করুন। ৭ই জানুয়ারির ভোটবিহীন ডামি নির্বাচনে তিনশ এমপির বাসায় হাজার কোটি টাকার ডলার পাবেন। তল্লাশী করেন, তদন্ত শুরু করেন সব বেরিয়ে পড়বে। আপনাকে সহযোগিতা করার জন্য আমরা প্রস্তুত।
আওয়ামী লীগ সরকারের হাতে নির্মমভাবে নিজের নির্যাতিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে ফারুক বলেন, জীবনের বিনিময় হলেও ১৬ বছর অত্যাচারি হয়েছি। আর অত্যাচারি হতে চাই না। একটি গণতান্ত্রিক দেশে, তারেক রহমানের ভাষায় আমার ভোট আমি দেবো- এই অধিকারের ভিত্তিতে একটি নির্বাচন দেশে হোক। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পাবে আর কাউকে রাস্তায় আসতে হবে না।
ঢাকা সেনানিবাসে শহীদ মইনুল সড়কে খালেদা জিয়ার জন্য বরাদ্ধৃকত বাড়িতে ভবন নির্মাণ করে শিক্ষার্থীদের নামে হোস্টেল নির্মাণের দাবি জানিয়ে সাবেক বিরোধী দলের প্রধান হুইপ বলেন, আমরা বলতে চাই, খালেদা জিয়াকে সরকার বাড়ি দিয়েছিলো ক্যান্টনমেন্টে। যেদিন আমাদেরকে ঢুকতে দেয়নি, ম্যাডামকে খালি হাতে সরকার কর্তৃক বরাদ্ধকৃত বাড়ি থেকে শেখ হাসিনা রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বের করে দিয়েছিলেন। আজকে বাংলাদেশে এখন জনগনের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে জনতার দাবি, ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটি ১০ তলা ভবন তৈরি করে ঢাকা কলেজের হোস্টেল তৈরি করে আবু সাঈদের নামে নামকরণ করা হোক।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে